মাহবুব টিউটো

Port Forwarding

পোর্ট ফরওয়ার্ডিং হলো কোন পাবলিক আইপি ও পোর্ট নম্বরের রিকোয়্যেস্টকে লোকাল কোন আইপিতে ফরওয়ার্ড করা।

ল্যান থেকে লোকাল আইপিতে কাজ করে এবং বাইরে থেকে পাবলিক আইপিতে কাজ করে। সাধারণত সারভারগুলোতে পোর্টফরওয়ার্ডিং ব্যবহার করা হয়, নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য। বাইরে থেকে অনেকেই সারভারেরে বিভিন্ন পোর্ট ধরে ধরে স্ক্যান করে এবং প্রবেশ করার চেস্টা করে। নির্দিষ্ট পোর্টের লোকাল আইপি কোন পাবলিক আইপিতে ফরওয়ার্ড হলে সহজেই অন্যান্য পোর্টগুলো স্ক্যান বন্ধ করা যায়।

GPU Graphic accelerator card জিপিইউ গ্রাফিক এসেলারেটর কার্ড

আমাদের দেশে গ্রাফিকস কার্ড Graphics card নামে বেশি পরিচিত। কম্পিউটারকে ভাল মানের গ্রাফিকস ভিডিও এবং গেমিং এর সুবিধা দিতে আলাদা এক্সপানশন কার্ড। এটি এজিপি AGP পোর্ট বা পিসিআই PCI স্লট বা পিসিআইই PCIe স্লটে লাগানো থাকে।

গ্রাফিকস কার্ডে আলাদা প্রোসেসর এবং র‌্যাম থাকে যা গ্রাফিকস ডাটা নিয়ে কাজ করে। এখানে এইডডিএমআই এবং ভিজিএ পোর্ট থাকে যেখানে মনিটর সংযুক্ত করতে হয়।

গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ, ভিডিও এডিটিং, এনিমেশন, থ্রিডি এনিমেশন, গেম ডেভলপ এর কাজ করলে এবং উন্নত গেম খেললে কম্পিউটারের সাথে ভাল মানের গ্রাফিকস কার্ড প্রয়োজন হয়।

Source: https://rog.asus.com

Virtual Reality VR ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ভিআর

কম্পিউটারের মাধ্যমে তৈরী থ্রিডি ছবি ও ভিডিও যা অনেকটা বাস্তবের জগতের মতো মনে হয়। ভিআর চশমার পরিহিত অবস্থায় কোন লোক ভিআর উপযোগি ভিডিও কম্পিউটার, টিভি ও মোবাইল স্ক্রিনে দেখে থাকে।

এখন যদিও এটি ভিডিও গেমে বহুল ব্যবহৃত হয়। শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও এটি প্রবেশ করছে।

Image by Eugene Capon from Pixabay

Batch Processing ব্যাচ প্রোসেসিং

কম্পিউটারকে একই সাথে ইনপুট প্রদান করে ধারাবাহিক ভাবে একের পর আরেকটা কাজ করাকে ব্যাচ প্রোসেসিং বলে।

Batch File ব্যাচ ফাইলঃ কাজগুলোর কমান্ড যে ফাইলে লেখা থাকে তাকে ব্যাচ ফাইল বলে। ব্যাচ প্রোসেসিং এর একটা সুবিধা হলো মানুষের হাত ছাড়া দির্ঘ্য সময় বা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করে যাবে।

কোন একটি সময় কোন প্রোগ্রাম চালু হওয়ার কাজ ব্যাচ ফাইলে লিখে তা সিডিউল করা রাখা যায়। উইনডোজে একে Schedule Task এবং লিনাক্সে Corn Job বলে।

Background Execution ব্যাগ্রাউন্ড এক্সিকিউশন

কোন প্রোগ্রাম যদি স্ক্রিনে জায়গা দখল না করে চালু হয় বা সামান্য জায়গা নেয় তাকে ব্যাগ্রাউন্ড এক্সিকিউশন বলে। অন্য প্রোগাম চলতে কোন সমস্যা হয় না। মাল্টি টাস্কিং সব অপারেটিং সিস্টেমেই ব্যাগ্রাউন্ড এক্সিকিউশন সম্ভব।

Liquid cooling লিকুইড কুলিং Water cooling ওয়াটার কুলিং

বাতাসের মাধ্যমে প্রসেসরের তাপমাত্রা কমানোর চেয়ে পানির মাধ্যমে কমানো বেশ সুবিধা জনক। পানি অনেক বেশি পরিমান তাপ শোষণ করতে পারে।

পানি মোটরের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্লকে ঘোরে এবং ঠান্ডা করে। পানি যে তাপ শোষণ করে তা আবার ঠান্ডা করার জন্য কুলিং ফ্যান ব্যবহার করা হয়।

আজকাল বাজারে আলাদাভাবে ওয়াটার কুলিং ফ্যান পাওয়া যায়।

ওয়াটার কুলিং বা Water cooling বলা হয়ে থাকে।

ছবি পিসি ওয়ালর্ড

Instruction Set ইনস্ট্রাকশন সেট

ইনস্ট্রাকশন সেট মূলতঃ মেশিনকে প্রদান করা মেশিন কমান্ড। এই কমান্ড প্রসেসরকে কি করতে হবে তা বলে দেয়। প্রোগ্রামগুলো মূলতঃ এই মেশিন কমান্ডে পরিনত হয়।

x86 কম্পিউটার এমডি এবং ইন্টেল এখন যা বানাচ্ছে তারা প্রায় একই ধরনের ইনস্ট্রাকশন সেট নিয়ে কাজ করে। আবার মোবাইল প্রোসেসরের ইনস্ট্রাকশন সেট আলাদা ধরনের।

কয়েকটি ইনস্ট্রাকশন সেটের উদাহরণঃ

  • ADD – দুটি নম্বর যোগ করা
  • COMPARE – তুলনা করা
  • IN – ইনপুট ডিভাইজের ইনপুট প্রবেশ করা
  • JUMP
  • JUMP IF
  • LOAD র‌্যাম থেকে সিপিইউতে তথ্য লোড করা
  • OUT – আউটপুট ডিভাইজে তথ্য পাঠানো
  • STORE – র‌্যামে তথ্য সংরক্ষণ

ISA আইএসএ বা instruction set architecture এই দুই নামেই ইনস্ট্রাকশন সেটকে নির্দেশ করে।

আরো দেখতে পারেন- 8, 16, 32, 64 bit Computer

CSS সিএসএস

Cascading Style Sheet এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে CSS । সহজ ভাষায় ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদানের গঠন, আকার, আকৃতি, অবস্থান, রং, গতিশীলতা ইত্যাদি নির্ধারণের সহজ কৌশল হচ্ছে CSS.

CSS Bangla Tutorial

Operating System (OS) অপারেটিং সিস্টেম (ওএস)

অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ করা সহজ করে। অপারেটিং সিস্টেম এ অন্যান্য সকল প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার চলে এবং সেখানে কমান্ড দেওয়ার সহজ ব্যবস্থা থাকে।

Image by natura_photos from Pixabay

ইদানিং কালের অপারেটিং সিস্টেম শুধু মাত্র সিস্টেম লেভেলের কাজই করে না ইউজাবিলিটি নিয়ে অনেক কাজ করে। মানে মানুষ সহজে যাতে ব্যবহার করতে পারে তার জন্য বিভিন্ন ইন্টারফেস সহজ করণ, বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করা, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ রক্ষার কাজও অপারেটিং সিস্টেম করে।

জনপ্রিয় কতগুলো অপারেটিং সিস্টেম

  • ইউনিক্স
  • লিনাক্স
  • উইনডোজ
  • ম্যাক ওস
  • এনড্রয়েড

Backlit Keyboard ব্যাকলিট কীবোর্ড

যে কীবোর্ডের নিচে লাইট লাগানো। অন্ধকারে যারা কাজ করে তাদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে যারা গেম খেলে তাদের ল্যাপটপে এ ধরনের কীবোর্ড দেখা যায়।

ছবি সূত্র উইকিমেডিয়া

SSD এসএসডি

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (এসএসডি) কি?

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ কে অনেক সময় সলিড স্ট্যাট ডিস্ক বা ইলেক্ট্রিক্যাল ডিস্কও বলা হয়ে থাকে। তবে এটিতে হার্ডড্রাইভের মতো কোন ডিস্ক থাকে না বা কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রও থাকে না। এটিতে অনেক সংখ্যক ইলেক্ট্রিকেল সারকিট (IC) একত্রিতভাবে চীপ আকারে থাকে যাতে তথ্যগুলো সঞ্চয় করা হয়।


হার্ড ড্রাইভ বা ফ্লপি ড্রাইভে মূলতঃ একটি ম্যাগনেটিক ডিস্ক ঘোরে এবং ম্যকানিক্যাল হেড-এর মাধ্যমে ডিস্কে তথ্য সঞ্চয় হয়। আর তাই এসএসডি হার্ডড্রাইভের চেয়ে দ্রুত তথ্য প্রদানে সক্ষম। এসএসডির দামও হার্ডড্রাইভের প্রায় দশগুণ বেশি।

POS Printer পস প্রিন্টার

তাপ সংবেদনশীল কাগজে প্রিন্ট দেওয়ার এক ধরনের প্রিন্টার। এই প্রিন্টারের হিট রোলারে তাপ উৎপাদন হয় এবং কাগজের রোল থেকে কাগজ ঘোরে এবং সংবেদনশীল অংশ কালো হয়ে প্রিন্ট হয়।

পস প্রিন্টার সাধারণত বিভিন্ন দোকান এবং এটিএম বুথে দখা যায়।

Picture: bwindia

Backbone ব্যাকবোন

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের অধিকাংশ নেটওয়ার্ক ট্রাফিক যে পথে যায় তাকে ব্যাকবোন বলে।

ধরা যাক, দশটি প্রতিষ্ঠানের বা ভবনের মধ্যে নেটওয়ার্ক। প্রতিটি ভবনে ৫০ টি করে কম্পিউটার আছে। একটি ভবনের সাথে অন্যটির যোগাযোগের জন্য কোন একটি ভবন মূল কেন্দ্র হিসেবে আছে এবং সেখান থেকে অন্য ভবনগুলো যুক্ত আছে। ভবনগুলোর প্রতিটি ভবনের কম্পিউটারগুলো সুইচে যুক্ত। প্রতিটি ভবন একে অন্যের সাথে যে তারের মাধ্যমে যুক্ত তাকে ব্যাকবন বলে।

IPS Display আইপিএস ডিসপ্লে

LCD ডিসপ্লের একটা বড় সমস্যা ছিল কোনাকুনি দেখলে ভাল দেখায় না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য IPS panel (in-plane switching) টেকনোলজী চলে আসলো। এই প্যানেলে আলো উৎপাদনকারী অনুগুলো ডিসপ্লের একেবারে কাছে থাকে ফলে বাকা হলেও সঠিকভাবে দেখা যায়।

আইপিএস প্যানেল এটু বেশি দামী এবং এখনকার মোবাইলে প্রচুর ব্যবহার হচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ

Long exposure photography লং এক্সপোজার ফটোগ্রাফী

দির্ঘ সময় ধরে একটা ছবি তোলার পদ্ধতি। কম আলোতে ছবি তোলতে গেলে কিছু চলমান এবং কিছু স্থির ছবি তোলার ক্ষেত্রে এটা একটা জপ্রিয় ফটোগ্রাফী টেকনিক।

এই পদ্ধতিতে চলমান অবজেক্ট ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের ঝাপসা ছবি ওঠে। আর স্থির অংশ স্থির থাকে। কয়েকটি উদাহরণ দিলে হয়তো বুঝতে সুবিধা হবে।

Image by Free-Photos from Pixabay
Image by Kasjan Farbisz from Pixabay

True Tone Display technology ট্রু টোন ডিসপ্লে

এপল এই টার্মটি ব্যবহার করে তাদের একধরনের ডিসপ্লের ক্ষেত্রে যা চার পাসের পরিবেশ অনুসারে ডিসপ্লে সয়ংক্রিয় পরিবর্তন করে।

সিনেট থেকে ছবি

আমাদের চোখ আসপাসের পরিবেশের সাথে মিলিয়ে যে কোন জিনিসের প্রতিফলিত আলো চোখে পরে। বেশি আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসে, কম আলোতে চোখ নিজে থেকে এডজাস্ট করে নেয় এবং আরো ভালভাবে দেখার চেষ্টা করে।

