বাংলাদেশ ব্যাংক এর ইতিহাস

বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যংক হচ্ছে “গ্রিন ব্যংকিং নীতি”।২০০৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে ব্যাংকটি ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারী ২০১১ পর্যন্ত, ব্যাংকের মোট কর্মকর্তা ছিল ৮.৪ মিলিয়ন, এবং এর মধ্যে ৯৭%ই মহিলা ।

২০০৩-২০০৭ সালের মধ্যে যেসবের পরিমান বৃদ্বি পেয়েছে তা হলো ২০১১সাল পর্যন্ত ৪.৮ মিলিয়ন হচ্ছে ব্যাংকের মোট ersণগ্রাহীতা ও এর মধ্যে ৯৭৯% হলো মহিলা। ২০০৩ সাল থেকে এর সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে যখন এর সদস্য ৩.১২ মিলিয়ন ছিল।এই ব্যাংকে ১.৩৪৩৪৩ ট্রিলিয়ন বিতরন করেছে এর মধ্যে ১.৩১১৭ট্রিলিয়ন পরিষধ করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালে গ্রামীন এর হার নির্ধারন করার জন্য অ্যাকাউন্টিং অনুশীলনের সমালোচনা করেছেন ডেভিড রডম্যান। বিশ্বব্যাপী গ্রাহীতাদের সংখ্যা১ বিলিয়ন হিসাবে ধরা যায় মোট loan ণের চাহিদা ২৫০ বিলিয়ন ডলার।

১৯৭২ সালে সরকার সিদ্বান্ত নিয়েছে ব্যংকগুলোকে সরকারি খাতের তাহবিল চ্যানেল করার জন্য এবং অন্যান্য কাজের পূনর্গঠন করতে । ব্যংকগুলোতে দরিদ্র গ্রাহক পরিষেবা সরবরাহ করা হয়েছে এবং আর্থিক জিনিসের অভাব ছিল।যা লাভ জনকতা এবংতরলতার মতো ব্যাংক গুলোতে ব্যাংকিং পরিচালকদের কাছে ভিনগ্রহী ছিল। ১৯৮২ সালে প্রথম ব্যাংকিং নীতিমালা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। যেখানে সরকার ব্যাংগুলোকে প্রতিযোগীতা করার অনুমতি দেয়।১৯৮৬ সালে ব্যাংকগুলোর সমস্যা মকাবেলার জন্য একটি কমিশন নিয়গ করেছিল। এত কিছু করার পর ও ব্যাংকের কোনো উন্নতি না হওয়ায় দুইটি কর্মসূচি গঠিত হয় সরকারি বিকৃতি দূর করতে এবং আর্থিক দমন কমিয়ে আনতে চেয়েছিল।

বাংলাদেশ সরকার একটি ব্যাংক সংস্কার কমিটি ( B.R.C) গঠন করে, যার সুপারিশ গুলো অনুপস্থিত ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন যে কোনো দেশের যে সকল কার্য সম্পাদান করে বাংলাদেশের ব্যাংক ও সেগুলো সম্পাদন করে। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমান অন্যান্য দেশের ব্যাংকের মতো ব্যাংকারদেরকে ” শেষ অবলম্বলে” ভাতা প্রদান করে। বাংলাদেশ ব্যাংক অন্যান্য দেশের ব্যাংকের মতো অনেক নতুন নতুন কর্মসূচি চালু করেছে। ব্যাংকের বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে এবং ১০ টি শাখা আছে। এর সাধারন দফতটির মতিঝিলে রয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংকে পুরুষ্কার দেওয়া ২০০০ সাল থেকে শুরু হয়।