ক্লাউড হোস্টিং কি? এর সুবিধা এবং অসুবিধা

ক্লাউড হোস্টিং কি? এর সুবিধা এবং অসুবিধা ইদানিং অন্যান্য হোস্টিংকে ছাপিয়ে ক্লাউড হোস্টিং বেশ আলোচিত হচ্ছে। হোস্টিং বিষয়ে অনেকের আগ্রহের কারনে এ বেপারে কিছু কথা বলছি। কয়েকদিন আগের ভিপিএস সার্ভারের উপরে আলোচনায় শেয়ার, ভিপিএস এবং ডেডিকেটেড সার্ভারের বেপারে আলাপ করেছিলাম। আজ মূলত: ক্লাউড হোস্টিং এর ধারণা, সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে কিছু কথা বলবো।

ক্লাউড হোস্টিং কি?

মেঘ যেখানে বৃষ্টি সেখানে। কখনো বা এক জায়গায় বৃষ্টি অন্য জায়গায় বৃষ্টিহীন। সার্ভারগুলোকে যদি মেঘের ভিতরে রাখা যেত, আর যেখানেই ব্যবহারকারী সেখানে বসেই খুব কাছে থেকে ডাটাগুলো নিতে পারতো তাহলে বেপারটা কতই না মজা হতো! ক্লাউড হোস্টিং প্রোভাইডাররা অনেকটা এরকম চেস্টাই করে যাচ্ছে।

ক্লাউড হেস্টিং মূলত: একাধিক সারভার ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। আমরা সাধারনত একটা সার্ভারে আমাদের তথ্যগুলো সংরক্ষন করি আর সেটা কখনো সমস্যা দেখা দিলে সাইট আর দেখা যায় না। অন্য দিকে ক্লাউড সারভার বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত থাকে, আপনার ওয়েব একাধিক সারভারে সংযুক্ত থাকবে। ভিজিটরের কাছের সারভার থেকেই সে সাইট দেখতে পাবে আর তাই সাইট চলবে দুর্দান্ত গতিতে। সারভার ডাউন হওয়ার সম্ভাবনা নাই বা কম। সাধারনত ক্লাউড হোস্টিং সারভারের সিপিইউ ব্যবহারের কোন সীমা পরিসীমা বেধে দেওয়া থাকে না। যত খাবে তত খরচ – অনেকটা এই ধরনের বলা যায়। বিভিন্ন সারভারের ব্যন্ডউইথ খরচের উপরে টাকা দিতে হয়।

এই ভিডিওটিতে ছবির মাধ্যমে সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে ক্লাউড সারভারের ব্যবহারিক দিক, দেখে নিতে পারেন।

সুবিধা

আপনি যদি ডেডিকেটেড সারভার ব্যবহার করেন কখনো সারভার ক্র্যাশ করলে আপনার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে। কখনো সাভারে বেশি চাপ পড়লে তা সহ্য করতে পারবে না। ক্লাইড হোস্টিং এ বিভিন্ন সারভারে আপনার একই সাইট থাকাতে এর ব্যবহারে একটা ব্যালেন্স থাকে। অনেক সময় প্রতিষ্ঠান থেকেই হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা হয়। আপনাকে অবশ্য সেই হার্ডওয়্যারের সম্পূর্ণ মূল্য দিতে হবে না। তাদের সারভারের এক এক অংশের জন্য যে পরিমান খরচ হয়েছে তার টাকা দিতে হবে। অনেকটা বাসায় বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার মতো।

সমস্যা

আপনার ওয়েবসাইট বাস্তবে কোথায় থাকবে তা আপনার কন্ট্রোলে নেই। তাই নিরাপত্তার বেপারে অনেকেই সমস্যাজনক মনে করে। এ বেপারে George Reese এর ইন্টারভিউটি দেখতে পারেন। খরচের কারনে অনেকের পক্ষে ক্লাউড সারভার ব্যবহার করাও সম্ভব হয় না। কখনো কখনো কিছু কিছু সারভার ভিপিএসের সারভারই নাকি ক্লাউড নাম দিয়ে চালিয়ে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। বেপারটা নতুন বোতলে পুরানো মদ।

আশা করি ক্লাউড হোস্টিং সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু কথা বলেতে পেরেছি। আরও জানতে বিভিন্ন ইংরেজী ওয়েবে (লিংক এক, লিংক দুই) গিয়ে দিখতে পারেন ।

*********

আমার সবচেয়ে বেশি সমালোচিত লেখা দেখে আপনিও একটু সমালোচনা করুন:

মেয়েদের কাছ থেকে শিখে নিন ৭ টি জিনিস (১১৪+ মন্তব্য)

মেয়েদের কাছ থেকে শিখে নিন ৭ টি জিনিস

ছোট বেলা থেকে মেয়েদের গুছিয়ে চলার বেপারটা দেখে আসতেছি। নিয়মিতই ওদেরএই গুছিয়ে চলাটা আমার কাছে বিরক্তের কারন ছিল। কোথাও এক সাথে বের হতে গেলে কয়েক ঘন্টা সাজগোজেই আপচয় হয়ে যাবে…….

