Image Stabilization ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন

ক্যমেরার মুভমেন্টের কারনে বা চলন্ত অবস্থায় ছবি তোলা বা ভিডিও করার সময় ফোকাসের পরিবর্তন হতে পারে। ধরুন ফোকাসটি দুর থেকে কাছে বা কছ থেকে দুরে চলে যেতে পারে। এসময় যে অংশটি ফোকাসে আনতে চাচ্ছেন তা ব্লার বা ঝাপসা দেখাতে পারে।

Image Stabilization ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন টেকনিকের মাধ্যশে এটা কমিয়ে আনা যায় বা খুব দ্রুত ফোকাসটি ঠিক করা যায়। অনেক ক্যামেরা ও মোবাইলের ক্যামেরাতে এই টেকনোলজী ব্যবহার হয়। যারা ভিডিও করার জন্য মোবাইল বা ক্যামেরা কিনবেন তাদের জন্য ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন খুবই দরকারী।

ছবি সূত্রঃ উইকিপেডিয়া

অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (Optical Image Stabilization)

OS, OIS, OS বিভিন্ন নামে বলা হয়। এই টেকনোলজী ক্যামেরার ল্যান্সে ব্যবহার করা হয়। কোন ছবির উপর ফোকাস পড়লে এটি ফোকাসটিকে ঠিক করে নেয়। এক্ষেত্রে কোন কোন ক্যামেরায় ল্যান্স আবার কোনটায় সেন্সর জায়গা পরিবর্তন করে ঠিক করে নিতে পারে।

বিভিন্ন ক্যামেরায় বিভিন্নভাবে এটিকে বুঝিয়েছে যেমন-

Nikon-Vibration Reduction (VR)

Cannon-Image Stabilizer (IS)

Konica Milonta– Anti-Shake (AS)

Sony– SteadyShot (SS), Super SteadyShot (SSS), SteadyShot INSIDE (SSI)

PureView– Nokia (প্রথম মোবাইল ফোন ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন)

High Dynamic Range – HDR হাই ডায়নামিক র‌্যাঞ্জ

আমরা কোন ছবির অতি উজ্জল অংশ এবং কম উজ্জল অংশ যেভাবে দেখতে পাই, ছবিতে সাধারনতঃ তেমনটা দেখি না। প্রিন্টের উদ্দেশ্য তোলা ছবিগুলোতে সাধারনতঃ উজ্জলতার এই মাপ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

কিন্তু HDR টেকনোলজী ব্যবহার করে অনেক বেশি র‌্যাঞ্জের লুমেনের ছবি একই রকম তোলা হয়। ফলে ছবিটি আরো জীবন্ত হয়ে ওঠে। অন্ধকার অংশ আরো বেশি অন্ধকার বা কোন ছায়ার অংশ বাস্তবে যেমনটা ঠিক তেমন করো তোলা সম্ভব হয়।

অনেক ক্যামেরাতেই HDR ছবি তোলা যায়। ক্যামেরা কেনার সময় এটা দেখে নিতে পারেন। উইকি পেডিয়ার এই ছবিটি উদাহরণ।