ভবিষ্যত ওয়েব হোস্টিং

ভবিষ্যতের ওয়েব হোস্টিং কেমন হতে পারে তা নিয়ে অনেকেরই ভাবনা। ওয়েব হোস্টিং মার্কেট দিন দিন বাড়ছে সেই সাথে প্রত্যেকের কম্পিউটারের একটা অংশও হোস্টিং সারভারের অংশে পরিনত হবে এমনটাই ভাবা হচ্ছে। আমি কয়েকটা ভবিষ্যতওয়েব হোস্টিং এর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করছি। নিতান্তই নিজস্ব চিন্তা থেকে। আপনারাও মতামত দিতে পারেন কি হতে পারে ভবিষ্যতের ওয়েব হোস্টিং এ।

১. হার্ডডিস্ক উঠে যাবে/ সব সারভারই SSD ব্যবহার করবে- SSD হার্ডডিস্কের চেয়ে প্রায় ১০গুন বেশি গতিতে চলে। তাছাড়া এটি ভাব্রেশন ও শব্দ তৈরী করে না। এখনই অনেকে SSD সারভার ব্যবহার শুরু করে দিয়েছেন। ভবিষ্যত হয়তো SSD’র।

২. ক্লাউড হোস্টিং- খুব দ্রুত লোড হওয়া এবং ডাউন টাইম না রাখার জন্য ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এখনই গুগল, মাইক্রোসফট, আমাজনসহ অনেকেই তাদের ক্লাউড সার্ভিস শুরু করে দিয়েছেন। মোবাইল ও হার্ডওয়্যার নির্মাতারাও একইভাবে তাদের মোবাইল ব্যবহারকারীদের ক্লাউডের মাধ্যমে ডাটা রাখার ব্যবস্থা করছেন। তাই ভবিষ্যতটা ক্লাউড হোস্টিং এর।

৩. ডকার (Docker) কন্টেইনারঃ দিন দিন ডকার কন্টেইনার ব্যবহার করে এপ্লিকেশন চালানোর হার বাড়ছে। একই অপারেটিং সিস্টেমের কন্টেইনারে চমৎকারভাবে আলাদা আলাদা এপ চালানো যাচ্ছে। অবশ্য এটি হোস্টিং এর এখনকার মার্কেটকে সম্পূর্ণ দখল করতে পারবে না বলেই মনে করি।

৪. এপাচি (Apache) ওয়েব সারভারের জনপ্রিয়তা কমবেঃ ngnix এবং litespeed ওয়েব সারভারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে চলছে। মূলতঃ খুব দ্রুত কাজ করার জন্য এ দুটি প্লাটফর্ম এগিয়ে যাচ্ছে।

৫. কাছাকাছি এলাকায় সারভারের পরিমান বেড়ে যাওয়াঃ এক সময় ওয়েব হোস্টিং এর জন্য বড় বড় ডাটা সেন্টারের উপর নির্ভর করা হতো। কিন্তু দিন দিন চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে ছোট স্কেলের ওয়েব সারভার সার্ভিস প্রদানের প্রতিষ্ঠানও বাড়ছে। আশা করি একসময় বাংলাদেশের সব ওয়েবসাইট এদেশেই হোস্ট করতে পারবো। ঘরোয়া পরিবেশে অনেকেই সারভার রাখার ব্যবস্থাপনা করতে পারবে।