আপনাকে লিখতে নিষেধ করছি, বাকিটা আপনার ইচ্ছা (২৭+ মন্তব্য)

ছাত্র জীবনের শেষ মূহুর্ত থেকেই ছোট কোন একটা আয়ের পথ খুঁজতেছিলাম। টাকা আয়ের ব্যাপারটা কখনোই আমার কাছে মূল উদ্দেশ্য হিসেবে ধরা দেয়নি। সেই সময়ে টাকা আয়ের উদ্দেশ্যটা ছিল নিজের বাড়তি খরচটাকে চালানোর জন্য…

হোস্টিং এবং ওয়েবসাইট বিষয়ক কোন বেপারে সহযোগিতার প্রয়োজনে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

7 thoughts on “ক্লাউড হোস্টিং কি? এর সুবিধা এবং অসুবিধা”

  1. মাহবুব টিউটো ভাই আনেক ধন্যবাদ সুন্দর তথ্য দেওয়ার জন্যে। তবে ক্লাউড হোস্টিং রেট সম্পর্কে কিছু কথা তথ্য দরকার , মাসিক কেমন খরচ পড়বে ?

  2. Wow, incredible blog layout! How long have you been blogging for? you made blogging look easy. The overall look of your web site is excellent, let alone the content!. Thanks For Your article about ক্লাউড হোস্টিং কি? এর সুবিধা এবং অসুবিধা | টিউটোরিয়ালবিডি .

  3. আসলে অনেকেরই ওয়ার্ডপ্রেস থেকে একটু সরে গিয়ে ব্লগিং করা উচিৎ। সাইটের ধরন অনুসারে সিএমএসটি নির্বাচিত করা উচিত। অনেকে ব্যাক্তিগত ব্লগ বানাতে চায় যেখানে বড়জোর ২০০-৫০০ টি পোষ্ট থাকবে। এবং বিভিন্ন বাড়তি ফিচার থাকবে না। আমি মনে করি তাদের জন্য ডাটাবেজ বিহীন সিএমএস পছন্দ করা উচিৎ। এক্সএমএল বা টেক্সট ফাইলে যে সব ডাটা সংরক্ষিত হয় তা অনেক হালকা থাকে।
    আবার অনেকে ওয়ার্ডপ্রেসে এত বেশি ফিচার যোগ করে যে সাইট অনেক শ্লথ হয়ে যায়। টেকটইউনসের ডিজাইন পরিবর্তন না করলে যত ভাল সারভারেই রাখা হোক না কেন সাইট স্লথ থাকবেই। সাইটের লোড টাইম ও প্রথম পাতা কত ভারি তা জানার অনেকগুলো অনলাইন টুল আছে যেমন- http://tools.pingdom.com
    এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লোড টাইম ও সাইট কতটা ভারি তা দেখতে পারেন। আশা করি বেপারটা অনেক ক্লিয়ার হয়েছে।

  4. @মাসপি@http://www.sonarbangladesh.com/blog ওরা পারে কারন ওরাতো ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগিং করে না , ওয়ার্ডপ্রেসে অনেক কোড থাকায় এমনিতেই স্লো হয়ে যায়

  5. প্রতিটি সারভারেরই একটা নির্দিষ্ট ক্ষমতা আছে। ক্ষমতার বেশি লোড নেওয়া কারো পক্ষেই সম্ভব না। আর তাই ডেডিকেটেড সারভারও অধিক চাপে ডাউন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সারভারের ধরন- ডিস্ক স্পেস, র‌্যাম, বিদ্যুৎ সরবরাহ ইত্যাদির উপর নির্ভর করে আপনার সার্ভিসটি। ডেডিকেট সার্ভারের একটা সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা আছে। আর কিছু কিছু ক্লাউড হোস্টিং প্রতিষ্ঠান আপনার ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের উপরে টাকা নেয় তাই তারা অনেক ভাল সার্ভিস দিতে পারে।
    আমার জানা মতে প্রথম দিকে টেকটিউনস একটি শেয়ার হোস্টিং ব্যবহার করতো। আর এটার চেয়ে ডেডিকেটেট সারভার হাজারগুনে ভাল।

  6. আপ্নের সাইটে সামান্য সাধারন মানের HTML কোড কাজ করে না !!!!!!!!!! কি আজব আর বিরক্তিকর !!!!!!!!!!!! এখন আমার উপরের কমেন্টএর তাৎপর্য কিভাবে বুঝাই ?????

  7. টেকটিউনসের ট্রাফিকের পরিমান অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় টেকটিউনস নতুন ডেডিকেটেড সার্ভারে স্থানান্তরিত হচ্ছে।
    আপনি যদি ডেডিকেটেড সারভার ব্যবহার করেন কখনো সারভার ক্র্যাশ করলে আপনার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।
    তাইলে টেকটিউন্স ডেডিকেট সার্ভারে যাচ্ছে কোন দুঃখে ? আর সামু কি দিয়ে চলে ? ওদের লোডিং স্পীড এত ভাল ! আর নতুন যে বাহির হইল সাবু (http://www.sonarbangladesh.com/blog/) ওদের লোডিং স্পীডও তো অনেক হাই। ওরা পারে টেকটিউন্স পারে না কেন ?

Comments are closed.