মাইজভান্ডারি রাদিয়াল্লাহু আনহুর জীবনী

বাবা মাইজভান্ডারি (রঃ) হচ্ছেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের দ্বিতীয় মহান অলি।তিনি ১২৭০ সালের ১০ ই অক্টবর জন্মগগ্রহন করে। সোমবার ভোর বেলা ফটিকছরি জেলার অন্তরগত মাইজভান্ডার গ্রামে জন্মগ্রহন করে।তার পিতারনাম সৈয়দ আবদুল করিম সাহেব।এবং তার মাতার নাম সৈয়দা মোশারফজান বেগম সাহেবা। তিনি হযরত গাউসুল আযম শাহ্ সুফী সৈয়দ আহমদ উল্লা মাইজভান্ডার এর আপন পূত্র।তার জন্ম হওয়ার পর তার শৈশব অবস্থায় তাকে দেখে তার আত্নীয়স্বজন এবং পাড়াপ্রতিবেশিগন আনন্দে পুলকিত হয়ে ওঠে বলেছিল এ শিশু মানবজাতি নয়।

এ যেন সম্মানিত একটি ফেরেস্তা। তিনি একজন উচ্চ মর্যাদার অলি হবেন।হযরত বাবা ভান্ডারির শিক্ষা জীবন শুরু হয় তার বাড়ির আঙ্গিনায়। সেই সময় ছিল বিদ্যমান ফোরকানিয়া একটি মাদ্রাসা। ফোরকসনিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষক ছিলেন একজন আলেম একজন ধর্মপরায়ন লোক।সেই শিক্ষক তর বাবা কে দেখে একদিন বলেন আপনার সন্তানকে পাঠ আরাম্ভ করে দিন। তিনি আরো বলেন সে একটি মাটির মানুষ হবে এবং তার ছোয়ায় মাটির মানুষ সোনার মানুষে পরিনত হবে।একথা শুনে তিনি তার সন্তান কে সৈয়দ সফী আহমেদ উল্লাহ মাইজভান্ডারির সমিপে নিয়ে যায়। হযরত আকদাস বাবা ভান্ডারিকে শিক্ষার্থীর বেশে দেখে মৃদু হাসলেন এবং বলেন তুমি কালামুল্লা পড়বে।তারপর তিনি বাবা ভান্ডারিকে পড়তে দিল।এরপর তিনি কিছু তেলাওয়াত পাঠ করে এবং বাবা ভান্ডঅরির জন্য দোয়া করলেন। হযরত আকদাস এর অনুমতি পেয়ে বাবা ভান্ডারি ভর্তি হয়ে যায়। তিনি লেখা পড়া শুরু করে। তখন সে হযরত আকদাস এর মনের মতো হতে চাইতেন সবসময় এবং অবসর সময়ে তিনি ধ্যান মগ্ন থাকতেন। এবং সে গরু চড়াতে ভালোবাসতেন গুরু তার সব কথা শুতেন।ছোটবেলা থেকে তিনি নামাজ ও করান তেলাওশাত নিয়ে মসগুল থাকতেন।তিনি প্রতি নিয়ত তাহযুতণমাজ আদায় করতেন।মোহছেনীয়অ মাদ্রাসায পড়ার জন্য তিনি লজিং এ থাকতেন।তিনি প্রায় ইমামতি করেছেন বলে যানা যায়।হযরত বাবা ভান্ডারি তিনি সংসারের প্রতি কোনো মনযোগ দিত না বলে তার বাবা কমর চাঁদ (রঃ) এর বংশধর হযরত আশরাাপ আলী আল হাসনি সাহেবের পথম কন্য মোসাম্মদ জেবুননেছা বেগমের এর সাথে বিবাহ বন্দনঁ আবন্ধ করেন।তার পরিক্ষার সময় সে হযরত আকদাস এী সাথে দেখা করে পরিক্ষা দিতে চায় কিন্তু সে না থাকায় বাবা মান্ডারি বসে থাকে তার জন্য। সে তার গুরুকে বিষন সম্মান করতেন। সে অনেক পরিক্ষা দিয়েছে এই খানিক জীবনের মধ্যে। তাই তিনি স্কুলে পরিক্ষা তেমন ভালো ভাবে দিতে চাইতেন না। সে সমসময় গুরু বক্ত ছিলেন।সে ফাইনাল পরিক্ষা না দিয়ে আত্নিক স্বাধনা শুরু করেণ। তিনি সমসময় আকদাসের খেদমতে হাজির হতে লাগলেন। অবসর সময়ে তিনি কোরআন তেলাওয়াত করতেন। তিনি এক বসায় মাঝে মাঝে কোরআন খতম দিতেন।

তিনি বেশি সময় নিদ্রাযাপন করতেন না। তিনি বেশির সময়ই কাটাতেন দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে।তার জীবনদশায় এই করুন অবস্তা দেখে তার পিতা মাতা আকদাছের কাছে প্রথনা করেন। তখন তিনি বলেন সে ইউসুফ (আ) হতে চায় আর তোমরা তাকে মাওলানা বাবাতে চাও। তারপর তার মা বাবা চলে গেলেন। তিনি হযরত আকদাছ কে অনেক ভক্ত করতেন। তিনি তার জন্য কঠিন সাধনা করতেন।তিনি সাতদিনে একবার আহান করতেন। তিনি একা একা ধ্যান সাধনা করতেন। মাঝে মাঝে তিনি অগ্যান অবস্তায় হযরত আকদাছের চরন জরিয়ে ধরতেন।তাকে জোড় করে নিয়ে যেত আকদাছের কাছ থেকে তারপর সে আবার গ্যান ফিরে আসলে আমার আকদাছের চড়ন জড়িয়ে ধরতেন। এরপর তিনি টানা ৩ বছর অসাধ্য সাধনার পর সকলের দোয়া তার গুরু এর দোয়ায় তিনি নতুন নব জীবন লাভ করে।এবং মহান জগৎ এর সম্রাট হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেন।

তিমি আটাস বছর বয়সে কঠর ও সাধনার পর নফছ আস্মায় সকল কু – প্রবৃতি দমনে মনবল তৈরি করতেন।তিনি আকাশে পাহারে মরুভূমিতে উরে যেতে পারতেন এবং সেই সময় কে কাজে লাগিয়ে ধ্যানে মগ্গ থাকেন। বাবা ভান্ডারির দৈহিক ভাবে অনেক সুন্দর ছিলেন।হযরত ইউসুফ (আঃ) এর রূপ লাবন্য তার মধ্যে বিদ্যমন।তিনি ছোটবেলা থেকেই সংযত অবস্তায় ছিলেন।তিনি ছিলেন সায়ামুদ্দাহার। তিনি সারা বছর রোজা রাখতেন। তার কন্ঠ ছিল সু-মধুর। অবশেষে তিনি ১৯৩৭ সালে ৫ ই এপ্রিল সকল মানুষকে শোক সাগরে বাসিয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়।