নিজের একটি ব্র্যান্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তা

আমি কতটুকু জানি বা না জানি, আমার সার্ভিস কতটা ভাল বা খারাপ সেটা মানুষের কাছে একনামে জানানোর জন্য নিজের একটি ব্যান্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। হতে পারেন আপনি একজন ব্লগার, ওয়েব ডিজাইনার বা ওয়েব লেখক- আপনার কাজের একটা ধারা আছে যা হয়তো অন্য করো সাথে মিলে না। তাই অবশ্যই একটা নিয়মতান্ত্রিকতা ও ব্যান্ড গঠনের বেশ কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা দরকার।

নিজের নাম

নাম একটি শক্তিশালী কীওয়ার্ড। অনেকে আপনার নাম ধরে ওয়েবে খুজে বেড়াবে  (যেমন আমাকে টিউটো নামে ওয়েবে খুজে বেড়ায়) তাই নিজের নামটি অবশ্যই ওয়েবে একটি ইউনিক কীওয়ার্ড হিসেবে রাখুন। সেই একই নাম বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা ভাল। নিজের প্রতিষ্ঠানের নামও হতে পারে একইভাবে আপনার একটি ইউনিক প্রতিক। একই নাম অনেকের থাকার কারনে একটা অযাচিত ঝামেলা হয়ে যেতে পারে-তাই একটি ইউনিক বিষয়ে নিজের নামটি লিখতে পারেন।

নিজেকে অপ্রকাশ করা

নিজেকে অপ্রকাশ করার একটি প্রচলিত অভ্যাস অনেকের মাঝে থাকে। আমার নিজের মাঝেও এরকম একটি বদ্ধমূল আইডিয়া ছিল যে নিজেকে এত বেশি প্রকাশ করতে গেলে অফলাইন জীবেন একটা ঝামেলায় পড়তে পারি। ” কেউ হয়তো আমাকে বড়/ছোট মাপের লোক ভেবেছিল-বাস্তবে তা নয়”- এরকম এটা চিন্তা থেকে লুকিয়ে থাকার অভ্যাস সৃষ্টি হয়। কিন্তু ওয়েব জগতে প্রকাশিত হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই নিজের একটি ব্যান্ড গঠনের জন্য অবশ্যই নিজেকে প্রকাশ করতে হবে।

নিয়মিত হওয়া

ওয়বে অনেক চেহারা হঠাৎ ভেসে ওঠে আবার হঠাৎ ডুবে যায়। এ কারনে একই নিক নেম অন্যে ব্যবহার করে। আর এই বেপারটাই ব্যান্ড গঠনের অনেক বড় অন্তরায়। ইংরেজীতে একটি কথা আছে-Slow and steady wins the race.  কম গতিতে দির্ঘদিন কাজ করলেও সফল হওয়া যায়।

ব্যান্ড গঠনে আরও কিছু টিপস

১. অনেক ভিজিটর আসে এমন সাইটে নিজের লেখা প্রকাশ করা।
২. যে কোন একটি বিষয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করা এবং সেই বিষয়ে লোকজনকে সহায়তা করা।
৩. সামাজিক নেটওয়ার্কে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলা।
৪. অফলাইন বিভিন্ন সভা সেমিনারে আংশগ্রহন করা-ইত্যাদি।

নিজের ব্যান্ড গঠেনে আপনার নতুন কিছু চিন্তা ভাবনা আছে কি? থাকলে মতামতে জানান আশা করা যায় আমরা আইডিয়া শেয়ার করে ভাল কিছু শিখতে পারবো।

3 thoughts on “নিজের একটি ব্র্যান্ড গঠনের প্রয়োজনীয়তা”

  1. আমার ভাই কারও অধীনে কাজ করতে ভালো লাগে। এমন একজন যে আমার বস এবং বন্ধু!

    1. @shantodatta, আসলে ব্র্যান্ডের নাম তো নিজেকেই ঠিক করতে হবে। নিজের কাজের ধারার উপর ভিত্তি করেই সেটা করা উচিত। আগেই বলেছি একটি ইউনিক নাম হরে সবচেয়ে ভাল হয়। সাথে থাকুন, ভাল থাকুন।

Comments are closed.