Gmail ID জিমেলের আবিস্কারক এর ইতিহাস

পৃথিবীর মধ্যে জিমেইল আবিষ্কারক হচ্ছে সুন্দর পিচাই। তার বর্তমানে সম্পদের পরিমান ৬০০ মিলিয়ন ডলার।কিন্তু এমন এক সময় ছিল সে ৬০ ডলার ও তার কাছে ছিল না একটি ব্যাগ কিনার জন্য। সে ১৭ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো কম্পিউটার চোখে দেখেনি। কিন্তু বর্তমান সে মিলিয়নিয়র ও গুগলের সিইও। তার জন্ম চেন্নাইয়ের মধ্যেবিত্ত পরিবারে। তাদের ছোট ছোট দুইটি ঘর ছিল। কিন্তু তাকে নিচেই ঘুমাতে হতো। এমন অবস্থায় তিনি তাকে ভাগ্যবানই মনে করতেন। তিনি ছোট বেলা থেকেই লেখাপড়ায় অনেক ভালো ছিলেন। তার মেধা ছিলেন অনেক ভালো। সহজেই কোনো কিছু মনে রাখতে পারতো। তার স্বৃতিশক্তি ছিল এতই ভালো যে সে কোনো সময় ফোন নাম্বার মনে রাখতে কোনো ডায়রি ব্যবহার করতেন তা। সে সব নাম্বার মুখস্ত করে রাখতেন। ছোটবেলায় ঘরের ল্যান্ডফোনের যেকোনো নাম্বার মুখস্ত করে তার বাবা মাকে চমকে দিততেন।তিনি কখনো মিলিয়নিয়র হতে চাইতেন না। সে খেলাধুং করতে অনেক পছন্দ করতেন। তিনি সবসময় দলের অধিনায়ক হতেন। এবং সবসময় তিনি বড় মাপের একজন ট্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি ১৭ বছর বয়সে ভারতের অন্যতম আইআইটি খড়গপুর ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হয়।তারপর ব্যচেলরের পাট চুকিয়ে তিনি স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রনি এ মার্স্টাস কম্পলিট করে।এর জন্য তাকে আমেরিকা যেতে হয়। কিন্তু তাদের এত সামর্থ ছিল না। সে বৃত্তি পাওয়ায় কিছুটা সহজ হয়ে যায়। এর পর ২০০২ সালে তিনি পেনিসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোয়ারটন স্কুল থেকে এমবিএ করেন তিনি।তার যখন ৩২ বছর বয়স তখন তিনি গুগলে একটি ইন্টারবিউ দেন। কিন্তু তখন তিনি জিমেইল কি সেটাও জানতেন না। তিনি ভাবলেন এই বিষয়টি নিয়ে ইন্টারবিউ এর লোকেরা হাসাহাসি করবেন। তিনি যেদিন ইন্টারবিউ দিতে যায় তখন ছিল পহেলা এপ্রিল। এর কিছুদিন আগেই গুগল ভিমেইল প্রকাশ করে। প্রথম তিনজন ইন্টারবিউয়ারকে আমি এর উওর দিতে পারি নি। এরপর চতুর্থ ইন্টারবিউয়ার তাকে জিঙ্গাস করলেন জিমেইল কি জানেন। আমি বলাম না জানি না। তারপর সে আমাকে এটি দেখালেন। তারপট পঞ্চম ইন্টারবিউয়ার আমাকে বলেল এখন বলতে জিমইল সম্পকে। তারপর আমি শুরু করলেন বলা। তিনি জিমেইল সম্পর্কে সবকিছু বলে। তিনি এও বলে জিমেলকে ব্যবহার এর পদ্বতি ও পরিকল্পনা। তার এসব কিছু শুনে ইন্টারবিউরা তাকে সর্মথন করে। অবশেষে চাকরিটা তিনি পেয়েই যায়।তারপর তিনি এই ধরনের ইলেকট্রিক কাজে অবদান রাখে। যেমন তিনি জিমেইল, ক্রোম,, এন্ড্রয়েট এইসবকে পরিবর্তন করে। ধীরে ধীরে তার মেধা সিনিয়রদের চোখে পড়ে। এবং আস্তে আস্তে আরো খ্যাতি লাভ করতে থাকে। মাইক্রোসফ তাকে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এখন গুগলের কো- ফাউন্ডার ল্যারি পেজ তাকে অনেক স্নেহ করতেন। আর অবশেষে তার এখন তার নিচে ঘুমাতে হয় না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যেমে মানুষ র্শীষের চূর্ড়ায় ওঠটতে পারে যার বাস্তব প্রমান তিনি নিজেই। তাই অবহেলায় সময় নষ্ট না করে শ্রমের মাধ্যেমে কাজে লাগিয়ে জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারবে।