ওয়েবে শিক্ষাগ্রহন: প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠকদের উপদেশমালা

অনলাইনে শিক্ষাগ্রহনের বেপারটা অনেক আগে থেকে চলে আসলেও বাংলা ওয়েবে শিক্ষামূলক লেখার বয়স খুব বেশি না। টিউটরিয়ালবিডি অবশ্য শিক্ষাগ্রহণকে সহজ করার জন্যই আবিভূত হয়েছে। বিদ্যালয়ে পাঠ করা ও অনলাইনে শিক্ষাগ্রহনের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। অনেকে অনলাইএন পাঠ করারটাকে অনেক ঝামেলা কর মনে করে।  অনলাইনে যারা শিক্ষা গ্রহণ করতে আগহী তারা কিভাবে নিজের মান উন্নয়ন করতে পারে সে বেপারে আজকের আলোচনা।

ছবি সূত্র

শিক্ষা বন্ধ না করা:

নিজের বেপারে কখনো এরূপ ধারণা করা যাবে না যে, আপনি কোন একটি বিষয়ে সব কিছু জেনে গেছেন। অনেক দিন একটি বিষয়ে জানার পরেও হঠাৎ করে এমন কিছু বেপার আপনার চোখের সামনে হাজির হতে পারে যা আপনি কল্পনাই করেন নাই। তাই নিচের কয়েকটি টিপস মেনে চলতে পারেন।

  • কিভাবে শিখতে হয় তা শেখা
  • কখনো শিক্ষাগ্রহণ বন্ধ না করা
  • প্রতিটি বিষয়ে শিখার পর তা নিজে কাজ করে দেখা

কোন একটি বেপারে ঝাপসা ধারণা হলে

অনলাইনে অনেক সময় কোন একটি বিষয়ে সম্পূর্ণ ধারণা নাও পাওয়া যেতে পারে বা অনেক সময় এমন হতে পারে যে, এক এক জনের এক এক রকমের মতামত। সেই সব বেপারে অবশ্যই আলোচনায় অংশ গ্রহণ করা উচিৎ। কোন একটি বেপারে আলোচনায় বিষয়টি সম্পর্কে অন্য রকম ধারণাও পেতে পারেন যা হয়তো টিউটরিয়ালটিতে নেই।

ধর্য্য ধারণ করা:

অনেক সময় কোন একটি জিনিস শিখার পরে বাস্তবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাজ না ও করতে পারে। এমনও হতে পরে প্রশিক্ষক কোন একটি বিষয় ভুলে বাদ দিয়ে গেছে । অথচ সেই বেপারটি  রাত জেগে প্র্যাকটিস করেও কোন ফল পাচ্ছেন না। তাই এ বেপারে অবশ্যই নিজে ধর্য্য ধরে অন্য দিক থেকে শুরু করা অথবা অন্য একটি প্রজেক্ট র্চচা করতে পারেন।

সাহায্যকারী বন্ধু হোন:

এমনও হতে পারে যে আপনি একটি বিষয়ে এই মাত্র যে সমাধানটি পেয়েছেন সেই সমস্যায় অন্য কেউ পরেছে। সে হয়তো তার সমস্যার কথা জানিয়েছে। আপনার উচিৎ হবে তাকে সহায়তা করা। এমনও হতে পারে, সে এমন কিছু জানে যা আপনি জানেন না। অনলাইন থেকে অনেকের সাথে আমার পরিচয়ের সূত্রে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমার কাছ থেকেও অনেকে কিছু বেপারে সহায়তা চায়। আশা করি এ বেপারে যত বেশি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন শিক্ষাগ্রহণের জন্য তত ভাল।

আপনি যদি কোন একজন লেখাকে প্রতিটি পোস্টে আলোচনায় আংশ গ্রহণ করেন তাহলে সেই লেখকের সাথে একটা ভাল সম্পর্ক সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে।

নিজের জন্য সময় বের করা:

অধিকাংশ পাঠকই বিভিন্ন ওয়েবে রেনডম ব্রাউজ করতে থাকে। কোনটার পরে কোন কাজটা করবে তার কোন ঠিক ঠিকানা থাকে না। একটা সুনির্দষ্ট সময় একটি বিষয়ে মনোযোগ সহকারে কাজ করার ও শিখার মানসিকতা নিয়ে বসা উচিৎ। আর এ জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রগুলোও সাথে রাখা আবশ্যক। যেমন আপনি ফটোশপের টিউটরিয়াল পড়ছেন। আপনার কম্পিউটারে ফটোশপ ইনষ্টল করা থাকতে হবে। সহজেই অনলাইনের টিউটরিয়ালটি নিজে চেষ্টাকরে দেখুন।

যা পছন্দ না করেন সেখান থেকে বিদায় নেওয়া:

কোন একটি বিষয় ভাল না লাগলে সেখান থেকে বিদায় নিন। যে বিষয়ে কাজ করতে আগহী শুশু সেই বিষয়ে মনোযোগ সহকারে বেশি সময় দিয়ে চেষ্টা করা উচিৎ। এতে করে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পারবেন।

‌আরও কিছু টিপস:

  • কোন বেপারে কাউকে প্রশ্ন করার আগে নিজে চেষ্টা করে দেখেন।
  • কয়েকটা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করা। আনেগুলো বিষয়ে এক সাথে শুরু না করা উচিৎ।
  • সমস্যায় পড়লে গুগলে সার্চ দেন। ভাবুন-আপনি যে সমস্যায় আজ পড়েছেন সেই সমস্যায় অনেকে পড়েছে এবং সমাধানও হয়েছে।
  • অন্যের সাথে নিজের নতুন আইডিয়া শেয়ার করুন।

আশা করি টিপসগুলো নতুনদের কাজে লাগবে, সবাইকে সালাম জানিয়ে ও মতামত দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে শেষ করছি।


ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য লিখুন

  3 comments for “ওয়েবে শিক্ষাগ্রহন: প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠকদের উপদেশমালা

  1. October 9, 2012 at 7:32 pm

    thanks…

  2. August 21, 2010 at 8:24 am

    ও দুঃখিত ! আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গেছি । ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোষ্টি লেখার জন্য দোয়া করি দীর্ঘজীবি হউন

  3. August 21, 2010 at 8:22 am

    বরাবরই আপনার পোষ্ট আমার খুব ভালো লাগে , আপনার সাথে আমি একমত । নিজে শিখেছেন এত কষ্ট করে রাত জেগে আর কাউকে শেখাবেন কেন ? আমার মত ‘ কাউকে শেখালে জ্ঞান কমে না বাড়ে ‘ , কিছু লোক আছে কিছু টিউটোরিয়াল দেখে শিখে নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলে , বলে যে এই পোষ্টটি আমিই অনেক আগেই জানি আপনার না লিখলেও চলত অথচ এ কথাগুলি না বললেও চলত , তার উচিত ছিল সে যা জানে তা শেয়ার করা হয়ত দুইজনের জ্ঞান মিলে ভালো পোষ্ট হয়ে যেত। আর লিখবো না বড় হয়ে যাচ্চে স্প্যাপিং হিসাবে ধরতে পারে

Leave a Reply