দিনের বেলা বেশি আলোতে মনিটর অনেকটা হালকা মনে হয় আবার কম আলোতে মনে হয় বেশি লাইট। এটাকে ফিল্টার করে আলোর পরিবর্তন করে ট্রুটোন। মূলতঃ এমবিয়্যান্ট লাইট সেন্সর (Ambient Light Sensor ) এর মাধ্যমে বাইরের আলোর অবস্থার ভিত্তিতে ফিল্টার করা হয়।

যারা কমার্শিয়াল গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ করে বা ভিডিও নিয়ে কাজ করে, যারা কম্পিউটারের রং এর সাথে বাস্তব কোন ডিজাইন ধরুন জামা কাপড়ের ডিজাইন মিলিয়ে দেখে তাদের জন্য এটি খারাপও হতে পারে-আর এটি বন্ধ করা সম্ভব।

Core কোর

কম্পিউটারের প্রোসেসরের মূল অংশ যা হিসাব নিকাশ করে, ইনস্ট্রাকশন চালু হয় ও তথ্য আদান প্রদান করে । কোন একটা সফটওয়্যারের কাজ কোরে চালু হয়। মূলতঃ কোর শব্দটা প্রসেসরের আলাদা প্রসেসিং ইউনিট বুঝাতে ব্যবহৃত হয় যেখানো কোন একটি প্রোসেসরে একাধিক কোর থাকে।

একাধিক কোর থাকার সুবিধা আলাদা আলাদা প্রসেসিং সহজে করতে পারে অনেক অনেক প্রসেস একই সময় করার জন্য বেশি কোরের প্রসেসর দেখা যায়।

ইদানিং মোবাইল প্রসেসরে ইচ্ছা কৃত বেশি কোরের সিপিইউ ব্যবহার করে যাতে উচ্চ গতির কাজের প্রয়োজনে সব কোর একসাথে কাজ করতে পারে এবং সাধারণ কাজ করার সময় কম গতির কোরগুলো সক্রিয় থাকে।

যে প্রসেসরের চারটি কোর আছে তাকে Dual Core ডুয়াল কোর এবং চারটি কোর থাকলে Quad Core কোয়াড কোর আটটি কোর থাকলে Octa Core অক্টাকোর প্রসেসর বলে।

Optical Zoom অপটিক্যাল জুম

লেন্সের মাধ্যমে যে জুম করা হয় তা অপটিক্যাল জুম। আলোর প্রতিসরনের মাধ্যমে ক্যামেরা তার সামনের অংশের ছবির প্রতিবিম্ব তৈরী করে। তাই আমরা দেখি।

ইদানিং কালের ক্যামেরায় একই সাথে অপটিক্যাল জুম এবং ডিজিটাল জুম এর কথা উল্লেখ থাকায় বিষয়টা বুঝতে কঠিন হয়। তাই ডিজিটাল জুম সম্পর্কেও জানতে হবে।

Digital Zoom ডিজিটাল জুম

ছবি ক্রপ করে আমরা যেমন ফটো ইডিটিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে বড় করি, ক্যামেরার ডিজিটাল জুমও তাই। ডিজিটাল জুম এ ছবির মান খারাপ হয়।

তাই ক্যামেরা কেনার সময় ডিজিটাল জুম কি আছে তা দেখে লাভ নাই। অপটিক্যাল জুম কত আছে সেটাই প্রধান বিষয়।

buffer বাফার

মেমরী এরিয়া যা সাময়িক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় এবং কাজ শেষে মুছে দেওয়া হয় তাকে বাফার বলে। প্রিন্টারে প্রিন্ট কমান্ড দিলে ফাইলটির প্রন্ট করার উপযোগি ফাইল কম্পিউটারে কিছু সময়ের জন্য সংরক্ষিত হয়।

যেহেতু কম্পিউটারের চেয়ে প্রিন্টার কম গতি সম্পন্ন এবং কম মেমরী সম্পন্ন তাই এটি কম্পিউটারে থাকে। একাধিক কমান্ড ধারাবাহিক ভাবে প্রিন্ট হয় এই ধারাবাহিকতাকে Que বলে। প্রিন্ট হওয়ার পর ফাইলটি মুছে যায়।

কোন ফাইল খোললেও বাফারে সংরক্ষিত হয় প্রোগামটি বন্ধ করলে ফাইলটি মুছে যায়।

Back Link ব্যাক লিংক

কোন ওয়েব সাইটে অন্য ওয়েবসাইটের লিংককে ব্যাকলিংক বলে। গুগলসহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন কোন ওয়েবসাইটের লিংক ভিন্ন ভিন্ন কতটি ওয়েবসাইটে রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে র‌্যাঙ্ক করে।

ভিজিটর পাওয়ার জন্য ব্যাকলিংক এ জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যাক লিংক বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। বেশি কিছু টিপস আছে এখানে-

Burst Mood বার্স্ট মুড

একের পর এক ছবি তোলার মুড। র্বাস্ট মুড অন করে ছবি তোলার বাটনটি চেপে ধরলে ছবি তুলতেই থাকবে।

প্রতি সেকেন্ডে কতটি ছবি তোলতে পারবে তা নির্ভর করে ক্যামেরার উপর।

এটাকে কনটিনিউয়াস শুটিং continuous shooting mode ও বলে।

গতিশীল কোন কিছুর ছবি এভাবে তোললে সবচেয়ে ভাল ছবিটি রেখে বাকিগুলো ডিলেট করার প্রচলন আছে।

Riding 1020850.gif


By Nevit Dilmen – Own work, CC BY-SA 3.0, Link

Depth of field ডেপ্থ অব ফিল্ড

ক্যামেরার ফোকাসের মধ্যে কতটুকু দূরত্ব পর্যন্ত থাকবে তা হলো ডেপ্থ অব ফিল্ড।

পোট্রেট ছবি তোলার জন্য সাধারণতঃ ঝাপসা ব্যাগ্রাউন্ড করে অনেকে ছবি তোলতে পছন্দ করে।

প্রাকৃতিক ছবি তোলার জন্য সবটাই ফোকাসের মধ্যে রাখার প্রয়োজন হয় তাই ফোকাসও অনেক বড় হয়।

Bar code বার কোড

লম্বা সরু লাইনের মাধ্যমে নম্বর প্রকাশের একটা পদ্ধতি। লেজার বীমের মাধ্যমে লাইনের প্রস্থ্য অনুসারে মেপে দ্রুত একটি নম্বর সংগ্রহ করা যায়।

সাধারণতঃ সুপার শপ ও স্টোরে হিসাব রাখার জন্য পন্যের গায়ে বার কোড লাগিয়ে দেওয়া হয়। পন্য ক্রেতা কিনতে এলে সহজেই কোডটি স্ক্যান করা হয় এবং পন্যের দাম ও অন্যান্য তথ্য কম্পিউটারে সহজেই চলে আসে কারন আগেই বার কোডের মাধ্যমে তথ্য ঢুকানো থাকে।

Image by PDPhotos from Pixabay

Bar code scanner

বার কোড রীড করার যন্ত্রকে বার কোড স্ক্যানের বলে। বারকোড স্ক্যানার কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইজ।

Bay বে

কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, ডিভিডি রম বা অন্য কিছু রাখার জন্য ক্যাসিং এ যে ভাগ থাকে তাকে বে বা ড্রাইভ বে বলে।

ছবিতে সারভারের হার্ডডিস্ক রাখার বে গুলো দেখা যাচ্ছে।
Image by Bruno Glätsch from Pixabay

সারভারের ক্ষেত্রে ড্রাইভ বে এর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ।

Artificial intelligence কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা কম্পিউ্টার বিজ্ঞানের শাখা যা বুদ্ধিমান মেশিন নিয়ে কাজ করে। মানুষ যেমন জ্ঞান অর্জন করে এবং সেই অনুসারে কাজ করে -অনেকটা তেমন কাজ করার জন্য Learning এবং Problem Solving টেকনিক থাকে।

ভিন্ন ভিন্ন মেশিনে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের learning এর ব্যবস্থা থাকতে পারে। সহজ উদাহরণ হতে পারে চ্যাটবট chatbot . সয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের সাথে চ্যাট করতে এবং সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য চ্যাটবট তৈরী। ইতিমধ্যে মানুষের কথা বুঝতে সক্ষম আমাজন ইকো এবং গুগল এসিস্টেন্ট বাজারে চলে এসেছে।

ভবিষ্যতে বিভিন্ন টেকনোলজীর সাথে এআই যোগ হয়ে বড় ধরনের বিপ্লবের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে এআই বুদ্ধিমান অনেক পেশায় অবস্থান করবে।

আরো দেখতে পারেনঃ

Bokeh বোকেহ

ছবির ব্যাগ্রাউন্ড যখন ফোকাসের বাইরে থাকে তখন ব্যাগ্রাউন্ডের উজ্জল আলো বেশ সুন্দর ইফেক্ট তৈরী করে যা সম্পূর্ণ অংশটা বুঝা যায় না। এটাকে বোকেহ বলে।

বোকেহ ব্যাবহারের ফলে ফোকাসে থাকা অংশের ছবিটি বেশি হাইলাইট হয়। আবার প্রাইভেসি জনিত কারনেও ছবির বাইরের ব্যাগ্রাউন্ড বোকেহ করা হয়।

Image by Pexels from Pixabay

Aspect Ratio এসপেক্ট রেসিও

ছবি বা ভিডিওর দৈর্ঘ্য ও উচ্চতার অনুপাত। ছবির ক্ষেত্রে এবং ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন এসপেক্ট রেসিওর প্রচলন আছে।

৮*১০ রেসিও আর ৪*৫ একই। ইদানিং ৯*১৬ রেশিও ভিডিওতে বহুল প্রচলিত হচ্ছে। কারন অধিকাংশ মনিটর ও টিভি এই রেশিওর ডিসপ্লে। ইদানং মোবাইল ফোনে ৯ঃ১৮ বেশ প্রচলিত হচ্ছে । সম্ভবতঃ বহনের সুবিধার জন্য।

c সি

সি একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ১৯৭২ সালে ডেনিস রিচি বেল ল্যাবরেটরীতে সি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরী করে।

সি কে একই সাথে এসেম্লি ল্যাঙ্গুয়েজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায় আবার সাধারণ এপ্লিকেশনও তৈরী করা যায়।

সি তে নিজস্ব ফাংশন এবং অন্য ফাইলের ফাংশন কল করেও কাজ করা যায়।

টিউটোরিয়ালবিডিতে সি এর অনেকগুলো টিউটোরিয়াল আছে দেখতে পারেন।

Aperture এপারচার

ছোট জানালায় যেমন কম আলো প্রবেশ করে আবার বড় জানালায় বেশি আলো প্রবেশ করে। ঠিক তেমনই ক্যামেরার এপারচার হলো ল্যান্সের সম্মুখে আলো প্রবেশের জায়গার পরিমান। ক্যামেরা মূলতঃ আলোর সংবেদনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে সেন্সরে ছবি তৈরী করে। আলো ক বা বেশি হলে ছবির মানও পরিবর্তন করা যায়।

এপারচার এর মান f stops হিসেবে আক্ষায়িত করা হয়। এপারচার এর মান যত কম হবে লেন্সে তত বড় অংশ খোলা থাকবে। এপারচারের মান বাড়লে ছোট অংশ খোলা থাকবে।

এপারচার কম হলে ব্যাগ্রাউন্ড বেশ ঝাপসা করা যাবে।

ছবি টি এই ভিডিও থেকে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ক্যামেরায় কত থেকে কত এপারচার হবে তা উল্লেখ থাকে।

Macro Lense ম্যাক্রো ল্যান্স

একেবারে ক্ষুদ্রতম জিনিসের ছবি তোলতে এটা ব্যবহার হয় যেমন পানির ফোটা, পিপড়ার মুখ বা ছুট পোকা ইত্যাদি। খুব কম বিক্রি হলেও ম্যাক্রোফটোগ্রাফিতে আগ্রহী অনেকেই এই ল্যান্স ব্যবহার করে থাকে।

Image by Josch13 from Pixabay

Macro Photography ম্যাক্রো ফটোগ্রাফীঃ

সহজ ভাষায় খুব কাছে থেকে ছবি তোলাকে বলে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফী । ছবিগুলো সাধারনত : ছবির বিষয়ের সমান হয়। অর্থাৎ ম্যাক্র দূরত্ব থেকে তোলা ছবি গুলোই ম্যাক্র ফটোগ্রাফী।

বিষয়বস্তুর সমান করে ছবি তোলাটা একেবারে সহজ নয়। বিভিন্ন যন্ত্রপাতি,আলোর সুষম ব্যবহার ও দক্ষতার মাধ্যমে তোলতে হবে ছবি। নিচে দেখুন কিছু ম্যাক্রো ফটোগ্রাফীর উদাহরণ।

Prime Lens প্রাইম লেন্স

৬০ মিমি থেকে ৮৫ মিমি পর্যন্ত অঞ্চলের ফোকাল দৈর্ঘ্য এবং কমপক্ষে এফ / ২.৮ এর অ্যাপারচার সহ লেন্সকে প্রাইম লেন্স বলে। আসলে পোট্রেট ছবি তোলার ক্ষেত্রে এই ল্যান্স ব্যবহার হয়। আমরা মানুষেরা নিজেদের সম্পূর্ণ অবয়ব বা কাছের কিছু অংশের ছবি তোলতে চাই। আর এটা তাই।

প্রাইম লেন্সগুলিতে সাধারণভাবে জুমগুলির চেয়ে বেশি সর্বাধিক অ্যাপারচার থাকে। শাটারটি যখন খোলা হয় তখন আরও বেশি আলো দেওয়া হয়, এর অর্থ আপনি আপনার আইএসও বৃদ্ধি না করে বা আপনার শাটারের গতি কমিয়ে না নিয়ে স্বল্প হালকা পরিস্থিতিতে আপনার প্রয়োজনীয় এক্সপোজারটি পেতে সক্ষম হবেন। এটি আপনাকে প্রতিকৃতিগুলির জন্য পছন্দসই চেহারা দেয়।

Picture from Techradar

Wide Angle Lens ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স

চোখের সামনে যা আছে তার সম্পূর্ণটাই যদি ক্যাপচার করতে চান তহলে ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনবেন। এটা খুব কাছে এবং দুইপাসের প্রায় সম্পূর্ণটা ক্যাপচার করে। আদর্শ ল্যান্ডস্কেপ লেন্স সেন্সরে প্রায় ১২ মিমি থেকে ১৮ মিমি দৈর্ঘ্যের ফোকাল দৈর্ঘ্য সহ একটি প্রধান লেন্স থাকে। আরও ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য আপনি ১0 মিমি থেকে ২৪ মিমি পর্যন্ত ওয়াইড জুম বিবেচনা করতে পারেন। ফিশিয়ে লেন্সের মতো মাত্রায় অতিরিক্ত বিকৃত না হয়ে ফ্রেমে কোনও দৃশ্যের যতটা ফিট করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। ছবিগুলো এঙ্গেল একটু বাকা হয়ে গোলাকার রূপ ধারণ করতে পারে। অবশ্য এটাও অনেকের পছন্দ। লাইটরুম সফটওয়্যার দিয়ে অবশ্য বেশ কিছু পরিবর্তন করে নিতে পারেন। ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির জন্য অনেকে এই ল্যান্স ব্যবহার করে। ওহ, অনেক কাছে থেকে অনেক বড় কিছুর ছবি তোলতেও এটা দারুন কাজ করে। অনেক কমার্শিয়াল বড় প্রোজেক্টের ছবি তোলতে দূরে যাওয়া যায় না সে ক্ষেত্রে একটা ওয়াইড এঙ্গেল ল্যান্স কিনে নিতে পারেন।

This image has an empty alt attribute; its file name is london-3833039_1280-870x580.jpg

Superzoom lens সুপারজুম লেন্স

আপনি যখন ছুটিতে থাকেন তখন আপনি অবিচ্ছিন্নভাবে লেন্স পরিবর্তন করতে চান না। সহজে শুট করতে চান। বার বার লেন্স পরিবর্তন করার ঝামেলা করেন না। এই উদ্দেশ্যে একটি সুপারজুম লেন্স তৈরি করা হয়েছিল। ফোকাল সেন্স ১৮-২০০ মিমি বা ১৮-৩০০ মিমি থেকে শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় দৈর্ঘ্যের সাথে এটি আপনাকে বেশিরভাগ পরিস্থিতিতে সাহায্য করবে। অ্যাস্ট্রোফোটোগ্রাফির কিছু ক্ষেত্রে এটির লেন্স প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হতে পারে। ছুটির দিনে শুটিংয়ের জন্য আপনি এই লেন্সটি ব্যবহার করতে পারেন।

Picture from pixabay

Telephoto zoom lens টেলিফোটো জুম লেন্স

একটি টেলিফোটো লেন্স আপনাকে এমন বিষয়গুলি ক্যাপচার করতে দেয় যা খুব দূরের।

এটির সাধারণত ৫৫-২00 মিমি ব্যাপ্তি থাকে ।

নৈমিত্তিক শুটিংয়ের জন্য এটি সেরা পছন্দ।

This image has an empty alt attribute; its file name is KEN_9395-600-579x870.jpg

Photonics ফটোনিকস

এক কথায় আলোর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের টেকনোলজী। তবে বিষয়টা শুধু তরঙ্গের ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। ফটোনিক্সের গবেষনায় ভবিষ্যত কম্পিউটার প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি অবাক করার মতো।

বর্তমানে মেডিকেল যন্ত্র, টেলিকমিউনিকেশনে, মহাকাশ গবেষণায় ফটোনিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফটোনিকস নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে, কারন আলোর গতি সবচেয়ে বেশি। আর তাই যদি আলোর মাধ্যমে প্রসেসর বানানো যায় তাহলে সেটি হবে সবচেয়ে বেশি গতির। ইতিমধ্যে আলোর বিভিন্ন ধর্ম কাজে লাগিয়ে লজিক গেটও তৈরী করা হয়ে গেছে। আলোর মাধ্যমে প্রসেস করার কম্পিউটারকে ইতিমধ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটার Quantum Computer নামে ডাকা হয়।

binary বাইনারী

0 এবং 1 দিয়ে তৈরী নম্বর পদ্ধতিকে বাইনারী বলে। শূণ্য দিয়ে বন্ধ (OFF) এবং এক দিয়ে চালু (ON) বুঝায় তাই খুব সজেই অফ অনের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য অপারেশন করা যায়। এমন কি পৃথিবীর সব ভাষা, সব অডিও, সব ভিডিও বা নির্দেশকে বাইনারী পদ্ধতির মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। কম্পিউটারে আমরা যত ধরনের তথ্য দেখি সবই বাইনারী হিসাবে সংরক্ষিত আছে।

প্রসেসর রেজিস্টার, র‌্যাম, হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, প্যান ড্রাইভ, মেররী কার্ড ইত্যাদি সব মাধ্যমে শুধু মাত্র শূণ্য ও এক সংরক্ষিত হয়- আর কিছু না।

Wake-on-LAN ওয়াক অন ল্যান

ল্যান কার্ড থেকে প্রাপ্তা সিগন্যাল থেকে কম্পিউটার অন করার ব্যবস্থা। কিছু কিছু ল্যান কার্ড (এখন প্রায় সব ল্যান কার্ড) এটা সাপোর্ট করে।

অন্য কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভিন্ন কম্পিউটার চালু করতে হয়।

ADC এডিসি

ADC হলো Analog to Digital converter এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ADC এক ধরনের ইলেক্ট্রিক সার্কিট যা এনালগ সিগন্যাল কে ডিজিটাল সিগন্যালে পরিনত করে।

ধরুন মাইক্রোফোনে যে শব্দ প্রবেশ করছে তা এনালগ ডাটা এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে হলে প্রতিটি তরঙ্গের জন্য ডজিটাল ডাটায় পরিনত করে প্রবেশ করাতে হয়। একইভাবে ক্যামেরায় যে পরিমান আলো প্রবেশ করে তার তথ্যকেও একটি নির্দিষ্ট পরিমান আলোর জন্য নির্দিষ্ট র‌্যাঞ্জ ঠিক করে দিয়ে ডাটাটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিটি এনালগ ডাটার বিপরীতে ভোল্টেজ পরিমাপ করা হয় এবং নির্দিষ্ট ভোল্টেজের উপরে গেলে ১ এবং নিচে গেলে ০ হিসেবে মাপা হয়। এবং সহজেই ডিজিটাল ডাটায় পরিনত করে।

নিচের ছবিতে একটি সরল এডিসি দেখানো হলো ছবি উইকিপেডিয়া

Modularity মডুলারিটি

কম্পিউটার কম্পোনেন্টগুলোর বিভিন্ন অংশ খুলে লাগানো বা পরিবর্তন করার ক্ষমতাকে মডুলারিটি বলে। যেমন- ডেস্কটপ কম্পিউটারের মডুলারিটি ল্যাপটপের চেয়ে বেশি।

সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের এক একটা অংশ যা আলাদা করা যায় তাকে Modul বা মডিউল বলে। ইআরপি সফটওয়্যারে ডেভলপাররা এক এক করে ডেভলপ করে এবং এক একটা কমে মডিউল যোগ করে। আগের মডিউল ইতিমধ্যে কাজ করতে থাকে।

8, 16, 32, 64 bit Computer

কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রসেসর রেজিস্টার কতগুলো বিট নিয়ে কাজ করতে পারবে, মেমরী এবং প্রসেসরে কতগুলো বিট একসাথে পাঠালে সুবিধা হয় এবং প্রতিটি তথ্যের আকার বা এড্রেসিং এর সাইজ কতবিট হবে এটার উপর নির্ভর করে কাজ শুরু হয়।

তার মানে

  • Data Bus Width
  • Addressing Width
  • Register Data Width

এই তিনটির উপর নির্ভর করে কতগুলো বিট একসাথে একটি ইনস্ট্রাকশন তৈরী করবে তা তৈরী করা হয়। সহজভাবে যদি বলি কতগুলো অক্ষর মিলে একটা শব্দ হবে এমন। যেহেতু আগের কম্পিউটারের মেমরী ও প্রসেসরের গতি কম ছিল তাই সর্বোচ্চ ৮ বিট এর এক একটা ইনস্ট্রাকশন নিয়ে কাজ করতে পারতো।

এটা মনে রাখতে হবে যে প্রসেসর যদি ৩২ বিটের হয় সেক্ষেত্রে র‌্যামও ৩২বিট করে তথ্য সংরক্ষণ করবে। তাই আমরা এখন অনেক বেশি র‌্যামএর কম্পিউটার দেখে থাকি।

৮ বিটের জায়গায় ৬৪বিট হওয়াতে লাভ কি?

বড় বড় ইনস্ট্রাকশনসেট নিয়ে কাজ করতে পারছি। ইনস্ট্রাকশন হলো কম্পিউটারকে কোন কমান্ড দেওয়া। ৮ বিটের ক্ষেত্রে বড় কোন কাজকে ছোটকাজে ভাগ করে পাঠাতো এবং তা আবার এক করে প্রকাশ করা হতো।

Picture Source

Cloud Gaming ক্লাউড গেমিং

ক্লাউড গেমিং দারুন এক টেকনোলজী যেখানে গেমটি খেলা হবে সারভারে আর খেলোয়ার নিজের প্রান্ত থেকে কমান্ড দিবে শুধু – দেখবে শুধু। গেমিং কম্পিউটারের কনফিগারেশন কোন ব্যাপার হবে না তবে ইন্টারনেটের গতি এবং নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি ভাল থাকতে হবে।

ক্লাউড গেমিং এর আরেকটা সুবিধা একই সাথে টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ও ট্যাবে সিনক্রোনাইজ হবে। অসুবিধা নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি অনেক ভাল থাকতে হবে।

এই প্রযুক্তি খব একটা পুরতন না এবং ভবিষ্যতে অনেক গেমিং প্রতিষ্ঠানই হয়তো ক্লাউড গেমিং এ চলে আসবে।

Gaikai সর্বপ্রথম এই গেমিং শুরু করলেও এখন অনেকেই ক্লাউড গেমিং এ ঝুকছে। এই প্রতিষ্ঠান ২০১১ সালে শুরু করলে ২০১২ সালে সনি তা কিনে নেয় এবং প্লেস্টেশনে যোগ করে।

ছবি Cloudওয়ার্ডস

Accessibility একসেসিবিলিটি

কোন একটি ডিভাইজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হয় শারিরিক সমস্যাগ্রস্তরা কিভাবে এটা ব্যবহার করবে। যেমন- কোন একটি গাড়ীর ডিজাইন করলে ভাবতে হবে একটু উচু এবং একটু বেটেদের সুবিধা অসুবিধা। আবার রাস্তার কোন সাইনগুলো যাতে সবাই বুঝতে পারে এমন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ সবই একসেসিবিলিটি।

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে বা স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও একসেসিবিলিটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

একসেসিবিলিটি হার্ডওয়্যার বলতে বিশেষভাবে তৈরী কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে বুঝায়। কোন কোন কম্পিউটারে বড় লেখা অক্ষর ব্যবহৃত হয়। কিছু কীবোর্ডে f এবং j এ যে উচু ডট দেওয়া সেটা অন্ধ ব্যক্তি যাতে কোন কীতে হাত পড়েছে বুঝতে পারে সে জন্য দেওয়া।
বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস এ একসেসিবিলিটি অপশন রয়েছে।

