ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে?। পর্ব-৫

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আশাকরি সকলে খুব ভালো আছেন। আমি গত চারটি পর্বে ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে? এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম। আজ তার পঞ্চম পর্ব গত চারটি পর্বের লিংক নিচে দেওয়া হল। যাদের প্রয়োজন বা যাজার গত চারটি পর্ব দেখেন নাই তারা একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন।

ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে?। পর্ব-১
ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে?। পর্ব-২
ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে?। পর্ব-৩
ব্লগ এবং ব্লগিং কি? কেন? বিভাবে?। পর্ব-৪

এখন আসুন আমরা দেখি, এই পর্বে আপনাদের জন্য কি থাকছে:
এই পর্বে আপনাদের জন্য থাকছে: ব্লগের গঠন নিয়ে আলোচনা। অর্থাত একটি ব্লগ দেখতে কেমন হবে ও আনুসঙ্গিক কিছু কথা তাহলে চলুন শুরু করি:
১. আপনার ডোমেইন নেম আপনার নির্বাচিত বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে ভালো হয়।
২. ডোমেইনের কন্ট্রোল সম্পূর্ণ আপনার কাছে থাকতে হবে।
৩. হোস্টিং নেয়ার পূর্বে মান যাচাই করে নিবেন।
৪. হোস্টিং এর কন্ট্রোল আপনার কাছে থাকতে হবে।
৫. হোস্টিং নেওয়ার আগে তার আপটাইম দেখে নিবেন।
৬. কোম্পানীর ডেমো দেখে স্পীড বুঝে নিন।
৭. ডোমেইনে কখনো bd, 24 ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না।
৮. ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করলে কখনো ভারী কালারফুল থিম ব্যবহার করবেন না।
৯. অতিরিক্ত প্লাগিন কখনো ব্যবহার করবেন না।
১০. প্লাগিন এর কাজ কোডিং করে করার চেষ্টা করুন।
১১. ব্লগের লে-আউটে ২টির বেশি কলাম রাখবেন না।
১২. ব্লগের ফন্ট গুলো কখনো অতিরিক্ত ছোট বা অতিরিক্ত বড় করবেন না।
১৩. ব্লগের সাইড বারে বা পোষ্টের শেষে শেয়ার বাটন যুক্ত করুন কিন্ত কখনো পপআপ শেয়ার বক্স দিবেন না।
১৪. এডসেন্স পাওয়ার আশা থাকলে কখনো অন্য কোন কোম্পানীর সস্তা বিজ্ঞাপন দিবেন না।
১৫. ম্যাগাজিন স্টাইলের চকচকে সুন্দর একটি নরমাল থিম ব্যবহার করুন।
১৬. যে থিমটি ব্যবহার করবেন তা যেন এস, ই, ও বান্ধব হয় সেদিকে লক্ষ রাখবেন।
১৭. ব্লগের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন প্রকার সাউন্ড বা ইমেজ ব্যবহার করবেন না।
১৮. ব্লগের কালার গুলো এমন ভাবে নির্বাচন করবেন যেন ভিজিটর দের পড়তে কোন সমস্যা না হয়।
১৯. ব্লগে অবশ্যই অবশ্যই যোগাযোগ ফর্ম রাখুন।
২০. প্রতি পোষ্টে মন্তব্যের ব্যবস্থা রাখুন।

তো বন্ধুরা আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আশাকরি পরবর্তী পর্বে আপনাদের জন্য আরো কিছু টিপস নিয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে হাজির হব এই প্রত্যাশায় এখানেই বিদায়। আল্লাহ হাফেজ।