ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করুন ঘরে বসেই!

আসুন জেনে নেই ফ্রিল্যান্সিং কি?

ধরাবাঁধা কোন নিয়ম মেনে চাকরি না করে নিজের স্বাধীনতা অনুযায়ী কাজ করাই ফ্রিল্যান্স। একজন ফ্রিল্যান্সার এক বা একাধিক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করতে পারেন। আবার কেউ ইচ্ছে করলে চাকরি বা পড়ালেখার পাশাপাশিও কাজ করতে পারেন। আসল কথা হল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে বা চাকরি করার পাশাপাশি নিজের পছন্দ অনুযায়ী সময়ে শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জনের একটি সহজ উপায় হল ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং আপনি একাকি বা কোন গ্রুপ এর সাথে যুক্ত হয়েও করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি যোগ্যতার প্রয়োজন?

আপনি অফলাইনেই কাজ করুন আর অনলাইনেই কাজ করুন না কেন আপনি কাজ না জানলে কিন্তু আপনাকে কেউ কাজ দিবে না। তবে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার একাডেমিক যোগ্যতার কোন প্রয়োজন নেই যা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে কোন বিশেষ কাজে দক্ষতা। সেটা হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, প্রোগ্রামার, ভিডিও এডিটিং এবং এরকম অসংখ্য কাজের মধ্যে যে কোন একটাতে যেটা আপনার ভাল লাগে।

মনে রাখবেন আপনি কোন কাজে দক্ষ না হলে প্রথমে কোনভাবে কাজ পেয়ে গেলেও বেশি দিন টিকে থাকতে পারবেন না। কারণ সেখানে আপনাকে শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের অনেক দেশের মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করেই কাজ পেতে হবে। আর একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে আপনার যে আরেকটি যোগ্যতা লাগবে সেটা হল ইংরেজীতে ভাল দক্ষতা। কারণ আপনার ক্লায়েন্টরা থাকবে বিদেশী তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার্থে এবং ক্লায়েন্ট কি চায় তা বুঝার জন্য ইংরেজীতে ভাল দক্ষতা অপরিহার্য।

পবিত্র ইদুল আযহা উপলক্ষে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর সকল ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্স সমূহে ৫০% ডিসকাউন্টে ভর্তি চলিতেছে। আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

ফ্রিল্যান্সারদের সুবিধাঃ  

১ । একজন ফ্রিল্যান্সার কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা সংস্থার দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আবদ্ধ না হয়েই সময়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত কোন প্রজেক্টভিত্তিক কাজ সফলভাবে সমাধান করতে পারেন।

২ । প্রজেক্টভিত্তিক কাজের মাধ্যমে অল্প সময়ে বেশি প্রজেক্টের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে আয় বৃদ্ধি করতে পারেন।

৩ । একজন ফ্রিল্যান্সার তার যোগ্যতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একইসাথে একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজেকে সফলভাবে জড়িত রাখতে সক্ষম হন।

৪ । নিজের কাজের পরিবেশ এবং সময়কে নিজের পছন্দ মতো নির্ধারণ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

৫ । এককভাবে ফ্রিল্যান্স করার পাশাপাশি যে কেউ দলীয় ভাবেও কাজ করতে পারেন, যার ফলশ্রুতিতে কাজের মান আরও উন্নত হয় এবং গতি বৃদ্ধি পায়।

ফ্রিল্যান্সারের অসুবিধাঃ

১ । কোন কারনে প্রজেক্টের কাজ সম্পূর্ন করতে না পারলে বা ব্যর্থ হলে তার দায়ভার কর্তৃপক্ষ নেবে না সেক্ষেত্র অসম্পূর্ন কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সারকে তার পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হতে হবে এবং প্রোফাইল এ খারাপ রিপোর্ট ও পড়তে পারে।

২ ।ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে ভাল কাজ পেতে হলে অনেক ধৈর্য্য ধারণ করতে হয় ।

৩। কাজের মাঝখানে বড় ধরনের কোন ভুল হলে তার সমাধান কখোনই কর্তৃপক্ষ বা অন্য কেউ দিতে বাধ্য থাকিবে না।

সফলতার জন্য ফ্রিল্যান্সারদের করণীয়ঃ

যেকোন কাজেই সাফল্যের জন্য প্রয়োজন কাজের প্রতি একাগ্রতা ,নিষ্ঠা ,মনোযোগ এবং পরিশ্রম অর্থাৎ সর্বোপরি দক্ষভাবে কাজটি সম্পাদন করা, ফ্রিল্যান্সিংয়েও এর ব্যতিক্রম না।

ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতার জন্য যা বিশেষভাবে লক্ষণীয় সেগুলো হলঃ

১ । ফ্রিল্যান্সাররা স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন , ফলে তাদের কাজের মান এবং আন্তরিকতার ক্ষেত্রে অবশ্যই যথেষ্ট সৎ থাকতে হবে।

২ । ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কাজটি নেবার পূর্বে ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই কাজটি কিভাবে করতে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে এবং জমা দেওয়ার ডেডলাইন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

৩ । প্রথমদিকে তুলনামূলক কম পারিশ্রমিকেই বিড করা উচিৎ এবং কাজের অভিজ্ঞটা বাড়ার পাশাপাশি নিজের পারিশ্রমিক ও বাড়ানো যেতে পারে।

৪ । পরিশ্রম করার মনমানসিকতা এবং ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

৫ । কোন কাজ সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা না থাকলে এবং কাজটি করতে পারব কিনা এ নিয়ে সংশয় থাকলে সেই কাজটি নেয়া উচিৎ না।

সম্মানী / পারিশ্রমিকঃ

সাধারণত চুক্তিভিত্তিতে ফ্রিল্যান্সারদের সম্মানী বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়ে থাকে। একজন ফ্রিল্যান্সার ঘন্টা হিসেবে, দিন হিসেবে , মাস হিসেবে বা সম্পূর্ণ প্রজেক্ট হিসেবে কাজ করে তার ওপর পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। আপনি কতটা দক্ষ এবং কত সময কাজ করতে পারবেন তার উপর পারিশ্রমিক নির্ভর করে।

পবিত্র ইদুল আযহা উপলক্ষে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর সকল ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কোর্স সমূহে ৫০% ডিসকাউন্টে ভর্তি চলিতেছে। আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন।