ফটোশপে তৈরি করুন একটা সাধারণ ঘড়ি

ক’দিন ধরে ভীষণ ব্যস্ততায় কাটছে আমার দিন। তাই এবার এর প্রজেক্ট হয়েছে নিম্ন মানের। প্রজেক্ট এর নিম্ন মানের জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আশা করি আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।

১. নিচের মত সেটিং নিয়ে একটা নতুন ডকুমেন্টটি নিন।

২. তারপর একটা চতুর্ভুজ করুন। Redius দিন 50px।

৩. এবার Layer>Layer Style>Bevel and Emboss যান এবং সেটিং নিচের মত করে করুন।

৪. Color Overlay যান এবং কালো রং সিলেক্ট করুন।

৫. এবার এটার চেয়ে তুলনামূলক ছোট আকারের একটা চতু্র্ভূজ আঁকুন। (চিত্র লক্ষ্য করুন)

৬. তারপর Layer>Layer Style>Inner Shadow যান এবং সেটিং নিচের মত করে করুন।

৭. Color Overlay এবং সাদা রং সিলেক্ট করুন।

৮. Stroke যান এবং সেটিং নিচের মত করে করে ফেলুন।

৯. এবার Type Tool এর সাহায্যে নিচের মত সংখ্যা গুলো বসিয়ে নিন। আপনি ইচ্ছা করলে কম বেশী করতে পারেন।

১০. এবার এর মাঝখানে একটা বৃত্ত আঁকুন।

১১. Layer>Layer Style>Bevel and Emboss যান এবং সেটিং নিচের মত করে করুন।

১২. এবার এটার মাঝখানে সাদা রং এর একটা বৃত্ত আঁকুন।

১৩. তারপর Layer>Layer Style>Bevel and Emboss যান এবং সেটিং নিচের মত করে করুন।

১৪. এবার দুইটা কাঁটা যোগ করে দিন।

১৫. এবং Layer>Layer Style> Gradient Overlay গিয়ে সেটিং নিচের মত করে করুন। (দুই কাঁটারই একই সেটিং)

ব্যাস হলে গেল। এর পরে আরও কিছু পরিবর্তন করেছি। ঐ পরিবর্তন সহ, ফটোশপের সোর্চ ফাইল অর্থাৎ PSD ফাইলটা এখন থেকে নামিয়ে নিন।

আমার ফটোশপের অন্যান্য প্রোজেক্ট দেখার জন্য আমন্ত্রনঃ

13 thoughts on “ফটোশপে তৈরি করুন একটা সাধারণ ঘড়ি”

  1. বোঝাই যায় অনেক কষ্ট করে বানানো টিঊটোরিয়াল , অনেক ধন্যবাদ

  2. শিবলীর প্রোজেক্টগুলো প্রাকটিস করলে যে কোন ডিজাইনারের বেসিক অনেকগুলো বিষয়ে ধারনা পরিচ্ছন্ন হবে। প্রোজেক্টটিতে রঙের সুন্দর ব্যবহার আমাকে মুগ্ধ করেছে। ঘড়িটির ভেতরের পৃষ্ঠের ব্যাগ্রাউন্ডে রংটিও বেশ লক্ষ্যনীয়। একজন ডিজাইনারকে যে নিখুতভাবে কাজ করতে হয় সেটাই এই প্রোজেক্টের বুঝা যায়। প্রোজেক্টটি ছোট কিন্তু নিখুত।

    আমি অবশ্য ঘড়ি বানানোর কথা চিন্তা করলে ভেক্টরের কথা ভেবে ইলাস্ট্রেটরে কাজ করতাম, কিন্তু ইদানিং ফটোশপের এই প্রজেক্টগুলো থেকে ফটোশপের নানামুখি দিক সম্পর্কে জানছি। আশা করি, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে শিবলী একদিন আন্তর্জাতিক মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারবে। এ জন্য অন্যের তৈরী করা কিছু বড় বড় প্রোজেক্ট নিজ হাতে বানিয়ে দেখা যেতে পারে।

    1. আমিও এটাই বার বার বোঝানোর চেষ্টা করি। আসলে ফটোশপের মত এত উন্নত গ্রাফিক্স সফটওয়্যার নেই বলেই হয়। আমি আমার প্রজেক্টে বেসিক জিনিস গুলোই বোঝানোর চেষ্টা করি। আসলে এগুলোর মাধ্যমে আমি হাত পাকানো শেখাতে চাই। ফটোশপে লেআউট তৈরির টিউটোরিয়াল অনেক আগেই করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এই টিউটোরিয়াল গুলোই নাকি অনেকে পারছে না। এই বিষয়টা গুলো আমি ফেজবুকে অনেকের কাছ থেকেই শুনেছি। আবার কিছু কিছু জিনিস স্কিনসট কিংবা এত তাড়াতাড়ি ইচ্ছা করলেই করায় না, যেমন; প্রজেক্টে গ্লেস দেয়া এটা অনেক অভ্যাসের পর করা যায়।
      আমার প্রথম টার্গেট ছিল একজন ভালো ওয়েব প্রোগ্রামার অর্থাৎ ডিজাইনার হওয়া কিন্তু যখন আমি ডিজাইন শিখতে যাই তখন লক্ষ করি যে আমি যদি গ্রাফিক্স এর কাজ না পরি তবে এই প্রোগ্রামিং শিখতে পারবো। তাই প্রথমে এই ফটোশপে চোখ দেই। এখন আমি আমার দক্ষতা CSS এ বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সাথে অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন js এবং php শিখছি। আমাকে দোয়া করবেন যেন আমি অনেক দূর যেতে পারি। আর আপনি আমাকে অনেক অর্থিত সাহায্য করেছেন এবং করছেন বলে অসংখ্য ধন্যাবদ। আমি এই প্রতিদান কোন দিন ভুলবো না।
      তবে খুব তাড়াতাড়িই একটা সিরিজ ধরবো, PSD টু CSS.

      1. @শিবলী, বড় প্রোজেক্ট মূলতঃ বেসিক জিনিসগুলোরই সম্মিলন। স্ক্রিনসট নেওয়াটা অবশ্য একটা ঝামেলার বেপার। কিছু ক্ষেত্রে ভিডিও টিউটোরিয়াল বেশ কাজে দেয়।
        PSD থেকে ওয়েব ডিজাইন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বাংলা ভাষায় এর টিউটোরিয়াল কেউ লেখে নাই। আশা করি বিষয়টা খুবই জনপ্রিয় হবে।

        1. @মাহবুব টিউটো, আমিও বার বার লিখতে চাই। আবার পিছিয়ে আসি কারণ আমি কি মানের পাঠকের উদ্দেশ্যে লিখবো কিছুই বুঝতে পারি না। কারণ আমি যেটা শেখাতে যাচ্ছি এটা শিখতে হলে HTML এবং CSS অল্প হলেও জানা লাগবে।

          1. @শিবলী, আমার মনে হয় টিওটোরিয়ালবিডিতে এখন এটা কোন সমস্যা না। এখন HTML ও CSS এর উপরে বেশ কিছু টিউটোরিয়াল আছে। আমি এবং অসীম মিলে একসময় HTML ও CSS এর প্রথম থেকে টিউটোরিয়াল লিখেছিলাম। পোষ্টের ভেতরে প্রয়োজনে লিখে দিতে পারেন যে, HTML ও CSS জানা পাঠকদের জন্য এই টিউটোরিয়ালটি প্রযোজ্য। যারা জানেন না তারা আগের টিউটোরিয়াল থেকে শিখে নিন।
            ——–
            আশা করি সামনের দিনগুলোতে টিউটোরিয়ালবিডি থেকেই সফল ওয়েব ডিজাইনার ও ফ্রিল্যান্সার জন্ম হবে। আর সেটা করতে পারলে সামান্য হলেও দেশের উপকার করা হবে। কি পাবো সেটা বড় কথা না। ধন্যবাদ সুচিন্তিত আলোচনার জন্য।

            1. আমাকে সাহস যোগানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা চালিয়েই যাবো। আপনি যতদিন আমাদের পাসে আছেন আমি ততদিন আপনার সাথে আছি!

Comments are closed.