HTC Phone history/HTC এর ইতিহাস

1.HTC কম্পানির উৎপত্তি ও ব্রেন্ড হওয়ার সময়কাল (১৯৯৭-২০০৯)

HTC কম্পানিটি শুরু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। প্রথমদিকে এই কম্পানিটি কম্পিউটার প্রজেক্টরের মাধ্যেমে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই কম্পানিটি ”তাইওয়াণের নিউ তাইপেই সিটির জিন্দিয়াণ” জেলাতে অবস্থিত। এই এইসটিসির কর্পোরেশন হলো চীনা। এই কম্পানি যেসব জিনিস নিয়ে কাজ করেছে তা হলো কম্পিউটার ও লেপটপ এর ডিজাইন এবং উৎপাদনকরন নিয়ে।প্রথমে তারা উইন্ডোজ মোবাইল এর উপর ভিত্তি করে স্মার্ট ফোন তৈরি করে।HTC অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নের নিবেদিত হ্যান্ডসেট র্নিমাতারা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের সিস্টেমের একটি গুরুপ ওপেন হয়েছে। প্রথম এই কম্পানিটি যে স্মার্টফোন বের করেন তার নাম হলো G1। এর মধ্যে জায়গা ছিল ১৯২ এমবি যা ২০০ এমবিও না আর ১ জিবি তো দূরে থাক। এবং তার ক্যামেরা ছিল ৩.১৫ মেগাপিকজ্যাল। এরপর থেকে একের পর এক স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে এইচটিসি এবং এরপর থেকে জনপ্রিয়তা লাভ করে এই কম্পানি। G1 ফোনটি বাজারে আনার পরে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে ১ মিলিয়ন হয়ে যায়। তারপর ২০০৯ সালে এইচটিসি ম্যাজিক ফোনটি বাজারে নিয়ে আসেন।

2.HTC এর উন্নতি ও অবনতি (২০১০-২০১৭)

এইচটিসি ২০১০ সালে বিশ্বে খুব ভালোভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে। এইচটিসি তখন আস্তে আস্তে পাহারের চূর্ড়ায় ওঠে গেছিল। অন্যদিকে গুগলের প্রথম নিক্সেস ফোন এই এইচটিসিকে দিয়ে বানিয়েছেন। তখন এই ফোনটি অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। তখন গুগলের কাছে এই এইচটিসি কম্পানিটি অনেক গুরুপ্তপূর্ন হয়ে ওঠেন। এছাড়া সর্বপ্রথম 4G ইন্টারনেট নিয়ে আসে এই কম্পানিটি আমেরিকায়। ফোনটির নাম ছিল (hTC EBO 4G)”এইচটিসি ইবো 4G”। কিন্তু এর পর থেকেই শুরু হলো এইচটিসির পতন।

২০১১ সালে প্রথমবারের মতো এইচটিসিকে পার করল স্যামসাং। ২০১১ সালে যেখানে স্যামসাং এর মার্কেট শেয়ার দারালো ১৯% সেখানে এইচটিসির মার্কেট শেয়ার দারালো ৮.৮% মাত্র। ২০১১ সালে 3rd কোয়াটারে যেখানে তাদের উপার্জন ছিল যেখানে ৪.৫৪ বিলিয়ন সেখানে 1st কোয়াটারে হয়েছে ১.৬ বিলিয়ন মাত্র। তখন পুরোপুরি ভাবে কম্পানিটি ভেঙ্গে পড়েছিলেন। তাদের অনেক মামলাও হয়ে গিয়েছিল যার কারনে অনেক টাকা দিতে হয়েছিল অ্যাপল কম্পানিকে।এছাড়াও এই কথা হয়েছিল যে তাদের ফোন বিক্রি হলে তার কিছু অংশ অ্যাপল কম্পানির কাছে চলে যেত। এছাড়াও তারা কিছু টাকা খরচ করে ফেলেছিল। যেমন তারা এসথ্রিব্যাকেজপুল কম্পানি কিনতে ৩০০ মিলিয়ন খরচা করেছিল। গেমসরিমিং সার্ভিস এর পিছনে খরচা করেছিল ২৪ মিলিয়ন।এছাড়াও আরো এই রকম অনেক কম্পানিতে অনেক টাকা খরচ করে ফেলেছিল তারা।

এছাড়া আগে সর্বপ্রথম তারা যে 4G চালু করেছিল সেইটা নিয়ে তাদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। সমস্যাগুলো হয় মূলত সময়ের আগেই 4G চালু করায় যার ফলে ফোনের তারাতারি চার্য শেষ হয়ে যেত।ফোনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। সময়ের আগেই 4G চালু করে তাদের লাভ তো হচ্ছিলই না আরো বড় লোকসান হচ্ছিল। তারপর এইচটিসি ২০১২ সালে আবার তাদের মার্কেট ফিরে পাওয়ার জন্য একটার পর একটা ফোন বাজারে ছাড়তে থাকে তবে এর ফলেও তারা আরো লোকসানে পরতে থাকে; কারন ফোনের নামগুলো এমন এমন নাম ছিল যা লোকের বুঝতেই সমস্যা হয়ে যাচ্ছিল যে কোন ফোন কোন কম্পানির । নামগুলো কিছু আমরা জেনে আসি। একটি ছিল এইচটিসি 4G, এইচটিসি ইবো, এইচটিসি ইবো ডিজাইন 4G ইত্যাদি আরো অনেক ধরনের নাম। ভাবুন একই রকম নাম যার কোনো মানে নেই।

এছাড়াও এরা নতুন নতুন সফটওয়ার ও বের করছিল যাতে মানুষের ভালোর বদলে আরো সমস্যায় পড়ছিল তারা। এইচটিসি তারা গ্রহকে ভালো ফোনতো দিতে পারছিলই না বরং তাদেরকে ক্রমস বিরক্ত করে তুলছিল তারা। অপরদিকে তাদের বিপরীতে ছিল স্যামসাং, অ্যাপলের মতো ফোন।যারা তখন খুব সাফল্যের সাথে মার্কেটে জনপ্রিয়তা লাভ করছিল।তাদের যেমন টাকা ছিল তেমন খরচ ও করছিল তাদের ফোন বিক্রির জন্য ।এমন অবস্থা হয়েছিল যে শুধু চীন, অ্যামেরিকা নয় সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরতে থাকে। কিন্তু তাদের তুলনায় এইচটিসি কোনো কিছুই ছিল না। গোটা পৃথিবী জুরে এইচটিসি ধরতে গেলে সবার মন থেকে মুছেই যাচ্ছে। কিন্তু অন্যদিকে অ্যপল সামসাং পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছল। এটি বাজারে প্রথম স্মার্টফোন নিয়ে এসেছিল।যদিও প্রাথমিকভাবে স্মার্টফোন বিক্রেতার হিসাবে সফল, অ্যাপল ইনক এবং স্যামসুং ইলেক্ট্রনিকের মান ভালো হওয়ায় অন্য প্রডাক্ট এর গ্যাজেট গুলকে পিছনে ফেলে আসে । আর এপ্রিল ২০১৫ এর মধ্যে মাত্র ৭.২% এ পৌছে যায়। তারপর ২০১৬ সালে এইচটিসি viv নামে পরিচিত একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্লাটফর্মে অংশিদার হয়। আর তাদের স্মার্টফোনগুলি প্রায় অর্ধেক বিক্রয় করে।পাশাপাশি স্মার্টফোন সম্পর্কিত বৌদ্বিক সম্পত্তির ও একচেটিয়া অধিকারগুলো২০১৭ সালে $ ১.১ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি কোরে।