I-Phone এর ইতিহাস

  1. i phone সুচনা ও স্টিব জবসকে নিয়ে এর যাত্রা ১৯৬১-২০০৬

আইফোন হচ্ছে একটি টাচস্ক্রিন-ভিত্তিক স্মার্টফোন যা অ্যাপল ইনক। প্রথম আইফোনটি অ্যাপল সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস ৯ জানুয়ারি,২০০৭ এ ঘোষণা করেছেন। তারপর ১ নভেম্বর,২০১৮ পর্যন্ত,২.২ বিলিয়নেরও বেশি আইফোন বিক্রি হয়েছে।

আইফোন হচ্ছ এমন একটি ফোন যা বাজারে আসলে মানুষ কেনার জন্য নাইনের পর লাইন ধরে দাড়িয়ে থেকে তারপর কেনে আইফোন। মানুষ এই ফোনটি কিনে সখ করে কিংবা আনন্দে। আমরা যে এত রকমের ডিজাইনের আইফোন দেখতে পাই এটি তৈরি করেছেন “স্টিব জবস। আমাদের দেখা যেসব আইফোন, ট্যাব যা যা দেখি সবকিছু এই স্টিব জবস ই তৈরি করেছেন। আর এই ব্যক্তিটির জীবনকাহিনী যে করুন ছিলেন তা এখানে জানব এখন আমরা। তার কাছে না প্রিয় ছিল টাকা না ছিল এর থেকে দামি জিনিসের প্রতি। তাকে তার মা বাবা তাকে অন্য একটি জায়গায় পাঠিয়ে দেয়।

সেখানে সে মাত্র ছয় মাস পড়ার পর পড়াশুনা ছেড়ে চলে আসে। যে ব্যক্তি আজকের এই কম্পিউটারের সাথে তার নামকে জুরে রেখেছে। তিনিই কম্পিউটারকে এক নতুনভাবে নাম দিয়েছেন। স্টিব জবস এর পুরো নাম হলো ” স্টিব পোল জবস”।তার জন্ম হচ্ছে ক্যালোফোমিয়াতে ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে। তার মা একজন অবিবাহিত মহিলা ছিলেন তাই সে স্টিব জবস কে অন্যকারো কাছে পালক দিতে চাইলেন। প্রথমে এমন একজন জুটি তাকে নিতে চাইছিল তারা অনেক ধনী পরিবার ছিল।

কিন্তু তারা অন্য একটি ছেলেকে পালক নিয়ে ফেলেন। স্টিব জবস এর মা চেয়েছিলো যে এমন একটি পরিবার নেক যেন তার সন্তানকে ভালো রাখতে পারে। তারপর একটি পরিবার তকে নিতে চাইল তারা এতটা ধনী নয় কিন্তু তার মার কাছে কথা দেয় তার ছেলের সকল কিছু পুরোন করবে। তারপর ১৯৬১ সালে তার শুরু হলো নতুন পরিবারকে নিয়ে চলা। সে কলেজ এ ভর্তি হয়ে পড়া শুরু করলেন। সাথে সাথে শুরু হলো তার ইলেকট্রনিক নিয়ে কাজ। সে ছোট থেকেই অনেক বুদ্ধিমান ছিলেল তার সাথে একটু দুষ্টামি ও করতেন।ছোটকাল থেকেই তার ইলেকট্রনিকের প্রতি অনেক আগ্রহ ছিলেন। তার কলেজে ফি ছিল অনেক টাকা তার বাবাও এত টাকা দেওয়ার সামথ্য ছিল না আর তার কাছে কলেজে পড়াটাও এত গুরুপ্ত মনে হলো না তাই ছয় মাস পড়ে চলে আসে।

