ভারতীয় চলচিত্র শিল্পি মিঠুন চক্রবর্তির জীবনী

মিঠুন চক্রবর্তীর জন্ম ১৬ ই জুন ১৯৫০ সালে। তিনি জন্ম গ্রহন করে বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বাঘেরগঞ্জে বাঙালি হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহন করে তিনি। হরিএন্টাল সেমিনারিতে পড়ালেখা শুরু করে তিনি। এরপর কলকাতার স্কটিস চার্স কলেজে রসায়নে স্নাতক ড্রিগি লাভ করে তিনি। ১৯৭০ সালে নকশাল আন্দলনে পুলিশের দৌড়ানি খেয়ে পালাতো ছেলেটা। তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার পরিবারে আর্থিক সংর্কট দেখা দেয় তার পরিবারে। এই অবস্থাতে তার পরিবারকে ছেড়ে চলে যেতে হয় তাকে মুম্বাই শহরে। তার গায়ের রং কালো হওয়ায় কোনো পরিচালকেই কাজ দিতে চাইতো না তাকে। আর এই শুন্য থেকে শুরু করা কালো ছেলেটি হচ্ছে আজ বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা।তো আমরা জেনে আসি এই ছেলেটির জীবন কাহিনী। সে প্রথমে মুম্বাই শহরে পা রেখেছিলেন একটি চাকরির খোজে। কিন্তু হঠাৎ সে সুযোগ পেয়ে গেল একটা সিনেমাতে অভিনয় করার। তিনি ১৯৯০ সালে অগ্নি পথ চলচিএের জন্য সেরা পুরুষকার লাভ করে ১৯৯২ সালে ডিসকো ডেনসার সিনেমায় তার জীবনকে পুরো বদলেদেয়। ১৯৯৫ সালে জল্লাদ চলচিএের জন্য সেরা পুরোস্কার লাভ করে। ১৯৯৬ সালে সিনেমাটি শুরু হয়। সিনেমাটির নাম হচ্ছে মৃগয়া। তার প্রথম সিনেমসতেই এনে দিল জাতীয় পুরুষ্কার। কিন্তু ভাগ্যর এমন পরিহাস যে তার গায়ের রং কালো হওয়ায় তাকে আর কোনো বলিউডে সুযোগ দেওয়া হলো না। এরপর সে ঘুরতে থাকে এক এক স্টুডিওতে।রাতে ঘুমানোর জন্য কোনো সাদে বা জলের টাংকির উপরে ঘুমাতেন যাতে দারোয়ান তাকে বের না করে দয়।

সেখানে এক সাংবাদিক তাকে দেখে। সে একবার জাতিয় পুরুষ্কার পেয়েছেন বলে তার কাছ যায় সাংবাদিক। সাংবাদিক তাকে ইন্টারবিউ নিতে চাইলে সে বলে তাকে যদি পেট ভরে খাওয়ায় তাহলেই সে বলবেন তার সর্ম্পকে। তার প্রথম দিনগুলো এমনই ছিল।

সে মনে করতেন আমার গায়ের রং কালো তাই যেহেতু আমাকে নেয় না তাহলে আমি নাচে নাম করবো যেনো সবাই আমার গায়ের রং নয় নাচ দেখে। এই তীর্ব চেষ্টা তাকে আজ সেরা অভিনেতায় পরিনত করেছন। এক বছরে ১৯ টি সিনেমা করা অভিনেতা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলো তিনি।তিনি বলিউট টলিউট সহ সকল ছবির খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। তিনি পেলেন তিন তিন বার ন্যাশনাল অ্যাওয়াড। বর্তমানে পরশ টিভির প্রধান উপদ্রষ্টা হিসেবে কাজ করে। এই পর্যন্ত ৩০০ টির ও অধিক ছবি করে তিনি।