Rendering রেন্ডারিং

ছবির ক্ষেত্রে

ছবি আঁকা বা থ্রিডি ছবির সফটওয়্যারে ছবির ডাটাগুলো মূলতঃ ইকুয়েশন আকারে থাকে যাতে যে কোন সময় তা পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু ছবিটি যদি আমরা যে কোন কম্পিউটারে বা ওয়েবে ব্যবহার করতে চাই তাহলে বিট আকারে সন্নিবেশ করে একটি ফাইল হিসেবে দেখতে হবে।

বিভিন্ন ছবি ইডিটিং এবং এনম্যাশন সফটওয়্যার বিভিন্নভাবে কাজগুলো করে এবং এক্সপোর্ট করলে সেটি র‌্যান্ডার করে নেয়। আমরা বলি র‌্যান্ডারিং।

ভিডিওর ক্ষেত্রেঃ

থ্রিডি ভিডিও গেমের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরেকটু জটিল। আমরা কোন একটি ভিডিও গেমে কাছের ও দূরের ছবিগুলো একরকম দেখি না। ধরুন কোন একটি গাড়ী রেসিং গেমে। দূরের ভবনগুলোর সব পিক্সেল আমাদের দেখার দরকার পরে না। কারন মনিটরে সবগুলো পিক্সেল আসবে না। আবার সামনের দিকের সবগুলো পিক্সেলই সঠিকভাবে দেখানোর প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে গ্রাফিকস কার্ড রিয়েলটাইম রেন্ডার করবে এবং প্রয়োজনীয় পিক্সেলগুলোই শুধু দেখাবে। ধারাবাহিকভাবে গাড়ীটি যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাদপড়া ভবনগুলোও সে মেমরী থেকে বাদ দিতে থাকবে।

অডিওর ক্ষেত্রেঃ

অডিওর ক্ষেত্রেও র‌্যান্ডারিং শব্দটি ব্যবহৃত হয়। অডিওতে বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করে এটি ফাইনাল এক্সপোর্ট করাকে র‌্যান্ডারিং বলে। মূলতঃ অডিও মিক্সার সফটওয়্যারগুলো মূল অডিও ডাটাগুলো নিয়েও যেভাবে কাজ করে এক্সপোর্ট ফাইলে তা থাকে না। শুধু আউটপুটটাই থাকে।

Learned From:

https://techterms.com/definition/rendering

https://en.wikipedia.org/wiki/Rendering_(computer_graphics)


Algorithm এলগরিদম

এলগরিদম হচ্ছে কোনো একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কতগুলি সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক ধাপের সমষ্টি। অ্যালগোরিদমের একটি শুরু ও শেষ আছে এবং এর ধাপ সংখ্যা অবশ্যই সীমিত হতে হবে।

কম্পিউটার,মানুষ, রোবট ইত্যাদি এলগরিদমের ধাপগুলো ধারাবাহিভাবে অনুসরণ করে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারে। মূলত আমরা নিয়মিত যে সকল কাজ করি সব গুলোই এক একটা এলগরিদম। গণিতের এক একটি সমস্যা সমাধানের জন্য আশ্রয় নিতে হয় এক একটি এলগরিদমের। যার এলগরিদম যত সুন্দর হবে তার সমাধান তত ভালো ও নির্ভুল হবে। একটা অংক করার প্রত্যেকটি ধাপ হচ্ছে এলগরিদমের এক একটি ধাপ।

লেখকঃ জাকির

সূত্রঃ টেকটিউনস

disk operating system ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম

ডজ (DOS) নামে পরিচিত ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম।  ১৬ বিট আইবিএম কম্পিউটারের জন্য মাইক্রোসফট এই অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৮১ সালে তৈরী করে। খুব ছোট আকারের এই অপারেটিং সিস্টেমে কমান্ড লেখার মাধ্যমে বেসিক কাজগুলো যেমন কোন প্রোগ্রাম খোলা বা বন্ধ করা, ফাইল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি কাজগুলো করতে পারে।

আমরা সাধারণত DOS বলতে MS DOS কেই বুঝি যদিও MS DOS ছাড়াও Apple DOS, DOS 360 ইত্যাদি বেশ কিছু ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম ছিল। মূলতঃ ছোট একটি ফ্লপি বা হার্ডডিস্কের মাধ্যমেই কম্পিউটার বুট করে অপারেটিং সিস্টেমটি দিয়ে কাজ করতে পারার কারনে এটিকে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বলে থাকে।

এটি আরো উল্লেখ্য যে, উইনডোজের আগের ভার্শণগুলো ডজ ভিত্তিক ছিল। তার মানে ব্যাক ইন্ডে ডজ চলতো এবং ডজ উইনডোজকে চালু করতো। পরে অবশ্য সরাসরি গ্রাফিক্যাল মুড চালু হয়।

এখনো উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কমান্ডপ্রোমোট Command Prompt হিসেবে ডজ কমান্ডগুলো উইনডোজে বসে কাজ করে।

3d Scanning থ্রিডি স্ক্যানিং

কোন বস্তুর তৃমাত্রিক অবয়ব স্ক্যান করাকে থ্রিডি স্ক্যানার বলে। থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে কোন বস্তুর সব দিক থেকে দূরত্বের ডাটা নিয়ে থ্রিডি ছবি তৈরী করে।

থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে  থ্রিডি ইমেজ তৈরী করা যায়। বাজারে বেশ কিছু থ্রিডি স্ক্যানার রয়েছে যা থ্রিডি মডেল তৈরী করতে পারে।

উল্লেখ্য বিভিন্ন থ্রিডি এনিমেশন মুভিতে থ্রিডি স্ক্যানারের বহুল ব্যবহার রয়েছে। এমন কি বিভিন্ন বাস্ত প্রানীর স্ক্যান করে সেটিতে মুভমেন্ট এমনভাবে করা হয় আপনার মনে হবে এটি সত্যিকারের প্রানী নরা চরা করছে। এমন কি মানুষের থ্রিডি স্ক্যান করেও মুভমেন্ট করানো যেতে পারে।

থ্রিডি প্রিন্টার উদ্ভাবনের কারনে খুব সহজেই কোন মডেল স্ক্যান করে তা প্রিন্ট করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ম্যাকানিক্যাল পার্টস নিজেই স্ক্যান ও ডিজাইন করে প্রিন্ট করা যাচ্ছে।

Picture

API এপিআই

এপিআই হল এ্যাপ্রিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস যার মাধ্যমে একটি প্রোগ্রাম আরেকটি প্রোগ্রামের সাথে কিছু ডাটা  শেয়ার করতে পারে ।

কোন একটি সফটওয়্যারের ডাটা অন্য সফটওয়্যারের দরকার হতে পারে। বিশেষ করে ওয়েব বেইজড প্রোগ্রামে কিছু তথ্য অন্য ওয়েবসাইটে পাঠানোর জন্য এ্পিআই ব্যবহার করা হয়। এপিআই কিন্তু হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রেও হতে পারে।

সহজ উদাহরণঃ

বাংলাদেশের এসএমএস পাঠানোর বা ব্যাংকের টাকার হিসাবের এ্পিআই সহজে দেখতে পাবেন। মোবাইল কম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনাকে API দিবে যা কানেক্ট করে আপনার ওয়েবসাইট থেকে মেসেজ পাঠাতে পারবেন।

সূত্রঃ http://apikothon.com

 

Autonomic computing অটোনমিক কম্পিউটিং

নিজে নিজে চলতে পারবে যে কম্পিউটার।

মানুষের হাত দিয়ে ইনপুট না নিয়ে নিজে নিজে নির্দেশনা নিবে এবং প্রয়োজনীয় কাজ করে যাবে এমন ধরনের কম্পিউটারকে অটোনমিক কম্পিউটার বলে। আইবিএম ২০১১ সালে এই কম্পিউটারের ধারণা দেয়।

কম্পিউটার পরিচালনার জন্য দক্ষ লোকবল দরকার এবং লোক না পাওয়াতে অনেক কাজ করা যাচ্ছে না। আর তাই অটোনমিক কম্পিউটারের প্রয়োজনীয়তা অনেক। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য কি ধরনের ইনপুট নেওয়া হয় তা সাধারণত সেন্সর বা অন্য কোন ডাটা থেকে নিতে পারলে অনেকটা সয়ংক্রিয় কম্পিউটার বানানো সম্ভব।

 

 

 

CDN Content Delivery Network কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক

বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত সারভারের মাধ্যমে ওয়েব কনটেন্ট যেমন- ছবি, ভিডিও বা ওয়েবপেজ ফাইল হোস্ট করাহয়। এই হোস্টিং কে কনটেন্ট ডেলিভারী সারভার বলে।

কোন একটি ওয়েবসাইটের ভিজিটর এক এক দেশ থেকে একসেস করতে পারে এক এক দেশে তার কাছের সারভার থেকে কনটেন্ট প্রদান করলে দ্রুত সাইট লোড হয় এ জন্য কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

কিভাবে কাজ করেঃ

কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক কোন ওয়েবসাইটের কপি বিভিন্ন সারভারে রাখে। সাইটটি যখন কোন ছবি কল করে এটি কাছের সারভারে রিডাইরেক্ট হয়।

Picture Source

AI Camera এআই ক্যামেরা

আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সের সাহায্যে ক্যামেরার সেটিংস এবং ধারণ করা ছবির রং এ পরিবর্তন আনা হয়। অটো মুড থাকলে কম আলোতে ক্যামেরার লাইট জ্বলে উঠতো। কিন্তু এআই থাকায় আইএসও এবং সাটার স্পিডও নিয়ন্ত্রণ করবে।

Picture Source: LG

এআই ক্যামেরা সিন ডিটেক্টও করবে অটোমেটিক। মানুষের মুখবয়বে সয়ংক্রিয় ফোকাস নিয়ে যাবে বা কোন টি গাছ পালা বা আকাশ তাও সে চিনে নিবে। দূরের গাছপালাকে এআই ক্যামেরা সাধারণত আরেকটু বেশি সবুজ করে দেয়। বা আকাশের মেঘের জন্যও আলাদা ইফেক্ট দেয়।

ইদানিং কালে এ আই স্মার্টফোনের ক্যামেরায ব্যবহৃত হচ্ছে।

সাফ কথা, ক্যামেরায় এআই সাধারণ মানুষকেও প্রোফেশনালের মতো ছবি তোলার সুযোগ করে দিচ্ছে। আবার ছবির ইফেক্ট দেওয়ার সফটওয়্যারের প্রয়োজনও কম পরছে।

তবে প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফারের বেশিভাগই ছবির ক্ষেত্রে এআই পছন্দ করে না। অনেক সময় মূল ছবি অনেকটাই পাল্টে দেয়। বর্তমান স্মার্টফোন ক্যামেরায় সেলফির ছবি তোললে যেমন মেকাপ দেওয়ার মতোই চেহারার দাগ দুর করে সুন্দর করে দেয়, যা অনেকের অপছন্দ। আবার গাছপালার ছবিতে অতিরিক্ত সবুজতাও অনেকের অপছন্দ।

Android এনড্রয়েড

এনড্রয়েড গুগল এর অপারেটিং সিস্টেম। এটি লিনাক্স কার্ণেলের উপর তৈরী ওপেনসোর্স অপারেটিং সিস্টেম। এখন মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং নানান ধরনের ডিভাইজ এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছে।

মূলতঃ এন্ডি রুবিন এবং আরো কিছু ইনভেস্টর মিলে ২০০৩ সালে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেন। সেই সময় নকিয়া ও কিছু ব্র্যান্ড সিমবিয়ান ও মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম মোবাইলে ব্যবহার করে। তারা দেখেন সেই সময়ের মোবাইলগুলোর ক্যামেরা অতটা ভাল না যতটা দরকার। ইউজার ইন্টারফেসও তেমন সুন্দর না। তাই মোবাইলের জন্যই এটি ডেভলপ করেন। তারা এন্ড্রয়েড ডেভলপ করতে টাকা পয়সার বেশ সমস্যায় পরেন এবং ইনভেস্টর হিসেবে কয়েকজন পেয়ে যান।

২০০৫ সালে সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি গুগল ৫০ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেন।  ডেভলপার ও শেয়ারহোল্ডাররাও গুগলে যোগ দেন। পরবর্তিতে বিভিন্ন স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার ও উন্নত করতে কাজে লেগে যায়। এখন চরম জনপ্রিয়তায় আছে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।

Thumbnail Picture Source

Boot বুট

কম্পিউটার চালু করা সুইচ চাপ দেওয়ার পর এটি মাদারবোর্ডের বায়োস এর মাধ্যমে সব ডিভাইজগুলোকে চেক করে। প্রতিটি ডিভাইজের তথ্য চেক করার পর অপারেটিং সিস্টেম খুজে সেটি চালিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়াকে বুটিং বলে। আমরা চালু হওয়াকে বুট হয়েছে বলি।

 

Magnetometer ম্যাগনেটোমিটার

আপনি যখন মোবাইলে ম্যাপের এপস ব্যবহার করেন তখন ম্যাপের দিক বুঝাতে ম্যাগনেটোমিটার ব্যবহৃত হয়। কম্পাসের এপসে মোবাইলটি ঘুরালেও কিন্তু দিকটি অপরিবর্তিত থাকে। আবার কিছু মোবাইল দিয়ে মেটাল ডিটেক্টর হিসেবে ব্যবহার করা যায় শুধু ম্যাগনেটোমিটারের কারনে।

ম্যাগনেটোমিটার মূলতঃ ম্যাগনেটিক ফিল্ড মাপা বা পরিবর্তন নির্দেশ করার যন্ত্র। কিন্তু মোবাইলের ম্যাগনেটোমিটার সেন্সর মূলতঃ কম্পাস ও দিক নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

পৃথিবী নিজেই একটি বড় চুম্বক আর তাই ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মাধ্যমে মোবাইলটি পৃথিবীর কোন দিকটিতে রয়েছে তা বোঝার জন্য ম্যাগনেটোমিটার ব্যবহার করা হয়।

Bezel বেজেল

Bezel Less শব্টা বেশি সোনা যায়। যার অর্থ মোবাইল ফোনের চার দিকের বর্ডার না থাকা বা একেবারে কম থাকা। অর্থাৎ স্মার্টফোনের স্ক্রিণের চারদিকের অংশটাকে বেজেল (উচ্চারণঃ ব্যাজেল) বলে থাকে।

মোবাইল ফোনের স্ক্রিণ বড় রাখা এবং সম্পূর্ণ মোবাইল ফোনটি ছোট রাখার প্রতিযোগিতায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কম পরিমাণ বেজেল রাখার চেষ্টা করে। অনেকে মোবাইল ফোন পছন্দের ক্ষেত্রেও বেজেলের পরিমানটা দেখে থাকে।

 

Ghost Touch ঘোস্ট টাচ

মোবাইল বা কম্পিউটারের টাচ স্ক্রিণ কখনো বা একা একা টাচ হওয়ার মতো কাজ করতে পারে। একে ঘোস্ট টাচ বলে। বিভিন্ন কারনে এটা হতে পারে। তার আগে একটু টাচ স্ক্রিণ সম্পর্কে জেনে নিলে ভাল হয়।

মানুষের হাতে নির্দিষ্ট পরিমান বিদ্যুৎ রয়েছে। টাচ স্ক্রিন এই বিদ্যুৎ সেনসেটিভ হয়ে থাকে এবং স্ক্রিনের বিদ্যুৎ হওয়ার সংকেত তারের মাধ্যমে মোবাইলে পৌছায়।

কোন কারনে যদি এরকম বিদ্যুৎ পায় তাহলে টাচ একা একা কাজ করছে বলে মনে হতে পারে।

  • মোবাইলে চার্জ লাগানো অবস্থায় এরকম হতে পারে।
  • মোবাইলের ভিতরে বা টাচ স্ক্রিণের উপরে বৈদ্যুতিক ফিল্ড বা ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারনেও হতে পারে।
  • টাচ স্ক্রিণ নস্ট হয়ে গেলে।

Accelerometer

উপর-নীচ বা ডান বামে যাওয়ার বেপারটা জানা যায় এসেলেরোমিটার থেকে। এটি মূলতঃ ত্বরণ পরিমাপ করে। আমরা জানি ত্বরণে দিক রয়েছে। অর্থাৎ, এক্স, ওয়াই, জেট তিন অক্ষে কোন দিক হতে কোন দিকে গেল তা জানা যায়।

স্মার্ট ফোনের এসেলেরোমিটার ফোনটির ডান বাম বা উপর নীচ অবস্থানের পরিবর্তন বুঝতে পারে এবং ইলেক্ট্রিক সিগন্যাল দেয় যা অনুসারে ফোনের সফটওয়্যার কাজ করে।

গেম খেলার জন্য বা ফোনের এপসগুলোর হরিজন্টাল বা ভার্টিক্যাল রেসপন্সিভ ব্যবহারের জন্য এসিলেরোমিটার প্রায় সব ফোনেই পাবেন।

এসিলারেশনের মাপ বুঝাতে মিটার পার সেকেন্ড পার সেকেন্ড m/s2 বুঝায়।

তার মানে, এক সেকেন্ড কোন বস্তুর গতি এক মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পেলে তাকে এক একক এসিলারেশন বলা হবে।

Gorilla Glass গরিলা গ্লাস

গরিলা গ্লাস এক ধরনের Toughened Glass । গ্লাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কর্নিঙ Corning এই নাম  দিয়েছে। বর্তমানে বিলিয়ন বিলিয়ন মোবাইল ডিভাইজের প্রোটেকটেড গ্লাস এটি ব্যবহার করছে। এছাড়াও ল্যাপটপ কম্পিউটার, ট্যাব, টেলিভিশন, গাড়ীর গ্লাস, ইলেকট্রিক চুলা ইত্যাদিতে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।

এলুমিনো সিলিকেট জাতীয় সীট দিয়ে পাতলা এই গ্লাস ব্যবহার করা হয়। সাধারণতঃ আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য এবং স্কেচ না পড়ার জন্য এই পাতলা সীট বেশ জনপ্রিয় হয়। তাছাড়া দেখতেও আকর্ষণীয়। এই গ্লাস টাচস্ক্রিণে ব্যহারের জন্য আরো কয়েকটি ভার্শণ পরিবর্তন করা হয় যাতে স্পর্শেও আরামদায়ক মনে হয়।

নিয়মিতভাবে কর্নি তাদের গরিলা গ্লাসের বিভিন্ন ভার্শণ বাজারে ছাড়ছে। আপনি বিভিন্ন ভার্শনে বিভিন্ন ধরনের এবং বিভিন্ন থিকনেসের গ্লাস পেয়ে থাকবেন।

NFC Near-field Communication

কাছাকাছি দুইটি ডিভাইজের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য NFC ব্যবহার করা হয়। এটি বেশ কয়েকটি প্রোটোকল মিলে কাজ করে।

ওয়্যারলেস ডিভাইজগুলো একেবারে কাছে অনেকটা লেগে থাকলে তারা যোগাযোগ করতে পারবে-এমন বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয়েছে। এর কারণ অনেকটা নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১৩.৫৬ মেগাহার্জ রেডিও ব্যান্ড ব্যবহার করে যোগাযোগটা হয়ে থাকে।

কিছুদিন মোবাইল পেমেন্ট সিস্টেম বা কাছাকাছি দুইটি ডিভাইজের মধ্যে ফাইল আদান প্রদানের জন্য NFC বেশ ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এখন অবশ্য এটির জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে।

Apple Pay, Android Pay ইত্যাদি সার্ভিস সাধারনতঃ NFC এর ই ব্যবহারিক দিক।

Image Stabilization ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন

ক্যমেরার মুভমেন্টের কারনে বা চলন্ত অবস্থায় ছবি তোলা বা ভিডিও করার সময় ফোকাসের পরিবর্তন হতে পারে। ধরুন ফোকাসটি দুর থেকে কাছে বা কছ থেকে দুরে চলে যেতে পারে। এসময় যে অংশটি ফোকাসে আনতে চাচ্ছেন তা ব্লার বা ঝাপসা দেখাতে পারে।

Image Stabilization ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন টেকনিকের মাধ্যশে এটা কমিয়ে আনা যায় বা খুব দ্রুত ফোকাসটি ঠিক করা যায়। অনেক ক্যামেরা ও মোবাইলের ক্যামেরাতে এই টেকনোলজী ব্যবহার হয়। যারা ভিডিও করার জন্য মোবাইল বা ক্যামেরা কিনবেন তাদের জন্য ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন খুবই দরকারী।

ছবি সূত্রঃ উইকিপেডিয়া

অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (Optical Image Stabilization)

OS, OIS, OS বিভিন্ন নামে বলা হয়। এই টেকনোলজী ক্যামেরার ল্যান্সে ব্যবহার করা হয়। কোন ছবির উপর ফোকাস পড়লে এটি ফোকাসটিকে ঠিক করে নেয়। এক্ষেত্রে কোন কোন ক্যামেরায় ল্যান্স আবার কোনটায় সেন্সর জায়গা পরিবর্তন করে ঠিক করে নিতে পারে।

বিভিন্ন ক্যামেরায় বিভিন্নভাবে এটিকে বুঝিয়েছে যেমন-

Nikon-Vibration Reduction (VR)

Cannon-Image Stabilizer (IS)

Konica Milonta– Anti-Shake (AS)

Sony– SteadyShot (SS), Super SteadyShot (SSS), SteadyShot INSIDE (SSI)

PureView– Nokia (প্রথম মোবাইল ফোন ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন)

Notch নচ

স্মার্টফোনের উপরে স্বাধারনত ক্যামেরা, স্পিকার এবং সেন্সর থাকে। তাই ফোনটির ডিসপ্লের উপরের অংশে কিছু জায়গা রাখতে হয়।

নচ আইডিয়ার কারনে এই জায়গার পরিমানটা কমিয়ে আনা যায়। ক্যামেরার অংশটি বাদ দিয়ে ঘেরাও করে বাকি জায়গাটা ডিসপ্লে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। এরকম ডিসপ্লেকে নচ বলে।

সর্বপ্রথম নচের এই আইডিয়াটা আনে এসেনসিয়াল ফোন। পরে আইফোন এবং অন্যান্যরা ব্যাপকভাবে এটা ব্যবহার করা হয়।

Ambient Light Sensor এ্যামবিয়্যান্ট লাইট সেন্সর

আলোর উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে ডিসপ্লের আলো কমানো বা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় Ambient Light Sensor (এ্যামবিয়্যান্ট লাইট সেন্সর)।

মানুষের চোখ আল্লাহর রহমতে বেশ দারুন ভাবে এডজাস্ট করে নেয় ঘরের আলোর সাথে। আপনি যদি বেশি আলো থেকে হঠাৎই কম আলোতে প্রবেশ করেন তখন দেখবেন অন্ধকার মনে হচ্ছে। কিছু সময় পরেই চোখ এডজাস্ট করে নেয় এবং ঠিক মতো দেখতে পান।

স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ঘরের আলো মেপে তার উপর ভিত্তি করে যাতে স্ক্রিনের উজ্জলতা কমাতে বাড়াতে পারে যাতে করে-

  • আপনার চোখেরও সমস্যা হলো না।
  • বিদ্যুৎ খরচও কম হলো।
  • দেখতেও ভাল লাগলো।

মোট কথা-অন্ধকার ঘরে যখন আপনি মোবাইল ব্যবহার করবেন তাতে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিবে। বেশি উজ্জল স্থানে ব্রাইটনেস বাড়িয়ে দিবে যাতে স্ক্রিন ঠিকমতো দেখতে পারেন। ধারাবাহিকভাবে সে বিভিন্ন আলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এখন প্রায় সব স্মার্ট ফোনে এ সেন্সরটি থাকে। তারপরেও মোবাইল কেনার সময় দেখে নিতে পারেন।

 

Anty-Glare এন্টি-গ্ল্যায়ার

মনিটরের উপর সূর্যের আলো এসে পড়লে বিরক্ত লাগতে পারে। কাজ করতেও অনেক সময় সমস্যা হয়। সরাসরি সূর্যের আলোর বিপরীতে কাজ না করলে অবশ্য এ সমস্যা হয় না। মনিটরের এখন এন্টি গ্ল্যায়ার প্রোটেকশন ব্যবহার করা হয়।

আপনি ইদানিং কালে কোন ল্যাপটপ বা মনিটর কিনতে গেলে হয়তো এই টার্মটি শুনতে পারেন।

High Dynamic Range – HDR হাই ডায়নামিক র‌্যাঞ্জ

আমরা কোন ছবির অতি উজ্জল অংশ এবং কম উজ্জল অংশ যেভাবে দেখতে পাই, ছবিতে সাধারনতঃ তেমনটা দেখি না। প্রিন্টের উদ্দেশ্য তোলা ছবিগুলোতে সাধারনতঃ উজ্জলতার এই মাপ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