তারপর সে ক্যালিগ্রাফিতে ভর্তি হয় যার কারনে আজকে কম্পিউটার দিয়ে এত কিছু করতে পারি। তার কাছে টাকাও ছিল না এত। কোকাকলার বোতল বিক্রি করে তাতে যা পেত তা দিয়ে দিন চলত। তার একজন বন্ধু ছিল তার মতো ইলেকট্রনিক এর প্রতি অনেক আগ্রহ ছিল।তারা দুই বন্ধু প্রথম কম্পিউটার বানানো শুরু করেন।যার নাম দিয়েছিল অ্যাপল। এটি তৈরি করতে তার কাছে তাকা না থাকায় সে তার কিছু জিনিস বিক্রি করে দেয়। তারপর মাত্র কিছু দিনে অনেক নাম ও ১ লাখ মিলিয়ন ডলারও কামায় দুই জন। কিন্তু অ্যাপল 3 কম্পানি এসে সে অনেক লস খায় য়ার জন্য শুধু দ্বায়ী করা হয় স্টিব জবস।

এতে সে অনেক ভেঙ্গে পড়ে। তারপর সে আর একটি কম্পানি চালু করে যার নাম দেয় Next। কিন্তু অ্যাপল এর জনপ্রিয়তার কাছে সব কিছু হার মানে। কিন্তু সে হার না মেনে এটিকে চালিয়ে যেতে থাকে এবং ১৯৮৬ সালে ১০ মিলিয়ন ডলার আনে। তারপর তিনি আর একটি কম্পানি দেয় যার নাম হলো PXAR। তারপর সে আর পিছে ফিরে দেখল না। অন্যদিকে অ্যাপল কম্পানি নিচে যেতে লাগল। তারপর সে অ্যাপল কম্পানি সে কিনে নিল।আগে ২৫০ টি প্রডাক ছিলো কিন্তু সে শুধু১০টি প্রডাক রাখে। সে মনে করে জিনিস কম হলেও সমস্যা নেই কিন্তু ভালো হলেই হয়। স্টিব জবস ভাবতেন আজখের দিনই সেষ দিন হতে পারে তাই সে কাজ শেষ করে রাখতো।

2. i-phon এর উন্নতি ও বিকাশ ১৯৯১-২০………২০

কিন্তু একসয় ক্যানসার ধরা পরলো তার। তিনি ৫ অক্টোবর ২০১১ সালে মৃত্যুবরন করেন। অ্যাপল কম্পানি হচ্ছে বিশ্বের এক নাম্বার ব্যান্ড। অ্যাপল কম্পানি আজ একটি বিশ্বের সেরা ব্যান্ড।

অ্যাপল কম্পানি হচ্ছে সবচেয়ে দামি প্রডাক। অ্যাপল প্রডাকের মধ্যে পাওয়া যায় অ্যাইফোন, আইপ্যাট ইত্যাদি যা দিয়ে অ্যাপল কম্পানি অনেক ডলার আয় করছে। অ্যাপল যে কত বড় কম্পানি তা না জানলে বিশ্বাসই করতে পাবেনা। প্রথমে স্টিব জবস সহ তিন জন কম্পিউটার তৈরি করলে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। আস্তে আস্তে কম্পিউটারে তারা নতুন নতুন ভাবে আবিষ্কার করে। আরো বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে। ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম অ্যাপল ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে আসে। তার পর একটির পর একটি অ্যাপল ছোট আকারে বের করতে থাকে।

এরপর এক বিশাল সাফল্য নিয়ে আসে বাজারে যে ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন মোবাইল আকারে নিয়ে আসে। তারপর I-Phone ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলে রেকর্ট ভাঙ্গা গড়ার পালা। I-Phone যে কত বড় ওইটা বোঝাতে হলে বলতে হয় যে ২০০৭ সালে আয় করে ২৭.৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এটি ২০১৫ সালে গিয়ে দাড়ায় ২০৭.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এবং২০১৮ অায় করে ২৬৫.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আসলে অ্যাপল কম্পানি হচ্ছে অনেক বড় কম্পানি যা যেকোনো কম্পানির উপরে থাকবে বলে যানা যায়। অ্যাপল কম্পানি অর্থ উপার্জনের দিক দিয়ে অনেক বড়। অ্যাপল এর মতো কোনো কম্পানি বাজারে আয় করতে পারে নি। কেননা অ্যাপেলের প্রতিটা জিনিস যে মূল্যবান তা আর অন্য কোনো কম্পানি দেয় নি।আর এই কারনেই অ্যাপল এর ব্যান্ড এত বড় যা শুনলে আমরা সত্যই অবাক হয়ে যাই।