সড়ক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর জীবনী

তলে তলে প্রস্তুতি নিচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা : ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের ১৯৫০ সালের পহেলা জানুয়ারি নোয়াখালি জেলার কম্পানিগঞ্জ থানার বড় রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করে।তার বাবার নাম হচ্ছে মোশারফ হোসেন। তিনি তার সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়ে জনগনের সেবার সার্থে একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকতায় যোগদান করে।ওবায়দুল কাদের বসুরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১ম বিভাগ এসএসসি পাশ করেন। এবং নোয়াখালি সরকারি কলেজ থেকে মেধা তালিকায় স্থান নিয়ে এইচএসসি পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিঙ্গানে স্নাতক ড্রিগ্রি লাভ করে।

মাননীয়-মন্ত্রীর-জীবন-বৃত্তান্ত

তিনি তার কলেজ জীবন থেকে রাজনীতিতে যোগদান করেন।। ১৯৬৬ সালে ৬দফা আন্দলন এবং ১৯৬৯ সালে গনঅভুস্থান এর সময় ওযায়দুল কদের গুরুপ্তপূর্ন ভূমিকা পালন করে।১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্বের সময় তিনি মুক্তিযুদ্বে অংশগ্রহন করেন। এবং মুজইব বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন।তিনি রাজনৈতিক ভিবিন্ন কারনে অনেক বার কারাগার বরন করতে হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি র্দীঘ আড়াই বছর কারাগায় থাকতে হয়। কারাগারের থাকার অবস্থায় তিনি ছাত্রসভার সভাপতি নির্বাচিত হয়। এছাড়াও পরপর দুইবার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি।রাজনীতি দলে থাকার সাথে সাথে তিনি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির কাজ ও করতেন। এছাড়াও তিনি দৈনিক বাংলায় বানী প্রত্রিকার সহকারি সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।এবং রচনা করেছেন আটটি গ্রন্থ।গ্রন্থগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ রেবিলেশন বিদ্রহি যা ১৯৭৬ সালে কলকাতা মনিশা পাবলিশার থেকে প্রকাশ হয়েছে।এছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশের হৃদয় হতে পালিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু এই বিজয়ের মুকুট কোথায়, তিন সমুদ্রর দেশে, মেঘে মেঘে, অনেক বেলা।

রিজিয়া স্বামীর সংসার করে, বাবার সঙ্গে সম্পর্ক নেই: ওবায়দুল কাদের

এবং রচনা সামগ্র কারাগারে লেখা অনুস্বৃতি, যে কথা বলা হয় নি, নির্বাচিত কলাম এবং গাঙ্গ চিল।ওবায়দুল কাদের ১৯৯৬ এর বাংলাদেশের মননিত প্রার্থি হিসেবে নোয়াখালি পাচঁ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এবং ২৩ জুন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহন করেন।এবং তিনি এ কয়েক দিনে যুবক্রিয়া এবং সংস্কৃতি হিসাবে বিষেয়র দায়ীত্বপ্রাপ্ত হন।তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রির দ্বায়ীত্ব সততার সাথে পালন করেন।২০০২ সালের তৃ-বার্ষিক সম্মেলন থেকে ২০০৯ এর সম্মেলন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্রথম যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে দ্বায়ীত্ব প্রাপ্ত ছিলেন। এবং এক – এগারো পরর্বতী তত্বাবোধায়ক সরকারের আমলে তিনি গ্রফতার হয়।

www.dailyjagaran.com/media/imgAll/2018December/...

এবং সেখানে ১৭ মাস ২৬ দিন কারা বরন করেন।পরর্বতীতে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি হন।কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি একটি বই লেখেন। তিনি এরপর আবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।এবং তথ্যমন্ত্রনালয় সক্রান্ত কমিটির সভাপতিত হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়।এবং তিনি সর্বশেষ ২০১৬ সালে তিনি ২৩ অক্টবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি ২০১৬-২০১৯সাল মেয়াদে দলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

Leave a Comment