CDN Content Delivery Network কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক

বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত সারভারের মাধ্যমে ওয়েব কনটেন্ট যেমন- ছবি, ভিডিও বা ওয়েবপেজ ফাইল হোস্ট করাহয়। এই হোস্টিং কে কনটেন্ট ডেলিভারী সারভার বলে।

কোন একটি ওয়েবসাইটের ভিজিটর এক এক দেশ থেকে একসেস করতে পারে এক এক দেশে তার কাছের সারভার থেকে কনটেন্ট প্রদান করলে দ্রুত সাইট লোড হয় এ জন্য কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

কিভাবে কাজ করেঃ

কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক কোন ওয়েবসাইটের কপি বিভিন্ন সারভারে রাখে। সাইটটি যখন কোন ছবি কল করে এটি কাছের সারভারে রিডাইরেক্ট হয়।

Picture Source

Downtime ডাউনটাইম

যখন কানেকশন, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর কোন কারনে সারভার/নেটওয়ার্ক লিংক বন্ধ থাকে সেই সময়কে ডাউনটাইম বলে থাকে।

আপনি কোন ইন্টারনেট কানেকশন নেওয়ার ক্ষেত্রে আইএসপিকে মাসিক সবোর্চ্চ ডাউনটাইম জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন। বা আগের ৩ মাসের ডাউনটাইম চেক করে দেখে নিতে পারেন। এ থেকে তাদের সার্ভিস সম্পকে ধারণা পেতে পারেন। আবার হোস্টিং সারভারের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানের ডাউন্টাইম চেক করে নিতে পারেন।

অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাফের মাধ্যমে তাদের ডাউনটাইম হিসাব সংরক্ষণ করে যা পরবর্তিতে নতুন কাস্টমার পেতে সহায়ক হয়। কাস্টমারের জন্যও কানেকশন /সার্ভিস নিতে সুবিধা হয়। যদি কোন আইএসপি ১% ডাউনটাইম বলে থাকে তাহলে মাসিক আপনি ৭ ঘন্টা ডাউনটাইম হলেও আইএসপিকে কিছু বলতে পারবেন না। যেহেতু এটি তার প্রতিশ্রুত ডাউনটাইমের মধ্যেই পরে।

Data Center ডাটা সেন্টার

 

সারভার, রাউটার, সুইচ ইত্যাদি একসাথে যে প্রয়োজনীয় পরিবেশে রাখা হলে তাকে ডাটা সেন্টার বলা হয়ে থাকে।

সাধারনতঃ ডাটা সেন্টারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। তাছাড়া সারর্বিক বিদ্যুৎ ও নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট কানেকশন এর ব্যবস্থা থাকে। সারভারগুলো র‌্যাকের মধ্য সন্নিবেশিত থাকে।

অধিকাংশ বড় ডাটা সেন্টারই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সারভার ভাড়া দেয় যাকে আমরা হোস্টিং ডাটা সেন্টার বলতে পারি। আবার আইএসপি তাদের ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজের জন্যও ডাটা সেন্টার প্রয়োজন হতে পারে। আবার অনেক গ্রুপ প্রতিষ্ঠান নিজেদের এপ্লিকেশন চালানোর জন্য নিজস্ব ডাটাসেন্টার তৈরী করে নেয়।

Crosstalk ক্রসটক

ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক কারনে বা অন্যকারনে কানেকশন উল্টাপাল্টা হয়ে গেলে একজন ভিন্নজনের কাথা শুনতে পায়। অনেকসময় অন্য কথা না সুনে কথা কেটে কেটে যেতে পারে। এরকম অবস্থাকে ক্রসটক বলে।

ওয়্যারলেস কানেকশনের ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস চ্যানেল পরিবর্তিত হয়ে গেলে আপনি অপরিচিত লোকের কথা সুনে পারেন। এটাকে Crosstalk ক্রসটক বলে।

Broadband ব্রডব্যান্ড কি?

