বিদ্যুৎ আবিস্কারক বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা

নিকোলা টেসলা নামক এই বেক্তিটি হলেন আমাদের বর্তমান সময়ের AC বিদ্যুৎ আবিষ্কারক । তার জন্ম সার্বিয়ান-আমেরিকার ক্রোয়সিয়ার এক গ্রামে ।তারা ৫ ভাই ছিলেন যার মধ্যে তিনি ৪র্থ ছিলেন । নিকোলা ছোট থেকে খুব মেধাবি ও বুদ্ধিমান ছিল ,তিনি পুরবই খুব সহজেই মুখস্থ করে ফেলতেন ।

১৮৬১ সালে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন গণিত,জার্মান ভাসা,ধর্মবিদ নিয়ে পরে এবং ১৮৭০ সালে হাই স্কুলে পড়েন । তখন খুব আশ্চর্য জনক ভাবে ৪ বছর এর পড়া ৩ বছরে শেষ করে ফেলেন । নিকোলা তেসলার এই অসম্ভোব মেধা দেখে স্কুলের সারেরা অনেকবার নিকোলার বাবাকে লেটার পাঠিয়েছিলেন যাতে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয় নয়তো সে খাটতে খাটতে মারাই যাবেন ভেবে । দুঃখজনক ভাবে সে সময়টা ছিল ১ম বিশ্বযুদ্ধ ও কলেরা মহামারির সময় যার থাবায় তিনি ৯ মাস ভুগেও মোরতে মোরতে বেচে যান । তবে সেটা এক হিসাবে নিকোলার উপকারে আসে ; তার বাবা ইচ্ছা ছিল নিকোলার বড় ভাই ঘোড়া থেকে পরে মারা যাওয়ায় তাকে ও তিনি ঘোরার রেসার বানাবে ,কিন্তু নিকোলার তাতে কোন ইচ্ছেই ছিল না তাই সে অসুস্থ থাকাকালিন সময় তার বাবা কথা দিয়ে ছিলেন সে সুস্থ হয়ে উঠলে ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে ভালো ভাবে পরাবেন ।

পরে ১৮৭৫ সালে তেস্লা ভর্তি হলেন অস্টিয়ান পলিটেকনিকে যেটা ছিল তার সপ্ন ।তাতে সে ১ম স্থানের মেধাবী হিসেবে বিবেচিত হন । ২য় বর্ষেই নিকোলা কমটেটেড নিয়ে তর্কবিতর্কে প্রফেসরদের সাথে জরিয়ে যান তিনি । তখন যুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন তিনি যাতে তার সব মূলধন হারিয়ে আবার যুয়া খেলে ফিরিয়ে আনেন ।তবে এর ফলে তার স্কলারসিপ বাতিল হয়ে যায় ,আবার যখন পরীক্ষা সুরু হয় তখন সে দেখা যায় কিছুই পড়েন নাই তাই ফেল করে দ্রপাঊট হয়ে যান । পরে ১৮৮১ সালে হাঙ্গারির এক টেলিগ্রেফ ক্মপানিতে কর্মরত অবস্থায় তার প্রথম আবিস্কার সুরু কেন ,যা ছিল টেলিফনের আমপ্লিফায়ার পারফেক্ট করে তুলেন ,এর পর ১৯৮৪ সালে থমাস আল্বারঢ আডিসনের কম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় DC যেনারেট্রের ডিজান করা যা অনেক প্রিস্রম করে করার পর কম্পানি তার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেন ফলে তিনি নিজের ক্ম্পানি তৈরি করে সেখানে ডায়নামো ইলেক্টিক কমুটেড মেশিং ,এরপর আর যন্তাংস আবিস্কার করেন তিনি তবে তার আবিস্কারে ইনভেস্টাররা আগ্রহ না পাওয়া তার সব পেটেন্ট জাতছারা হয়ে যায় ।

পরে ভেঙ্গে না পরে ২ জন ইনভেস্টারদের নিয়ে লেবে আবিস্কার সুরু করেন সেখানেই আজকের দুনিয়ার এই অমুল্য সম্পদ AC বিদ্যুৎ এর আবিস্কার করেন । ১৮৮৮ সালে এটা আইপুলিতে দেখান তিনি পরে ৬০,০০০৳ ডলারের অফার পান তিনি কিন্তু মার্কেটে গেলে এই আবিস্কার মার খেয়ে যাবে তাই এডিশন গরু ,ভেরা ও শক্তিশালী প্রাণী এনে বৈদ্যুতিক শর্টে মেরে সবাইকে বোঝায় যে এটি কত বিপদজনক এবং এই AC কারেন্ট এর নাম দিলেন Dath karent । পরে সে X-ray নিয়ে কাজ করেন সেটা অনেকটা ভয়ানক ছিল ,যা তার এক ইমপ্লুইর উপর আতটা প্রভাব ফেলেছিল যে তার আক্টা জাত কেটে ফেলে দিতে হয়েছিল তাতেও লাভ হয়নি ক্যান্সারে মারা যায় তিনি । পরে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয় । ইটালির মারকুয়ের রেদিও তার থিওরিতেই আবিস্কার করেন ।

১৯৩৫ সালে রবার্ট ওয়ার্ডসন রাডার তার থিওরি দিয়েই আবিস্কার করেন যা ১৯১৭ সালে তেস্লা US নেবিস প্রধান বিচারক ছিল তিনি আর তখন ১ম বিস্বযুদ্ধ চলায় তিনি তা তৈরি করেন নী । ট্রাঞ্জিস্টর বানানোর ঊপায় দিয়েছিলেন তেস্লা যা দিয়ে আজকের কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে । তিনি অনেক ধংসাত্বক জিনিষ আবিস্কার করেন যার মধ্যে ভুমিকম্প তৈরি করার এক্টি মেশিং তৈরি করেন তিনি যা চালু করার পর নিঊওয়ারকের একটা নেইবারহুক ধংস হয়ে যায় । তিনি ১৯৯০সালেই তারহিন একটি স্প্রিড বোর্ড বানিয়ে চালিয়ে দেখিয়েছিলেন ,তবে তার এত আশ্চর্য আবিস্কারের পরেও তাকে তখন কার মানুষ পাগল সাইন্টেস্ট বলে মনে করতেন । ১৯২৮ সালে তিনি একটা প্লেন ও বানান যেতা ভাটিকাল্লি উদ্দন করতে পারতো এবং এটাই তার লাস্ট পেটেন্ট ছিল । টেসলা একটি মুদ্রিত নিবন্ধে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পরিবেশ সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন । ১৯৪৩ সালের জানুয়ারিতে তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে মারা যান এই মহান বিজ্ঞানী টেসলা।

তবে সর্ব শেষ তার এক্টি ইচ্ছা ছিল পুর দুনিয়াতে ফ্রি ইলেক্টিক এনার্জি দিবে তবে যখন ইনভেস্টাররা যান্তে পারে আটী থেকে তাদের কোন ইনাকাম হবে না তখনি সেটার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় ।