রয়েল বেঙ্গল টাইগার

বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম হচ্ছে রেয়ল বেঙ্গল টাইগার। বাংলাদেশের সুন্দরবনে যে সুদর্শন বাঘ দেখা যায় বিশ্বব্যাপী রেয়ল বেঙ্গল টাইগার নামে পরিচিত। কয়েক দশক অাগে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখা পাওয়া যেত।

পঞ্চাশের শতকে বর্তমান মধুপুর এবং গাজীপুর এলাকায় বাঘ দেখা যেত। ১৯৬২ সালে মধুপুর ও ১৯৬৬ সালে গাজীপুর সর্বশেষ বাঘ দেখা গিয়েছিল।বর্তমানে সারা পৃথিবীতে প্রায় ৩০০০ এর মতো বাঘ রয়েছে।২০০৪ সালের আদমসুমারি অনুযায়ী এদেশে প্রায় ৪৫০ টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে। বাঘের গায়ের রং হলুদ ও কমলা এবং ডোরাকাটা ধরনের। সুন্দরবনের বাগগুলোর নির্ভরযোগ্য ওজন পাওয়া যায় নি।

রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ওজন, উচ্চতা ও গায়ের ত্বক একেক স্থানে একেক রকম হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সুন্দরবনেই হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের শেষ আশ্রয়। এই প্রানী দেখতে অনেক সুন্দর এবং এর গায়ের চামড়া অনেক মূল্যবান। এত মূল্যবান হওয়ার কারনে কিছু মানুষের জন্য ও প্রাকৃতিক কারনে এই মূল্যবান পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এর জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন করতে হবে।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার হচ্ছে একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী। ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় পশু হচ্ছে এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার।

বিশ্বের চারটি বিশালাকার প্রানীদের মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। “অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট ” চ্যানেলের অনুযায়ী রয়েল বেঙ্গল টাইগার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রাণী। বাঘেরা জলে থাকতে পছন্দ করে বেশিরভাগ সময়। আবার এরা জলে ও শিকার করে থাকে। বাঘের বাচ্চা সাধারনত মায়ের কাছে রাখে না। শুধু জন্মের কিছু দিন তার মায়ের কাছে থাকে।