ঘুড়ির ইতিহাস

আমাদের বিনদনের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঘুড়ি ওড়ানো।ঘুড়ি ওড়ানো হয় সুতা টেনে আকাশের ওপড়ে। ঘুড়ি বানাতে দরকার হয় পাতলা কাগজ ও কঞ্চি দিয়ে। ঘুড়ি বানানোর পর ঘুড়ির ওপর নকশা তৈরি করে ঘুড়িকে অারো অাকর্ষনীয় করে তোলে। ঘুড়ি ওরানো বিশ্বব্যাপী অনেক মজার খেলা। ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব ও প্রতিযোগীতা হয়ে থাকে বিভিন্ন দেশে। বিশেষ করে বাংলাদেশের পুরান ঢাকায় ঘুড়ি ওড়ানো উৎসব দেখা যায় সাধারনত পৌষ মাসে। সেখানে তখন অনেক অানন্দ উৎসবে মেতে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন উৎসবে ঘুড়ি ওড়াতে দেখা যায়। সর্বপ্রথম ঘুড়ির উৎপত্তি হয়েছে চীন দেশে প্রায় ২,৮০০ বছর অাগে। অাস্তে অাস্তে কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে ঘুড়ি বানানো হতো কাপড় দিয়ে। কাপড়গুলো ছিল সিল্কের কাপড়। ঘুড়ি বানানোর উপকরনগুলো হলো পাতলা কাপর ও কঞ্চি এবং শক্ত সুতা যার সাহায্যে ঘুড়িকে টেনে অাকাশে ওড়ানো হয়। বর্তমান সময়ের ঘুড়িগুলো বেশ বড় ও অাকর্ষনীয় ভাবে বানানো হয়ে থাকে। ২০১১ সালে ঘুড়ি অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীতায় সর্বশেষ ২০ মিনিট একটি যুড়ি অাকাশে উরতে দেখা যায়। সাধারনত ঘুড়ির জন্য পাতলা কাগজ এর প্রয়োজন হয় যা অাকাশে বেসে থাকতে সাহায্য করে। বিভিন্ন দেশেই ঘুড়ি বানানোর জন্য সাদা কাগজ ব্যাবহারের পাশাপাশি রঙ্গিন কাগজ ও ব্যাবহার করা হয়ে থাকে তার কারন হচ্ছে মনোরঞ্জন ও সুন্দরর্য্যবৃদ্বিতে। মূলত ঘুড়ি ওড়ানোর অাসল মজা তখনই পাওয়া যায় যখন একটি ঘুড়ি অন্য একটি ঘুড়ির সাথে কাটাকাটি খেলে হেরে যায় তখন ওই কাটা ঘুড়িটার পিছনে শশুরা দল বেধে দৌড়ায়। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যেমন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এই দেশগুলোতে ঘুড়ি ওড়ানোর অনুষ্ঠান দেখা যায়। অাবার এসব ঘুড়ির নাম ও দেওয়া হয়ে থাকে। বাংলাদেশের ঘুড়িগুলোর নাম হলো : ড্রাগন, বক্র, রাঙ্গামাছ, ইগল ইত্যাদি।