Youtube কম্পানির ইতিহাস

ইউটিউব হচ্ছে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় ভিডিও সেয়ারিং সাইট। গুগলের পরে ইউটিউবকেই বিশ্বে দ্বিতীয় সার্চ ইন্জিন হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।পেপাল নামক একটি কম্পানির তিনজন কর্মচারী এই ইউটিউবের আবিষ্কার করেন। তারা তিন জানই অনেক ভালো বেতনপেত। বাকি জীবন আরামে কাটিয়ে দেওয়া যেত কিন্তু তাদের মনের মধ্যে ছিল যে তারা কিছুনা কিছু একটা করার। কিন্তু কি করবে সেটাই ভেবে পাচ্ছিল না।

একসময় একটি কম্পানি পেইপাল কম্পানিকে কিনে নেয়।যার ফলে তাদের দুইজনকে একসাথে চাকরি হারাতে হয়েছিল।তারা তিনজন ভাবলেন এখনি সময় কিছু করার।তারা তিনজন বসল এটি নিয়ে এবং তারা বের করল ভিডিও সেয়ারিং সাইট নিয়ে কাজ করলে কেমন হয়। তখন কোনো ভালো ভিডিয় সেয়ারিং সাইট ছিল না। আর এটি নিয়ে শুরু হয় তাদের যাত্রা। তাদের তিন জনের নাম হলো চ্যাড হ্যালি, স্টিফ চেইন এবং জাওয়েদ করিম। তারা ইউটিউবের প্রতিষ্ঠান করে ২০০৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে।

এই প্রতিষ্ঠানটি যখন শুরু হয় এর সদর দপ্তর ছিল ক্যালিফোনিয়ার একটি জাপানি রেস্টুরেন্টের উপরে।কিন্তু বর্তমানে এর সদর দপ্তর হচ্ছে সার্ন ব্রোনো, ক্যালিফনিয়াতে। এই ইউটিউব সেয়ারিং ভিডিও করার প্যাল কার মাথায় আগে আসে এই কথাটি নিয়ে একটু মতবাদ আছে তাদের মধ্যে।এরপর তারা হট অর নট নামক একটি ওয়েবসাইট থেকে এই সবচেয়ে বড় ভিডিও সেয়ারিং সাইট আবিষ্কার করেন।

তারা এই ওয়েবসাইট থেকে ইউটিউব ডট কম নামে ডোমেন রেজিস্টার করেন।ইউটিউবের প্রথম ভিডিও সেয়ারিং টি হলো জাবেদ করিমের মি এট দ্যি জু নামের একটি বিভিও ক্লিপ।যেটি আমরা এখনো ইউটিউবে পাবো। ২০০৫ সালের ১৫ই ডিসেম্বর ইউটিউব আন্তরজাতিকভাবে বাজারে লনস করা হয়।এরপর ২০০৬ সালের অক্টবর মাসে গুগল ইউটিউবকে অধিগ্রহন করতে প্রস্তাব দেয়। এবং ১৩ই নবেম্বর গুগলক ইউটিইবকে অধিগ্রহন করে নেয়।

কিন্তু তারা সর্ত দেয় ইউটিউবের কর্মচারীদেরকে গুগলের চাকরি প্রদান করতে হবে।এবং গুগল সেটি মেনে নেয় এবং ৭০ জন কর্মচারীকে গুগলের চাকরি প্রদান করে। এরপর ২০০৭ সালের মে মাসে ইউটিউবের পাটনার প্রোগ্রাম শুরু করা হয়।যেটি গুগল এডসেন্স এর উপর নির্ভর করে।এইখানে ইউটিউবারকে এডসেন্স এর মাধ্যেমে প্রেমেন্ট করা হয়।যার মধ্যে ৫৫% পায় ইউটিউবার আর বাকি ৪৫% ইউটিউব নিজের কাছে রাখে।২০১০ সালে ইউটিউবে সর্বপ্রথম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়াম সাতটি ম্যাচ সরাসরি দেখানো হয়েছিল।

এরপর ২০১০ সালের মার্চ মাসে ইউটিউবার পরিকল্পনা করে তাদের ইন্টারফেস কমিয়ে ভিউয়ার ভাড়ানোর কথা।২০১০ সালে ইউটিউবে ভিউয়ারের সংখ্যা ছিল ২ বিলিয়ন।এরপর ২০১১ সালে এটি বেড়ে দাড়ায় ৪ বিলিয়ন। এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালে ইউটিবে বিউয়ারের সংখ্যা দাড়ায় এক ঘন্টায় ১ বিলিয়ন।