কিডনি সুস্থ রাখার উপায়

কিডনি সুস্থ রাখার উপায় - DesheBideshe

আজকে আমরা এখানে আলোচনা করবো কিডনি কিভাবে আমরা সুস্থ রাখবো অথ্যৎ কিডনি সুস্থ রাখার উপায়। আমাদের প্রথমত যা করতে হবে তা হলো আমাদের লাইফ স্টাইল এর পরিবর্তন করতে হবে।আমাদের ব্যয়াম করতে হবে এবং সাথে সাথে হাটাহাটি করতে হবে। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে আমাদের হাটতে হবে। যদি ৫ দিন হাটতে পারি তাহলে শুধু আমাদের কিডনি নয় সকল অঙ্গপ্রতঙ্গ সচল থাকবে।এছাড়াও আপনার সাস্থকে ঠিক রাখতে হবে। বেশি ওজনের কারনে আমাদের কিডনি কিছুটা হলেও কিডনি ক্ষতি হতে পারে।

কিডনি সুস্থ রাখতে করণীয়

অতিরিক্ত ওজনের কারনে উচ্চরক্তচাপ হতে পারে যার ফলে কিডনি ক্ষতি হতে পারে।তাই আমাদের ওজনকে নিয়ন্ত্রন করতে হবে।এরপর যা নিয়ে আলোচনা করবো তা হলো খাদ্যবাসের পরিবর্তন। কেননা আমরা দেখি বর্তমানে চারদিকে বেজাল খাবারের রয়েছে যা খাওয়ার মাধ্যেমে আমাদের কিডনি ক্ষতি হতে পারে। লবন যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। আমাদের সবসময় পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়া উচিত। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে পানি খাওয়ার পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে কিডনিতে পাথর হয় না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে। আমরা জানি আর একটি বড় কারন হলো দুমপান করে যারা তাদেরকে এটি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

কিডনিকে ভালো রাখার কিছু সহজ উপায় - ভোরের শিশির

কেননা দুমপানের মাধ্যমে শুধু ব্যাট ক্যানসারই না কিডনি ক্যানসার হতে পারে।এতে আমাদের সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। লাইফস্টাইল এর পরে যে সমস্যাটি দেখা যায় উচ্চ রক্তচাপ।অনেকেই ডায়বেটিস রোগি উচ্চ রক্তচাপের কারনে দীঘ কিডনি রোগের জন্য আসে।এরপর আমরা যেই কথাটি বলবো সেটি হচ্ছে ডাইবেটিস।

কিডনি সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন জীবনে অবশ্যই মেনে চলুন এই ১০টি কাজ !

দেখা যায় বিশ্বের সকল এই রোগটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।কারন ডায়বেটিসের সাথে কিডনি রোগের রয়েছে অনেক যোগ সুত্র।তাই যদি আপনি ডায়বেটিসকে কনট্রল করতে পারেন তাহলে আপনার কিডনি থাকবে সুস্থ এবং কার্যক্রম।তবে আপনার ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনের জন্য ডায়বেটিস এবং কিডনি ডাক্তারের কাছে থেকে সময়মত পরামর্শ নিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রন করতে হবে। গরুর মাংস, শুকরের মাংস ইত্যাদি খেলে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এমনকি চিপস, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ইন্সট্যান্ট নুডলস এবং লবণ দিয়ে ভাজা বাদামও কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। খাবার তালিকায় অতিরিক্ত প্রোটিন থাকলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে এবং কিডনির দুর্বল কোষগুলোর ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকে। তাই প্রাণিজ প্রোটিন এড়িয়ে মাছ বা ডাল জাতীয় প্রোটিন রাখুন।এরপর যে সমস্যাটি সারা বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে সেটি হচ্ছে আমরা যত্রতত্র বেথার ওষধ ব্যবহার করে থাকি।

৬ নিয়ম মানলে সুস্থ থাকবে আপনার কিডনি

কম বেশি প্রায় সব ওষুধই কিডনির জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে ব্যথানাশক ওষুধগুলো কিডনির জন্য একেবারেই ভালো নয়। নিয়ম না জেনে নিজে নিজে ওষুধ কিনে খেলে আপনার অজান্তেই কিডনির বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই যে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন। আমরা কোনো ব্যাথার কারনে কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো যত্রতত্র এন্টিবায়টিল খাওয়া ঠিক হবে না যা সাস্থের জন্য এবং বিশেষ করে কিডনির জন্য ক্ষতিকারক।এরপর আমি বলে থাকব আপনারা ঠিকমত পানি পান করবে।আর প্রসাব আটকে রাখবেন না। কারন প্রসাব আটকে রাখলে কিডনিতে সমস্যা দেখা যায়। যার ফলে কিডনিতে নানা ক্ষয়ক্ষতির সমূখীন হতে পারে।

কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন আইন সংশোধনের দাবি

তাহলে আমরা আলোচনার মাধ্যেমে এই বুঝলাম যে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চলাচল, খাবার নিয়ন্ত্র, এবং আরো কিছু নিয়ম মেনে কাজ করলে আমরা এই সকল সমস্যার সমাধান পাব।মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিন সি এর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা থাকে। তাই প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম বা এর কম ভিটামিন সি গ্রহণ করুন।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে কিডনির রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কিডনি প্রতিস্থাপন: আত্মীয় না হলেও রোগীকে কিডনি দেয়ার বৈধতা দিয়ে আদালতের  রায় - BBC News বাংলা

নিয়মিত রক্তের সুগারের পরিমাণ পরীক্ষা করান। সুগার বেশি থাকলে মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। আর যারা কিডনির রোগী তাদের বছরে কম্পক্ষে দুইবার কিডনি রোগীর কাছে গিয়ে পরামর্শমাফিক চলাচল করলে আমরা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সক্ষম হব।