যে প্লাস্টিক দূষনের কথা আপনি ভাবেন নি

জীব বিজ্ঞানী জন ওয়েনস্টিন এবং তার ছাত্ররা ২০১৪ সালে মাইক্রো প্লাস্টিকের খোজে বের হলো। পরিবেশে কি ধরনের ক্ষুত্র প্লাস্টিক কনা আছে তা নিয়ে গবেষণা করাই ছিল এই দলের উদ্দেশ্য।

রাস্তার পাসে, সমুদ্রে এবং বিভিন্ন স্থান থেকে তারা ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের সেম্পল সংগ্রহ করে অদ্ভুত ব্যাপার দেখতে পেল। অর্ধেকের মতোই কালো রংঙের প্লাস্টিক।

ওয়েনস্টিন এবং তার ছাত্ররা ভাবল কালো প্লাস্টিকগুলো মাছ ধরার জালের অংশ হতে পারে। মিলিয়ে দেখলো জালের সাথে মিলে না – এগুলো আসলো গাড়ীর টায়ারের অংশ।

pixabay

২০১৭ সালে The Open University of The Netherlands গবেষণা পত্রে জানান গাড়ীর টায়ারের কারনে সমুদ্রে ১০% প্লাস্টিক দুষণ হচ্ছে সার্বিকভাবে যা ১৭%

হাজার বছর ধরে চাকা পাথর ও কাঠ দিয়ে তৈরী হয়ে আসছিল। ১৮০০ সালের দিকে ইঞ্জিনের গাড়ী বাজারে আসে এবং প্রাকৃতিক রাবারের মাধ্যমে টায়ার বানানো হয়। কিন্তু রাবারের প্রচুর চাহিদা এভাবে মিটানো সম্ভব হয় না। ১৯০৯ সালে জার্মান কেমিস্ট Fritz Hofmann সিনথেটিক রাবার আবিষ্কার করে। ১৯৩১ সালে সিনথেটিক রাবার উৎপাদন শুরু হয়, টায়ারে প্রাকৃতিক ও সিনথেটিক রাবার যা প্লাস্টিক পলিমার উভয়ই ব্যবহৃত হয়।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের সর্বশেষ আবাসস্থল হয়ে ওঠে জলাধার, নদী বা সমুদ্র। আর সামুদ্রিক মাছ ও প্রানীর পেটে চলে যায় মাইক্রোপ্লাস্টিক যা শেষ পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর কারন হয়ে ওঠে। আমেরিকায় টায়ারের কারনে বেশি দূষণ হলেও এশিয়ায় প্লাস্টিক দূষনে এগিয়ে আছে সিনথেটিক কাপড় ।