কিন্তু HDR টেকনোলজী ব্যবহার করে অনেক বেশি র‌্যাঞ্জের লুমেনের ছবি একই রকম তোলা হয়। ফলে ছবিটি আরো জীবন্ত হয়ে ওঠে। অন্ধকার অংশ আরো বেশি অন্ধকার বা কোন ছায়ার অংশ বাস্তবে যেমনটা ঠিক তেমন করো তোলা সম্ভব হয়।

অনেক ক্যামেরাতেই HDR ছবি তোলা যায়। ক্যামেরা কেনার সময় এটা দেখে নিতে পারেন। উইকি পেডিয়ার এই ছবিটি উদাহরণ।

Recruitment Scam রিক্রুটমেন্ট স্ক্যাম

চাকরী প্রার্থীকে ভাল বেতনের চাকরীর লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি এটা। অনলাইনে চাকরীর বিজ্ঞাপন দেখে অনেকে আবেদন করেন এবং তাদেরকে ভূয়া অফারলেটার পাঠানো হয়।

ভিসা বা অন্য প্রসেসিং ফি বাবদ একটা টাকা ধার্য করা হয় এবং দিতে বলা হয়।

এধরনের কাজে সাধারনতঃ কোন একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ও তাদের লগো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এবং প্রায় একই ধরনের ডোমেইন বা ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চাকরী প্রার্থী বুঝতেই পারে না যে এটা অন্য কেই পাঠিয়েছেন।

Backdoor ব্যাকডোর

প্রগামাররা কোন একট সিস্টমের ভিতরে প্রবেশের জন্য এমন কিছু কোড রেখে দিলো যাতে ভবিষ্যতে সিস্টেমে তারা প্রবেশ করতে পারে।

কোন একজন ওয়েব ডেভলপার বা কোন সফটওয়্যার ডেভলপার এমন কোন কোড দিয়ে রাখতে পারেন যাতে সেই ওয়েবে বা সফটওয়্যারের এডমিন প্যানেলে সে প্রবেশ করতে পারেন।

এটা যে শুধু মাত্র ডেভলপারই করতে পারে তা কিন্তু না। এমন অনেক ওয়েবস্ক্রিপ্ট রয়েছে- আপনি হয়তো তা ফ্রি দেখে সারভারে আপলোড করলেন, কিন্তু সেটার ভিতরে ব্যাকডোর রয়েছে। ডেভলপার আপনার সারভার রিসোর্স ব্যবহার করে হয়তো তার নিজের কোন কাজ করবেন।

Boot Sector বুট সেক্টর

কম্পিউটার চালু হওয়ার বা বুট হওয়ার জন্য এটি ফ্লপি বা হার্ড ডিস্কের তথ্য খোজে। বুট হওয়ার তথ্যগুলো যে অংশ থাকে তাকে বুট সেক্টর বলে।

আইবিএম কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের বুট সেক্টর থাকতে পারে। তবে, সাধারনতঃ Master Boot Record (MBR)   এ বুট ইনস্ট্রাকশন থাকে। এটি হার্ডডিস্কের প্রথম পার্টিশন। এখানে অন্য পার্টিশনের প্রথম অংশের তথ্যগুলোও (VBR) থাকে।

 

Geotagging জিওট্যাগ

কোন ছবির সাথে ভৌগলিক লোকেশন যুক্ত করাকে বলে। কোন একটি ছবির Properties দেখলে সেটা বুঝতে পারবেন।

ইদানিং বিভিন্ন ক্যামেরা ও ফোনে GPS অন করা থাকলে সয়ংক্রিয়ভাবে লোকেশনের অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশের মান চলে আসে। আবার ছবিটি ম্যাপে আপলোড করলে সেই ম্যামের আংশে সহজেই বসে যেতে পারে।

সামাজিক নেটওয়ার্কে আপলোড করলেও সহজেই ছবিটির অবস্থান প্রকাশ পায়।

ফাইল সিস্টেম File System

ফাইল কিভাবে মেরীতে সংরক্ষণ করা হবে তার পদ্ধতি। হার্ডডিস্ক বা মেমরীকার্ড বা ডিভিডি ডিস্কে ফাইল সংরক্ষণ করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে যাতে সেটি কম্পিউটার আবার উদ্ধার (Read) করতে  পারে।

বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে ফাইল সিস্টেম নির্ধারণ করা হয়। ফাইল সাইজ বড় হলে এটিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে মেমরীতে সংরক্ষণ করতে হবে। এবং ফাইলগুলোর এড্রেস ধরে কল করতে হবে। তাই বেশি ছোট ভাগে ভাগ করলে আবার বেশি লিংক তৈরী হবে।

উইনডোজের আগের ভার্শনে FAT 32 ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করা হতো। এখন বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে NTFS

লিনাক্সে Ext4 ব্যবহার হচ্ছে বেশি।

আবার একই নামের ফাইল যাতে না হয় সেই দিক খেয়াল করতে হয়। এজন্য ডিরেক্টরীর মাধ্যমে ভাগ করার পদ্ধতি আরো সুবিধা দিয়েছে। এই সবই ফাইল সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্ধারিত।

পার্টিশন করার পর আমরা যখন হার্ডডিস্ক ফরমেট করি তখনই মূলতঃ ফাইল সিস্টেম তৈরী হয়।

Daemon ডেমন

ব্যবহারকারীর কমান্ড দেওয়া ছাড়াই যে সব প্রোগ্রাম ভিতরে ভিতরে চলতে থাকে তাকে ডেমন বলে।

ইউনিক্স এর মতো অপারেটিং সিস্টেম যেমন লিনাক্সে এ শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন সার্ভিস কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই চলতে থাকে এবং সার্ভিস দিয়ে যেতে থাকে।

যেমন- কোন একটি ওয়েব সার্ভার সয়ংক্রিয় ভাবে HTTPD সার্ভিস চালু হয় এবং সার্ভিস দিয়ে যায়।

লিনাক্সে তিন ধরনের প্রসেস দেখতে পাই

ইন্টারেকটিভ- ইউজার যে কমান্ড দেয়।

ব্যাচ- নির্দিষ্ট সময় চালু হওয়া কমান্ড।

ডেমন- অপারেটিং সিস্টেম নিজে নিজে যে প্রসেস চালু করে।

Death Pixel ডেথ পিক্সেল Stuck Pixel স্টাক পিক্সেল

কম্পিউটার বা মোবাইল বা অন্য ডিভাইজের এলসিডি ডিসপ্লের কোন একটি পিক্সেল যদি আলোকিত না হয় তবে আমরা তাকে ডেথ পিক্সেল বলি।

সাদা স্ক্রিনে সহজেই ডেথ পিক্সেল বের করা সম্ভব হয়। সাধারনত ডেথ পিক্সেল সমস্যা দেখা দিলে সারানো যায় না। আপনার ডিভাইজে এরকম হলে এবং ওয়ারেন্টি থাকলে ডিভাইজটি বা স্ক্রিনটি ভেন্ডর পাল্টে দিবে।

স্টাক পিক্সেলের ক্ষেত্রে এটি হয়তো কোন নির্দিষ্ট রঙের হয়ে যায়।

Cron Job ক্রন জব

নির্দিষ্ট সময়ে কোন কমান্ড কাজ করার জন্য লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে ক্রনজব ব্যবহার হয়।

crontab কমান্ডের মাধ্যমে ক্রনজব সিডিউল করা হয়।

ক্রনট্যাব ইডিট করার জন্য crontab -e কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

সেখানে সময় উল্লেখ করে কমান্ড লিখে দিলে সেই সময় পর পর কমান্ডটি এক্সিকিউট হবে।

অনেক সময় ব্যাচ ফাইল রান করার কমান্ড লিখে দেওয়া হয় ফলে কমান্ড সমস্টি উক্ত সময় পরপর চালু হয়।

Batch File ব্যাচ ফাইল

ব্যাচ ফাইলের মধ্যে একের পর এক কমান্ড দেওয়া থাকে। কম্পিউটার একটির পর আরেকটি কাজ শুরুর নির্দেশনা দেওয়ার জন্য কমান্ডগুলো লিখে দেওয়া হয়।

লিনাক্স সিস্টেমে সাধারনত এরকম ফাইল তৈরী করে .bat হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট সময় এই কমান্ডগুলো চালনার জন্য ব্যাচ ফাইল চমৎকার সুবিধা দিয়ে থাকে।

ধরুন নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যাকআপ নেওয়া দরকার। বা কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার পর কিছু প্রোগাম চালু করার বা কিছু কমান্ড চালনার জন্য কমান্ডগুলো লিখে চালু করা হয়।

আবার অনেকসময় কোন সফটওয়্যার বা সার্ভিস ইনস্টল করার জন্য অনেকগুলো কমান্ড দরকার হলে একটি বড় ব্যাচ ফাইলে তা লেখা হয় এবং সেটি রান করলেই সার্ভিসগুলো একটিভ হয়ে যায়।

AP Isolation এপি আইজোল্যাশন

ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট (AP) নেটওয়ার্কের ওয়্যারলেস হটস্পটের মতো কাজ করে। যার মাধ্যমে আপনি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত হন।

ওয়াইফাই রাউটার বা একসেস পয়েন্টটি কিন্তু একইভাবে আপনার অন্যান্য কম্পিউটারের তারের নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। এখন আপনার তারের নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের ডিভাইজসমুহ যুক্ত হওয়া কে AP Isolation বলে।

এটি Enabled থাকলে যুক্ত হতে দিবে আর Disabled থাকলে যুক্ত হতে দিবে না।

এখনকার অনেক একসেস পয়েন্টেই ডিফল্ট Disabled থাকে। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক অনেক সময় অনিরাপদ ডিভাইজগুলো কানেক্ট করতে দেওয়া হয়। ধরুন আপনার কোন অতিথি আসলো তাকে ব্যবহার করতে দিলেন। সে কিন্তু অন্য ডিভাইজে ঢুকে পরতে পারে। বা ভাইরস ছড়াতে পারে।

 

Thin Client থিন ক্লাইন্ট

খিন ক্লাইন্ট একটি কম্পইউটারের ডিসপ্লে, কীবোর্ড এবং মাউস ইন্টারফেসসহ একটি ডিভাইজ যা সারভারের একটি ইনস্ট্যান্স ক্লাইন্ট হিসেবে কাজ করে। একধিক থিন ক্লাইন্ট একটি সারভারে বসে কাজ করতে পারে।

কোন একটি অপারেটিং সিস্টেমের ভিন্ন ভিন্ন ইউজার যেমন নিজেদের এবং কমন ফাইল নিয়ে কাজ করতে পারে বেপারটা এমন হয়।

আসলে থিন ক্লাইন্ট কোন একটি কম্পিউটার না। এটি মূলতঃ সারভারের রিসোর্সগুলোতেই কাজ করে। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারভারে যুক্ত হয় এবং সব তথ্য সারভারেই জমা হয়।

Picture Source

থিন ক্লাইন্ট কেন ব্যবহার করা হয়-

  • যেহেতু একই সারভারে অনেকে কাজ করে তাই কম প্রসেসিং স্পিড পাওয়া যায়। আর তাই যারা সুনির্দিষ্ট অল্প কাজ করে বা কোন নির্দিষ্ট এপ্লিকেশনে কাজ করে তাদের জন্য থিন ক্লাইন্ট।
  • থিন ক্লাইন্টের দাম তুলনামূলক সস্তা।
  • কম বিদ্যুৎ খরচ এবং রিপেয়ারের প্রয়োজন হয়।
  • বেশ নিরাপদ কারন সব তথ্যই সারভারে সংরক্ষিত থাকে। আর ইউজার চাইলেই কোন সফটওয়্যার ইনস্টল বা সিস্টেমের পরিবর্তন করতে পারে না।

 

DOS Disk Operating System

DOS (Disk Operating System)

মাইক্রোসফটের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কমান্ডলাইন অপারেটিং সিস্টেম। মূলতঃ একটি ফ্লপি ডস্কে ১.৪৪ মেগাবাইটে একটি অপারেটিং সিস্টাম ধারন করা যেত তার তাই এটিকে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেমে শুধুমাত্র কমান্ডলাইন লিখে কাজ করা যায়। পরবর্তিতে উইনডোজ ৯৫ এবং ৯৮ অপারেটিং সিস্টেম এই DOS এর উপর চলতো। তার মানে প্রথমে DOS চালু হতো।

এর পরের ভার্শনগুলোতে Command Prompt নাম দিয়ে এই অপারেটিং সিস্টেমের অনেক অংশই রয়ে গেছে।

