মাদ্রাসা তেরেসার ইতিহাস ও জীবনী

১। মাদ্রাসা তেরেসার জন্ম ও শৈশব কাল

মাদার তেরেসা জাহান্নামে যাবে আর গুনাহগার মুসলিম জান্নাতে কিভাবে যাবে  নাস্তিকদের এই প্রশ্নের উত্তর - YouTube
ভিডিও ঃ https://www.google.com/url?sa=i&url=https%3A%2F%2Fwww.youtube.com%2Fwatch%3Fv%3DbdSXy4fgN7M&psig=AOvVaw0tQvXIjS8EurRO-UuBprNI&ust=1605679993337000&source=images&cd=vfe&ved=0CA8Qhq8BahcKEwjg__Om9ojtAhUAAAAAHQAAAAAQAw

মাদার তেরেসা জন্মগ্রহন করে ১৯১০ সালে ২৬ শে আগস্ট। নিউগোস লাপিয়ার কোপিয়েতে জন্ম গ্রহন করে।তার পিতা মাতা ছিল আল বেনিয়।মাদার তেরেসার পুরো নাম ছিল এডনিস গোনোসা বোজাসিও।শৈশবে তিনি তার মায়ের কাছে ধর্ম শিক্ষা দিয়েছেন।শৈশব কালেই তার ত্রানের গভীরে ধ্বনিত হতে থাকে জিসু খ্রীষ্টের বানী। তাই অসুস্থ আত্নীয়র জন্য ডাক্তার ডাকতে ছুটেছিলেন নিউগোসলিয়ার দূরর্গম পাহাড় দিয়ে প্রগম ঝড় বৃষ্টির মধ্য দিয়ে। ছোটবেলা থেকে ধর্ম জার্জিকা হওয়ার ইচ্ছা করেন।কলকাতায় সফররত চিটিপত্র পরে তিনি উৎসাহিত হয়।

Bengali Essays: July 2020

যোগাযোগ যটে অ্যায়ারল্যান্ডের লোরেটো সন্যাসিদের জন্য। স্থির করেন কলকাতাকেই বেছে নেবে কর্মকেন্দ্র হিসেবে। তারপর অ্যায়ারল্যান্ড হতে কলকাতায় পৌছায় মাত্র আঠারো বছর বয়সে।কলকাতায়অ্যান্টেলি অঞ্চলে সেন্টমেরি স্কুলেভূগল শিক্ষিকা হিসেবপে যোগদান করেন। এবং সেখানে পরে অধ্যক্ষা হিসাবে পরে আরো সতেরো বছর কাজ করেন।এর মাঝে কিছুদিনের জন্য পাট্যায় গিয়েছিলেন মেডিকেলে ট্যানিং করার জন্য। কিন্তু স্কুলের কাজ মাদার তেরেসাকে পুরোপুরি আত্বতৃপ্ত দিতে পারছিল না।দূস্ত এবং অসহায় সমবলহীন মানুষদের সেবা করে তিনি তাদের মাঝে খুজেছিলেন আত্মতৃপ্তি এবং বৃহত্ত সেবামূলক কাজ।

২। মাদ্রাসা তেরেসার শ্রেষ্টত্ব প্রকাশ

মঘাদিয়া ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ী - Posts | Facebook

১৯৪৬ সালে তার ইস্বরের আর্দেশ অনুযারী ভাবে এখন তাকে সরাসরি দারাতে হবে অসহায় সম্বলহীন মানুষদের পাশে।এখন তিনি বস্তিতে ব্সতিতে গিয়ে অসহায় মানুষদের কাছে গিয়ে সাহায্য করার জন্য তিনি অনুমতি চাইলেন।একজন স্কুল শিক্ষিকা হিসেবে সে কাজ করেন।তিনি এরপর কলকাতা মতিঝিল এর সাথে বস্তিতে অসহায় মানুষের প্রতি সাহায্য করতে শুরু করলেন।সেখানে কোনো ঘর ছিল না। ফাকা মাঠের মধ্যে দুই -এক জন ছাত্রকে নিয়ে স্কুল শুরু করেন। লেখার জন্য কিছু না থাকায় মাটির উপর লেখে পড়াতেন। এরপর মানুষের চোখে পড়ল এবং ব্যান্স, চেবিল চেয়ার এবং শিক্ষক ও এগিয়ে আসলেন।আস্তে আস্তে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ও বেড়ে যেতে থাকে।

