কন্ঠস্বরকে ভালো রাখার উপায়

কণ্ঠ পরিচর্যা করুন এবং সুস্থ রাখুন সহজ উপায়ে - রঙঢঙ

কন্ঠস্বর হচ্ছে একটা মানুষের অন্যতম অংশ।আমাদের সাধারনত কথা বলা সকল জায়গাই দরকার হয়।

আর কথার মাধ্যেমেই বুঝা যায় মানুষের ব্যক্তিগত জীবন।আমাদের কথার বলার জন্য যে জায়গাটার গুরুপ্ত বেশি তার নাম হচ্ছে সরবাক্স।প্রথমে এটির থেকে সর বের হয় এবং গলা জিব্বা এবং দাত দ্বারা শব্দ বহিরে প্রবেশ হয়।আমাদের সর যদি ভেগে যায় তাহলে আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারি।আমাদের গলার সাথে যে নালি রয়েছে সেই নালি সাথে রয়েছে ভোকাল কট। যার মাধ্যেমে আমাদের শব্দ করি।

একেক মানুষের ভোকাল কট এক এক রকমের। তাই একেক মানুষের কন্ঠস্বর একেক ধরনের শোনা যায়।এই গলার স্বর পরির্বতন হওয়ার কারন হচ্ছে আমাদপর ঠান্ডা লাগে তখন আমাদের গলার মাঝে থাকে যেই ভোগাক কট সেটির মধ্যে ইনফেশন তৈরি হয় এর এবং গলার কন্ঠসর মোটা বা চিকন হয়ে যায়। এর জন্য আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো আমাদের বয়েস রেস্ট দিতে হবে। কেননা এই ভোগাল কট ভেঙ্গে গেছে এখন যদি এটিকে রেস্ট না দেন তাহলে এটি আরো খারাপ হতে থাকবে। তাই আমাদের কথা না বলে থাকতে হবে কিছু সময়ের জন্য। তাহলে আমাদের যে কন্ঠস্বর আগের মতো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এছাড়া আপনি তখন ডক্টরের কাছে যেতে পারেন। এছাড়া দেখা যায় অনেকের আস্তে আস্তে গলা ভাঙ্গে যেতে দেখা যায়।এটি হওয়ার কারন হচ্ছে গলার ভোগার কট এ দেখা যায় ছোট ছোট টিওমারের মতো দেখা যায়। আর এগুলো সাধারানত আস্তে আস্তে দেখা যায়।যা পরে গলার মধ্যে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।এগুলোর জন্য ডাক্তারের কাছে থেকে চিকিৎসা করতে হবে।তারা গলার মধ্যে নল।প্রবেশ করিয়ে দেখিয়ে দিবে যে টিওমারের মতো অংশটি।এবং এটি অপরেশনের মাধ্যেমে সারিয়ে দেওয়া হবে।

এরপর দেখা যায় অনেকের হঠাৎ করে বসে গেছে।একদিনে তাদের গলার মধ্যে পরির্বতন দেখা যায় গলা ভেঙ্গে গিয়েছে। এর জন্য যা করনীয় তা হচ্ছে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া এবং ডক্টরের পরামর্শ অনুযায়ী চলা তাহলে ঠিক হয়ে যাবে।এবং কথা বলা কমিয়ে দিতে থাকবে।এছাড়া আরো দেখা যায় বিশেষ করে সিগেরেট খাওয়া লোকের দেখা যায় তাদের গলা আস্তে আস্তে বসে যায় কিন্তু তারা নিজেরা বুঝতে পারে না।অন্যর সাথে কথা বলার সময় অন্যরা বলে যে গলা ভেঙ্গে গিয়েছে।সেক্ষেত্রে তাদের উচিত দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গলা বসা বা কণ্ঠস্বর ভাঙার কারণ হলো শ্বাসনালিতে সংক্রমণ। এমনকি সাধারণ ঠান্ডা লাগা বা দীর্ঘক্ষণ জোরে কথা বললেও গলার স্বর ভাঙতে পারে। তবে দীর্ঘদিন এই সমস্যা হচ্ছে কিছুতেই সারছে না বিশেষ করে আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন তবে সতর্ক হোন। ফুসফুস বা শ্বাসতন্ত্রের ক্যানসারে ভোকাল কর্ড বা এর স্নায়ু আক্রান্ত হয়ে গলা বসে যেতে পারে। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যায়ও অনেক সময় গলার স্বর বসে যায়। এ ছাড়া গলার কোনো অস্ত্রোপচারে ভোকাল কর্ড বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গলা বসে যেতে পারে। গলা বসে যাওয়ার কানরগুলো গলা একবার বসে যাওয়ার পর চার থেকে ছয় সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়। সাধারণভাবে ৫০ বছরের ওপরের যেকোনো রোগীর গলা যদি কোনো কারণ ছাড়া বসে যায় তবে তা নিয়ে সতর্ক হওয়া উচিত। ধূমপায়ীরাও বিপদের মধ্যে আছেন। গলা বসার সঙ্গে দীর্ঘদিনের কাশি, কাশির সঙ্গে রক্ত ওজন হ্রাস বা অন্যান্য উপসর্গ যদি থাকে। লবণপানি দিয়ে গড়গড়া করাটা সবচেয়ে সাধারণ এবং একই সঙ্গে কার্যকর পদ্ধতি। দিনে অন্তত চারবার লবণপানি দিয়ে গড়গড়া করতে হবে। গলা ভাঙা উপশমে ভালো আরেকটি পদ্ধতি হলো গরম বাষ্প টানা। ফুটন্ত পানির বাষ্প যদি দৈনিক অন্তত ১০ মিনিট মুখ ও গলা দিয়ে টানা হয় তবে উপকার হবে।ভাঙা গলায় হালকা গরম লেবুপানি ও আদা বেশ কার্যকর। শুকনো আদায় ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী উপাদান রয়েছে, যা গলার বসে যাওয়া স্বরকে স্বাভাবিক করে তুলতে পারে।যাঁরা জোরে কথা বলেন যাঁদের সর্বদা কণ্ঠ ব্যবহার করতে হয় যেমন সংগীতশিল্পী রাজনীতিবিদ তাঁরা কিছুদিন কণ্ঠের বিশ্রাম নেবেন। এই বিশ্রামের ফলে শ্বাসনালিতে প্রদাহ কমে আসবে।তবে এমন সব চিকিৎসা অনেক সময় কাজে দেয় না। দিনের পর দিন ধরে গলার স্বর বসে থাকে। গলা দিয়ে কথা বের হতে চায় না। স্বর বদলে যায়। ফ্যাসফেসে আওয়াজ হয়। এই ধরনের রোগীদের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশ আরও বিপজ্জনক কোনো রোগের সম্মুখীন হন।আর তাই জেনে নিতে হবে বিপদচিহ্নগুলো। কণ্ঠস্বরেরও যত্ন দরকার। তাই প্রথমেই চিৎকার চেঁচামেচি থেকে বিরত থাকতে হবে। ঠান্ডা লেগে যদি গলা বসে যায় তবে কথা বলা বন্ধ করতে হবে বা কমিয়ে দিতে হবে। এমনকি ফিসফিস করেও কথা বলবেন না তখন। ধূমপান গলার যেকোনো সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয় বা জটিল করে তোলে। আর তাই ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।তাহলে আমাদের কন্ঠস্বর ভালো রাখতে পারবো।