Downtime ডাউনটাইম

যখন কানেকশন, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর কোন কারনে সারভার/নেটওয়ার্ক লিংক বন্ধ থাকে সেই সময়কে ডাউনটাইম বলে থাকে। আপনি কোন ইন্টারনেট কানেকশন নেওয়ার ক্ষেত্রে আইএসপিকে মাসিক সবোর্চ্চ ডাউনটাইম জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন। বা আগের ৩ মাসের ডাউনটাইম চেক করে দেখে নিতে পারেন। এ থেকে তাদের সার্ভিস সম্পকে ধারণা পেতে পারেন। আবার হোস্টিং সারভারের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানের ডাউন্টাইম চেক করে নিতে পারেন। অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রাফের মাধ্যমে তাদের ডাউনটাইম হিসাব সংরক্ষণ করে যা পরবর্তিতে নতুন কাস্টমার পেতে সহায়ক হয়। কাস্টমারের জন্যও কানেকশন /সার্ভিস নিতে সুবিধা হয়। যদি কোন আইএসপি ১% ডাউনটাইম বলে থাকে তাহলে মাসিক আপনি ৭ ঘন্টা ডাউনটাইম হলেও আইএসপিকে কিছু বলতে পারবেন না। যেহেতু এটি তার প্রতিশ্রুত ডাউনটাইমের মধ্যেই পরে।

Uptime আপটাইম

সর্বশেষ কতসময় ধরে সারভার বা নেটওয়ার্কে কোন সমস্যা হয় নি বা ডাউন টাইম হয় নি সেই সময়কে আপটাইম বলে।

Data Center ডাটা সেন্টার

 

সারভার, রাউটার, সুইচ ইত্যাদি একসাথে যে প্রয়োজনীয় পরিবেশে রাখা হলে তাকে ডাটা সেন্টার বলা হয়ে থাকে।

সাধারনতঃ ডাটা সেন্টারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। তাছাড়া সারর্বিক বিদ্যুৎ ও নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট কানেকশন এর ব্যবস্থা থাকে। সারভারগুলো র‌্যাকের মধ্য সন্নিবেশিত থাকে।

অধিকাংশ বড় ডাটা সেন্টারই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সারভার ভাড়া দেয় যাকে আমরা হোস্টিং ডাটা সেন্টার বলতে পারি। আবার আইএসপি তাদের ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজের জন্যও ডাটা সেন্টার প্রয়োজন হতে পারে। আবার অনেক গ্রুপ প্রতিষ্ঠান নিজেদের এপ্লিকেশন চালানোর জন্য নিজস্ব ডাটাসেন্টার তৈরী করে নেয়।

Blockchain ব্লকচেইন

ব্লকচেইন ধারাবিহকভাবে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত রেকর্ড তালিকা যেখানে প্রতিটি ডাটা হ্যাস এ তার আগের ডাটার লিংক থাকে। ডাটাটি কখন মডিফিকেশন করা হয়েছে এবং ট্রানজেকশন ডাটাও থাকে। আর এই তথ্য এনক্রিপ্ট করা থাকে।

এই পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণে চমৎকার সব সুবিধা পাওয়া যায় তা রেকর্ডটি উম্মুক্ত করে দিলেও চাইলেই কেউ এটা পরিবর্তন করতে পারবে না।

কোন ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটায় একাধিক জায়গা থেকে আপডেট করার ক্ষেত্রে সুবিধা দেয় ব্লক চেইন।

ব্লকচেইন নির্দিষ্ট সময় পর সবগুলো সারভারের সাথে সিনক্রোনাইজেশন করে। ব্লকচেইন টেকনোলজীর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডাটাবেজ ডিস্ট্রিবিউটেড প্লাটফর্মে রাখা যাচ্ছে এবং একই সময় ডাটা আপডেট করতে পারছে অনেকে। নির্দিষ্ট সারভারে হোস্ট না করার কারনে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মি থাকতে হচ্ছে না।

ব্লক চেইন ব্যবহার করে বিটকয়েন একটি উম্মুক্ত মুদ্রা আদান-প্রদান ব্যবস্থা চালু করে দিয়েছে যার মাধ্যমে ডাবল স্পেন্ডিং সমস্যার সমাধান আছে। আবার কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে জিম্মিও থাকতে হচ্ছে না।

AWS – Amazon Web Service

আমাজন ওয়েব সার্ভিস বুঝায়।
আমাজনের বিভিন্ন সার্ভিস থাকলেও মূলতঃ আমাজনের কনটেন্ট ডেলিভারী নেটওয়ার্ক CDN ব্যবহারকে অনেকে বুঝে থাকে। এর মাধ্যমে আমাজনের সারভারে কনটেন্ট হোস্টিং করা হয় এবং ব্যবহারের উপর টাকা পে করা হয়। অনেকেই তার ওয়েবসাইটের ছবি আমাজনে হোস্ট করে।
আবার হঠাৎ অনেক ট্রফিক দরকার হয় এমন ওয়েবসাইটের জন্য আমাজনের সার্ভিস চমৎকার কাজ করে। কারন এটি বিভিন্ন সারভারে কনটেন্টগুলো ভাগ করে রাখে আর তাই অনেক বেশি ভিজিটরেও সমস্যা হয় না।

Double-Spending ডাবল স্পেন্ডিং

ডিজিটাল টাকার দুইবার ব্যবহারের ঝুকিকে ডাবল স্পেন্ডিং বলে। কাগুজে টাকা বা সোনার টাকা সহজেই দৃইবার ব্যবহার করা সম্ভব না। কারন এটা যার হাতে থাকবে তার কথা বলবে। কিন্তু ডিজিটাল টাকা ছাপানো সহজ। শুধু কপি করলেই চলবে।

আর ডিজিটাল টাকা যে আপনার এটিএম কার্ডেই থাকে তা কিন্তু না। অনেক ওয়েবসাইটেও ব্যালেন্স এড করে রাখা যায়। তারা ইতিমধ্যে Double-Spending করছে।

ডাবল স্পেন্ড যাতে না হয় তার জন্য আমাদের বিশ্বস্ত কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে যেতে হচ্ছে। আর সেই প্রতিষ্ঠানকে চার্জও দিতে হচ্ছে। প্রতি ট্রানজেকশনে ১% খরচ হলে ১০০ ট্রানজেকশনে সম্পূর্ণ টাকার সমানই চলে যাচ্ছে এই সব প্রতিষ্ঠানের হাতে। কি ভয়ানক!

এই ডিজিটাল টাকার এই সমস্যাকে দূর করতে নতুন পদ্ধতি Bitcoin বা তার মতো অনেক সার্ভিস বাজারে চলে এসেছে।

আরো পড়ুন ব্লকচেইন

Blade Server ব্লেড সারভার

র‌্যাক মাউন্ট সারভারকে (Rack Server) অনেকসময় ব্লেড সারভার বলা হয়। সারভার র‌্যাক এর মধ্যে অনেকগুলো সারভার ধাপে ধাপে রাখার ক্ষেত্রে ব্লেড সারভার বেশ সুবিধাজনক।

তাছাড়া ব্লেডের মতো করে কোন একটি সারভার র‌্যাক থেকে বের করে কাজ করা যায় বলে হয়তো এই র‌্যাক মাউন্ট সারভারকে ব্লেড সারভার বলা হয়ে থাকে।

একটি র‌্যাকে অনেকগুলো ব্লেড সারভার রাখা যায়। এক একটি সারভারের মাপ U দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 42U একটি র‌্যাক যা ৭ফুট উচ্চতার হয় তাতে সবোর্চ্চ একুশটি 2U সারভার রাখা যায়।

Refurbish রিফারবিশ

Refurbish (রিফারবিশ) কোন কম্পিউটার বা পন্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যা নতুন নয়।

  • অনেকসময় কোন পন্য বিক্রি না হলে সেটি অনেকদিন প্রতিষ্ঠানে পড়ে থাকলে সেটি আবার টেস্ট করে বিক্রি উপযোগি যাচাই করে রিফারবিশ হিসেবে বিক্রি করা হতে পারে।
  • কোন একটি পন্য বিক্রির পর নষ্ট হলে সেটি ঠিক করে অন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি করা পণ্যকে রিফারবিশ বলা হতে পারে।
  • কোন একটি কম্পিউটারের একটি অংশ নষ্ট হলে তার অন্য ভাল অংশও বিক্রি করা হতে পারে। এক্ষেত্রে এই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশকে রিফারবিশ বলা হবে।

ইকমার্স ওয়েবসাইটে প্রতিটি পন্যের ক্ষেত্রে সাধারনতঃ তিন ধরনের ক্যাটাগরি দেখা যায়- New (নতুন), Refurbish (রিফারবিশ), Used (ব্যবহৃত)

 

Crosstalk ক্রসটক

ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক কারনে বা অন্যকারনে কানেকশন উল্টাপাল্টা হয়ে গেলে একজন ভিন্নজনের কাথা শুনতে পায়। অনেকসময় অন্য কথা না সুনে কথা কেটে কেটে যেতে পারে। এরকম অবস্থাকে ক্রসটক বলে।

ওয়্যারলেস কানেকশনের ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস চ্যানেল পরিবর্তিত হয়ে গেলে আপনি অপরিচিত লোকের কথা সুনে পারেন। এটাকে Crosstalk ক্রসটক বলে।

Digital Footprint ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট

আপনি যখন কোন একটি ওয়েব সাইটে ভিজিট করেন বা কোন একটি ইমেইল পাঠান বা আপনি হয়তো ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস লিখলেন, টুইটারে টুইট করলেন। ব্রাউজারে কোন একটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেন অথবা কথা বললেন স্কাইপে।

প্রতিদিনের অনলাইন কার্যক্রমে আপনি যে ছাপ রেখে গেলেন ইন্টারনেট দুনিয়ায় তা হয়তো কখনো মুছতে পারবেন না। আপনি মুছে দিলেও তা থেকে যেতে পারে। এটাই আপনার অনরাইন দুনিয়ায় আপনার পায়ের ছাপ। ডিজিটার ছাপ তথা ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট (Digital Footprint)

ছবি

Whitelist হোয়াইটলিস্ট

বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির তালিকাকে হোয়াইটলিস্ট বলে। কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও একইরকম অর্থ প্রদান করে। কোন একটি সারভার যারা নির্দিধায় একসেস করতে পারবে তাদের তালিকাকে হোয়াইটলিস্ট বলে। কোন একটি সারভারে হোয়াইটলিস্ট ক্লাইন্টদের আইপি তালিকা থাকে।

 

Face ID ফেইস আইডি

এপল এর ফেইস ডিটেকশন টেকনোলজী। ২০১৭ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর এপল আইফোন এক্স এর মাধ্যমে ফেইস আইডির পরিচয় করিয়ে দেয়। মূলতঃ চেহারা ডিটেক্ট করে লক খোলার জন্য ফেইসআইডি ব্যবহার করা হয়।

আইফোন এক্স এ টাচআইডি ব্যবহার না করে ফেইসআইডি ব্যবহার করা হয়।

টেকনোলজীঃ

ডেপ্থ ক্যামেরা নিজেই ফেস ডিটেক্ট করতে পারে। তবে কাজটি দ্রুত এবং সূক্ষভাবে করার জন্য এপল একই সাথে ক্যামেরা এবং প্রজেক্টর ব্যবহার করেছে। প্রথমে ক্যামেরাটি চেহারার উপস্থিতি নিশ্চিত করে এবং পরে প্রোজেক্টর ৩০,০০০ এর মতো চেহারার ডট গ্রহন করে।

ইনফ্রা রশ্নির মাধ্যমে চেহারা আলোকিত করা হয় যে আলো মানুষের চোখ দেখে না। 2D ছবি এবং ডেপ্থ ম্যাপ প্রেরণ করা হয় সিকিউর ইনক্ল্যাভ এ এবং ফেস আইডিটি চেক করা হয়।

সিকিউর ইনক্ল্যাভ (Secure Enclave)

সিকিউর ইনক্ল্যাভ (Secure Enclave) এপলের একটি চীপ যাতে টাচ আইডি অথবা ফেইস আইডি এনক্রিপ্ট অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়।

POE- Power Over Ethernet পিওই- পাওয়ার ওভার ইথারনেট

ইথারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে ডাভাইজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ব্যবস্থাকে Power Over Ethernet বলে। সাধারনতঃ ৫ থেকে ২৪ ডিসি ভোল্ট বিদ্যুৎ পিওই ডিভাইজের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

বর্তমানে পিওই অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি। কারন ডিভাইজে আলাদা তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বেশ ব্যয় সাপেক্ষ এবং ঝামেলার। ধরুন আপনার ১০০টি আইপিফোন বা আইপি ক্যামেরা রয়েছে যেগুলো NON POE এগুলোতে আপনাকে আলাদা পাওয়ার এডাপ্টার দিয়ে বিদ্যুৎ দিতে হবে আবার নেটওয়ার্ক ক্যাবল দিয়েও কানেক্ট করতে হবে। এই ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে আপনি যদি POE ENABLED CAMERA কিনেন তাহলে শুধু নেটওয়ার্ক ক্যালের মাধ্যমেই POE SWICTH থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারেন।

