থ্রিডি প্রিন্টিং কি?

তৃমাত্রিক বস্তু তৈরি করার ক্ষমতা সম্পন্ন প্রিন্টারই হলো থ্রিডি প্রিন্টার। কম্পিটারের কোন একটি থ্রিডি মডেলকে বাস্তব বস্তুতে পরিনত করতে পরে এই প্রিন্টার। সম্পতি এই টেকনলোজির ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে এবং ব্যবহার করা হচ্ছে জুয়েলারীর, আর্কিটেকচার, শিল্প কারখানা, মেডিকেল, ডেন্টাল কাজে।

১৯৮০ সাল থেকে থ্রিডি প্রিন্টারে চিন্তাভাবনা শুরু হলেও অল্প দিনে এই প্রযুক্তি মানুষের হাতে চলে এসেছে।

বিভিন্ন ধরনের কাজে বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ব্যবহার এবং ভিন্ন ভিন্ন কাজে ভিন্ন ভিন্ন কাচামাল ব্যবহার করা হয়। অধিকাংশ প্রিন্টারে কাচা মাল (কাগজ, পলিমার বা ধাতব) তরল অবস্থায় থাকে এবং এটিকে  সিলেক্টিভ লেজার সিস্টারিং (selective laser sintering – SLS) এবং ভিউজ ডিপোজিশন মডেলিং ( fused deposition modeling -FDM) এর মাধ্যমে কাটা বা সংযোজন করা হয়। কিছু প্রতিষ্ঠান পলিমার পাউডারের মাধ্যমে তৈরী করে মডেলটি।

সিলেক্টিভ লেজার সিস্টারিং (SLS)এর মাধ্যমে একটি বস্তুকে লেজার রশ্নির মাধ্যমে কাটা হয় এবং আকৃতি প্রদান করা হয়। আর ভিউজ ডিপোজিশন মডেলিং (FDM) এর মাধ্যমে তরল/অর্ধতরল পদার্থকে কম্পিউটারের লেআউটের আকারে কোন একটি লেআউটে ঢালা হয়।

থ্রিডি প্রিন্টের আগে যে অবজেক্টের প্রতিরূপ বানানো হবে তা বিশেষ ধরনের স্ক্যানারের মাধ্যমে স্ক্যান করা হয় এবং তা কম্পিউটারে আকৃতিটির থ্রিডি প্রিন্টারের উপযোগি মডেলে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তিতে থ্রিডি প্রিন্টারে প্রিন্ট শুরু করা হয়।

নিচে থ্রিডি প্রিন্টারের মাধ্যমে তৈরি কিছু অবজেক্টের ছবি দেওয়া হলো।

থ্রিডি প্রিন্টারের মাধ্যমে এই বাড়ির মডেলটি বানানো হয়।

স্কাল

আংটি