মহীয়সী নারী মাদার তেরেসা" মাদারতেরেসা... - বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র  যুব ফাউন্ডেশন,সিলেট। | Facebook
মহীয়সী নারী মাদার তেরেসা" মাদারতেরেসা... - বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র  যুব ফাউন্ডেশন,সিলেট। | Facebook

দেখতে দেখতে স্কুল চালু হয়ে গেলো পুরো দমে।১৯৪৮ এর এপ্রিল মাসে তিনি পোপের থেকে অনুমতি পেলেন এবং সে গ্রাওন ফেলে নীল পায়ার শারি পরলেন। ১৪ নম্বর ক্রিকলেনের ছোট্ট ঘর থেকে যাত্রা শুরু করেন।এরপর ১৯৪৯ সালে তার প্রথম সাথি হলেন সুভাষিনী দাস।যিনি অজকের সিস্টার এডনেস।এরপর ১৯৫০ সালে প্রতিষ্টান হলো মিশনারি অব চ্যারিটির। এই ভোবনটি ওঠে এলো লোয়ার সারকুলার রোডে।বর্তমান যেটি আচার্য জর্গদিস চন্দ্র রোড।এখন সেই বাড়িটি মাদার হাউজ হিসেবে পরিচিত।সেখানে প্রথমে পাঁচ টাকা এবং দশ জন সহযোগিকে নিয়ে তার যাত্রা শুরু।এরপর শুধুই পথ চলা।এরপর তিনি জায়গায় জায়গায় মানুষকে নিয়ে সহপিটালে ভর্তি করে সেবা করেন।এছাড়া তিনি মূমূর্ষ রোগী শিশুকে কোলে তুলে নিতেন।পরিত্যাক্ত শুশুদের আশ্রয়দান করতেন।তার মাদার হাউজের সাথেই আছে আসরয় কেন্দ্র।দেখতে দেখতে আসানসর, টিটাগড়, দিল্লিতে কুষ্টরোগীদের চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি করেন।আরো সেবা কেন্দ্র গড়ে ওঠেছেনে মুম্বাই, রাচি, কাসি,ইংল্যান্ড অ্যামেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, আফ্ররিকা, জাপান, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে।বর্তমান প্রায় একশটি দেশে পাচশটির ও বেশি পরিবারকে খাবার দেওয়া হয়। বস্তিতেবিশ হাজারের ও বেশি শিশুকে একশ পচিশটির ও অধিক স্কুলে পড়ানো হয়।প্রতিদিন প্রায় এক লক্ষ কুষ্টরোগী সেবা পেত। ছয়টি এডস নিয়ন্ত্রনের জন্য রোগীর সংখ্যা সাতশ এর কাছাকাছি।মাদার তেরিসা বলেন যদি চাদে গরিব মানুষ থাকে আমি সেখানেও যাবো।সেখানের মার্কিং প্রসিডেন্ট দেখে অনেক খুশি হয়েছেন। অসহায় এবং নিরাস্রয়দের তিনি গভীর ভালোবাসাতেন।সকল ধরনের দূযোগের সময় তিনি ছুটে গিয়েছেন।তিনি সেবা করেছেন জাতি ধর্ম বর্ন সকল মানুষকে।

Feast of St. Teresa of Calcutta | Thomas Aquinas College

কলকাতায় যত বিখ্যাত মানুষ এসেছেন মাদার তেরেসাকে একবার হলেও দেখে গিয়েছেন।১৯৭২ সালে তিনি সোবিয়েদ ল্যান্ড পুরুষ্কার পান।তিনি ১৯৭৯ সালে নোবেল পুরুষ্কার পায়।এবং এর পরের বছর ভারত রত্ন।১৯৮৩ সালে অ্যামেরিকার সর্বচ্চসম্মান অডার অব ম্যারেড পয়েছিলেন।এছাড়া নানা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি সম্মাননা লাভ করে।পুরুষ্কারের সকল অর্থ ব্যায় করেছেন গরিবদের জন্য।হৃদ রোগে আক্রান্ত হয় তিনি।আস্তে আস্তে শরীর খারাপ জতে থাকে তার। অবশেষে ১৯৯৭ এর ৭ই সেপ্টেম্বর কলকাতার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে তিনি।

স্মরণে মাদার তেরেসা

Leave a Comment