ব্রডব্যান্ড বলতে মূলতঃ উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকশনকেই বুঝানো হয়। মূলতঃ বিভিন্ন চ্যানেলের ডাটা দ্রুত পৌছানোর ক্ষমতা সম্পন্ন কানেকশনই ব্রডব্যান্ড।

ব্রডব্যান্ড ফাইবার অপটিক ক্যাবল, কোয়াক্সিয়াল ক্যাবল, রেডিওলিংক ব্যাবহার করে।

 

Bandwidth ব্যান্ডউইথ

১. কোন নেটওয়ার্ক কানেকশন বা ডিভাইজের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত গতিতে ডাটা আদান প্রদান করতে পারে তাকে ব্যান্ডউইথ বলে। এটি বিট/সেকেন্ড এ পরিমাপ করা হয়।
কোন একটি ইন্টারনেট কানেকশন গতি ২মেগাবিট পার সেকেন্ড অর্থ সর্বোচ্চ ২মেগাবিট আপলোড এবং ডাউনলোড গতি দেওয়া হবে।
আবার কোন ওয়্যারলেস রাউটারে যদি ৩০০ মেগাবিট/সেকেন্ড গতি লেখা থাকে তাহলে এটি সর্বোচ্চ এই গতিতে ওয়্যারলেস ডাটা পাঠাতে পারবে। তবে অন্যান্য ডিভাইজ এবং কমিউনিকেশন মিডিয়ার কারনে আপনি সম্পূর্ণ গতি নাও পেতে পারেন।

ওয়েব হোস্টিং এ ব্যান্ডউইথ শব্দটি একটু ভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে সারভার মাসিক কত পরিমান ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে তার যোগফল হিসাব করা হয়।

BGP Border Gateway Protocol বিজিপি বর্ডার গেটওয়ে প্রোটোকল কি?

বিজিপি হলো বর্ডার গেটওয়ে প্রোটোকল। নেটওয়ার্কে রাউটিং তথ্য একধিক হোস্টে পৌছানো হয় এই প্রোটোকলের মাধ্যমে।

BGP’র মাধ্যমে নেটওয়ার্ক রীচ হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত হয়। এই প্রোটোকল রাউটিং টেবিল আপডেট হোস্ট থেকে হোস্টে নির্দিষ্ট সময় পর পর পৌছে যায়। সবচেয়ে সুবিধাজনক পাথের মাধ্যমে হোস্ট থেকে হোস্টের যোগাযোগের সিদ্ধান্ত বর্ডার গেটওয়ে প্রোটোকল নিয়ে থাকে।

ACL – Access Control List এসিএল – একসেস কনট্রোল লিস্ট

নেটওয়ার্ক ডিভাইজ এবং অপারেটিং সিস্টেমে একসেস কন্ট্রোল লিস্ট থাকে। যার মাধ্যমে অন্য কোন হোস্ট বা প্রোটোকল একসেস করতে পারবে কিনা তার অনুমোদন থাকে।
সাধারনতঃ রাউটারে কোন একটি তালিকা থাকতে পারে যার মাধ্যমে রাউটারে প্রবেশের বা কোন রিসোর্স ব্যবহারের অনুমোদন তালিকা দেওয়া হয়।

Backbone ব্যাকবন বা নেটওয়ার্ক ব্যাকবোন

ব্যাকবন শব্দের অর্থ মেরুদন্ড। কিন্তু নেটওয়ার্কের ভাষায় এই মেরুদন্ড শব্দকে ব্যবহার করা হয় অনেক।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মূল কানেকশনগুলো যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক আদান প্রদান হয় তাকে ব্যাকবন বলে।

ধরুন দশটি ভবনে ১০০ জন করে ১০০০ জন কম্পিউটার ব্যবহারকারী রয়েছে। এই দশটি ভবন যে তারের সাহায্যে নিজেদের মধ্যে যুক্ত সেই তারকে ব্যাকবন বলা হবে।

ব্যাকবন লাইন কাটা পড়লে নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকতে পারে বা গতি অনেক কমে যেতে পারে।