POE IN

নেটওয়ার্ক ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ গ্রহণ করার জন্য ডিভাইজে যে পোর্ট থাকে তাকে POE IN বলে। অর্থাৎ কোন ডিভাইজ যেমন সুইচে যদি POE IN পোর্ট থাকে তাহলে এই পোর্ট দিয়ে সুইচে পাওয়ার দেওয়া যাবে।

POE OUT

এই পোর্টের মাধ্যমে অন্য ডিভাইজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। যদি কোন সুইচে POE OUT পোর্ট তাকে সেই পোর্টের সাথে কোন POE সাপোর্টেড ডিভাইজ যেমন আইপি ফোন বা আইপি ক্যামেরা যুক্ত করলে এটি পাওয়ার পাবে।

POE Device

যেসব ডিভাইজ POE এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেওয়া যায় সেইসব ডিভাইজ কে POE Device বা POE  Enabled Device বলে।

সাধারনতঃ কম বিদ্যুৎ দিয়ে চলতে পারে এমন ডিভাইজগুলো POE সাপোর্টেড হয়।

 

 

Chatbot চ্যাটবট

মানুষের কথার বা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান সাপোর্টে লোক রাখেন। যারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকেন। তো সাপোর্টের ব্যক্তিটি কিন্তু প্রায় একই ধরনের সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকেন।

যদি আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ব্যবহার করে তাদের সমস্যা এবং তার উত্তর চ্যাটিং এ দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে অনেক কম লোক অনেক বেশি সাপোর্ট দিতে পারে। আর এ জন্যই চ্যাটবট chatbot.

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তার নিজের প্রয়োজন অনুসারে চ্যাটবট বানিয়ে থাকে যার মাধ্যমে কাস্টমারের সাথে চ্যাটিং করবে। প্রশ্ন করলে উত্তর দিবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ব্যবহার করে এই বট তৈরী করা হয় এবং দিন দিন এটি আরো বেশি উন্নততর হবে সয়ংক্রিয়ভাবে।

 

File Descriptor ফাইল ডিসক্রিপ্টর

প্রতিটি ওপেন ফাইলের ইউনিক ঠিকানা যা অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করে দেয়। এই নম্বরের সাথে ফাইলটি কি পরিমান রিসোর্স খরচ করছে তার বর্ণনা যুক্ত থাকে।

যখন কোন প্রোগ্রাম একটি ফাইল ওপেন করে তখন অপারেটিং সিস্টেম তার গ্লোবাল ফাইল টেবিলে একটি এন্ট্রি দেয়। এবং এই লোকেশনটা আবার ঐ প্রোগ্রামকে জানানো হয়।

ERP- Enterprise Resource Planning ইআরপি

অনেকগুলো এপ্লিকেশন মিলে একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে অনেক সুন্দরভাবে তথ্যগুলো একে অন্যের সাথে ইন্ট্রিগেট করা থাকে। প্রতিটি অংশ কে মডিউলও বলাহয়ে থাকে।

মূলতঃ কোন একটি প্রতিষ্ঠানে আগের দিনে একাউন্টিং, পেরোল, হিউম্যান রিসোর্স, প্রোডাকশন ইত্যাদির জন্য আলাদা সফটওয়্যার থাকতো। এক্ষেত্রে হিসাব ও তথ্য মিলিয়ে রিপোর্ট তৈরী করতে অনেকসময় ঝামেলা হতো। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবগুলো মডিউলকে একই সফটওয়্যারের ও ডাটাবেজে নিয়ে আসা হয়।

ছোট, মাঝারী, বড় ও প্রতিষ্ঠানের ধরনের উপর ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক মডিউল প্রয়োজন হতে পারে। অদিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সফটওয়্যার প্রয়োজন অনেযায়ী তৈরী বা কাস্টমাইজ করে নিতে হয়।

Negative Marketing নেগেটিভ মার্কেটিং

কোন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের নামে ভাল কথা বললে কম লোকই বিশ্বাস করতে চাইবে। কিন্তু খারাপ কথার বেশ কিছু আলোচনা হয় এবং বেশ প্রচার হয়।

সামাজিক নেটওয়ার্কে আলোচনা সমালোচনার ঝড় তোলার মাধ্যমে হাইলাইট হওয়ার জন্য বিতর্কিত কনটেন্ট বিজ্ঞাপন বা পন্য নিয়ে সমালোচিত হওয়ার মাধ্যমে প্রচারকে নেগেটিভ মার্কেটিং বলে।

কোন একটি ভিডিওকে খারাপ বললে অনেক অনেক লোক সেই ভিডিওটি দেখার জন্য হুমরী খেয়ে পরে ফলে ভিউ বাড়ায় ভিডিও তৈরীকারী বেশ লাভবান হয়। এমন রেবেকা ব্লাকের ফ্রাইডে ভিডিওটিতে অনেক বেশি আনলাইক পড়ায় অনেক বেশি সমালোচিত হওয়ায় ভিউ অনেক বেড়েছে।

অনেকে বিতর্কিত বিজ্ঞাপন তৈরী করেও প্রচারে চলে আসে। অবশ্য সব ধরনের পণ্য ও সেবার জন্য নেগেটিভ মার্কেটিং উপযুক্ত না।

Control Panel কন্ট্রোল প্যানেল

মাইক্রোসফট উইনডোজ এর একটি টার্ম। মূলতঃ উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বিভিন্ন সেটিংস সমুহ এখানে সন্নিবেশিত রয়েছে।

কীবোর্ড, মাউস, ডিসপ্লে রেজুলেশন, ওয়াল পেপার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সেটিংস সমুহ আপনি কন্টোল প্যানেলে গিয়ে ঠিক করে দিতে পারবেন।

উইনডোজ এইট ও টেন এ Windows Settings এর ভিতরে এগুলো আনার চেষ্টা করা হয়েছে। অবশ্য আগের মতো কনট্রোল প্যানেলটিও রয়েছে।

WSL- Windows Subsystem for Linux

ডেভলপারদের জন্য উইনডোজের ভিতর লিনাক্স পরিবেশ প্রদানের উদ্দেশে উইনডোস ১০ এর নতুন ফিচার উইনডোস সাবসিস্টেম ফর লিনাক্স বা ডব্লিউ এস এল।

এটার মাধ্যমে আপনি

উইনডোজ স্টোর থেকে লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটল করতে পারবেন।

কিছু পরিচিত কমান্ড ব্যবহার করে ফাইল একসেস করতে পারবেন।

Bash Shell script চালাতে পারবেন।

 

RAM র‌্যাম কি?

Random Access Memory বা Main Memory বা System Memory বা Primary Memory নাম যেখানে দেখবেন বুঝবেন র‌্যাম এর কথা বলা হচ্ছে। র‌্যাম মূলতঃ এ কম্পিউটারের ব্যবহার উপযোগি মেমরী।

 

ম্যাগনেটিক ডিস্ক বা অপটিক্যাল ডিস্কে যে তথ্য থাকে তা নিয়ে কম্পিউটারের প্রসেসর সরাসরি কাজ করতে পারে না। তাই প্রথমে সেকেন্ডারী মেমরী থেকে কম্পিউটারের প্রাইমারী মেমরী তথা র‌্যাম এ তখ্য চলে আসে। এই তথ্যে যে কোন অংশ র‌্যান্ডমলি ব্যবহার করা যায়। আর তাই এটি সেকেন্ডারী মেমরী এর চেয়ে বেশ দ্রুত কাজ করে।

রম, ডিভিডি বা হার্ডডিস্ক এর মতো এটি তথ্য সংরক্ষণ করে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে তথ্য হারিয়ে যায়। তাই তো কম্পিউটার হুট করে বন্ধ হলে আবার নতুন করে সব কিছু খুলতে হয়। এটাকে বলে volatile ভোলাটাইল মেমরী।

Broadband ব্রডব্যান্ড কি?

ব্রডব্যান্ড বলতে মূলতঃ উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকশনকেই বুঝানো হয়। মূলতঃ বিভিন্ন চ্যানেলের ডাটা দ্রুত পৌছানোর ক্ষমতা সম্পন্ন কানেকশনই ব্রডব্যান্ড।

ব্রডব্যান্ড ফাইবার অপটিক ক্যাবল, কোয়াক্সিয়াল ক্যাবল, রেডিওলিংক ব্যাবহার করে।

 

Broadcast ব্রডকাস্ট বা ব্রডকাস্টিং কি?

ব্রডকাস্ট বলতে ছড়িয়ে দেওয়া বুঝায়। বিভিন্ন টেকনোলজীতে এই শব্দটি বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

১. টেলিভিশন বা রেডিও সম্প্রচার কেন্দ্রে একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রিসিভার এ্টি রিসিভ করে। এই সম্প্রচারকে ব্রডকাস্ট বলা হয়।

২. আবার যখন আপনি কোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আগে নেটওয়ার্ক এডাপ্টার প্যাকেট পাঠিয়ে দেয় অন্য সব হোস্টে। এই প্যাকেট পাঠানোকে ব্রডকাস্ট বলা হয়। প্যাকেট পাঠানোর পর সোর্স এড্রেসটি নেটওয়ার্ক সুইচের কাছে চলে যায়। এবং এটি নেটওয়ার্কের সাথে পরিচয় হয়। নেটওয়ার্ক সুইচ ARP এর মাধ্যমে কম্পিউটারটি অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করে।

৩. ওয়্যারলেস রাউটার বা একসেস পয়েন্ট তার SSID ওয়্যারলেস তরঙ্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ওয়্যারলেস ডিভাইস সমুহ তা তা পেয়ে থাকে। এটিও ব্রডকাস্ট।

BranchCache ব্রাঞ্চ ক্যাশ কি

ব্রাঞ্চ ক্যাশ মাইক্রোসফট এর নতুন ধরনের ক্যাশিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে নেওয়ার্কের ডাটাগুলো কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ কম খরচ হয় আর দ্রুত লোডও হয়।

মাইক্রোসফটের নিজস্ব কিছু পদ্ধতিতে ব্রাঞ্চ ক্যাশ ব্যবহার করতে পারবেন। উইনডোজ ৭ থেকে এর ব্যবহার শুরু হয়।

ডিস্ট্রিবিউটেড ক্যাশ মুডে ক্লাইন্ট কম্পি্টারগুলোতেই ক্যাশ ডাটা সংরক্ষিত থাকে। আর হোস্টেড ক্যাশ মুডে লোকাল এড়িয়াতে একটি সারভার থাকে যা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্যাশ হোস্ট করা হয়।

Base Station বেইজ স্টেশন

১. বেইজ স্টেশন বলতে ওয়্যারলেস রাউটার যেখান থেকে সব ক্লাইন্ট সংযোগ পেয়ে থাকে তা বুঝায়।
২. মোবাইলগুলো টাওয়ার থেকে কানেকশন পেয়ে থাকে। মোবাইল টাওয়ারকেও বেইজ স্টেশন বলা হয়ে থাকে।
৩. অনেক সময় কর্ডলেস ফোন সেটের চার্জিং পয়েন্টকেও বেইজস্টেশন বলে।

Bandwidth ব্যান্ডউইথ

১. কোন নেটওয়ার্ক কানেকশন বা ডিভাইজের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত গতিতে ডাটা আদান প্রদান করতে পারে তাকে ব্যান্ডউইথ বলে। এটি বিট/সেকেন্ড এ পরিমাপ করা হয়।
কোন একটি ইন্টারনেট কানেকশন গতি ২মেগাবিট পার সেকেন্ড অর্থ সর্বোচ্চ ২মেগাবিট আপলোড এবং ডাউনলোড গতি দেওয়া হবে।
আবার কোন ওয়্যারলেস রাউটারে যদি ৩০০ মেগাবিট/সেকেন্ড গতি লেখা থাকে তাহলে এটি সর্বোচ্চ এই গতিতে ওয়্যারলেস ডাটা পাঠাতে পারবে। তবে অন্যান্য ডিভাইজ এবং কমিউনিকেশন মিডিয়ার কারনে আপনি সম্পূর্ণ গতি নাও পেতে পারেন।

ওয়েব হোস্টিং এ ব্যান্ডউইথ শব্দটি একটু ভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে সারভার মাসিক কত পরিমান ডাটা আদান প্রদান করতে পারবে তার যোগফল হিসাব করা হয়।