Computer Hardware

GPU Graphic accelerator card জিপিইউ গ্রাফিক এসেলারেটর কার্ড

আমাদের দেশে গ্রাফিকস কার্ড Graphics card নামে বেশি পরিচিত। কম্পিউটারকে ভাল মানের গ্রাফিকস ভিডিও এবং গেমিং এর সুবিধা দিতে আলাদা এক্সপানশন কার্ড। এটি এজিপি AGP পোর্ট বা পিসিআই PCI স্লট বা পিসিআইই PCIe স্লটে লাগানো থাকে।

গ্রাফিকস কার্ডে আলাদা প্রোসেসর এবং র‌্যাম থাকে যা গ্রাফিকস ডাটা নিয়ে কাজ করে। এখানে এইডডিএমআই এবং ভিজিএ পোর্ট থাকে যেখানে মনিটর সংযুক্ত করতে হয়।

গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ, ভিডিও এডিটিং, এনিমেশন, থ্রিডি এনিমেশন, গেম ডেভলপ এর কাজ করলে এবং উন্নত গেম খেললে কম্পিউটারের সাথে ভাল মানের গ্রাফিকস কার্ড প্রয়োজন হয়।

Source: https://rog.asus.com

Backlit Keyboard ব্যাকলিট কীবোর্ড

যে কীবোর্ডের নিচে লাইট লাগানো। অন্ধকারে যারা কাজ করে তাদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে যারা গেম খেলে তাদের ল্যাপটপে এ ধরনের কীবোর্ড দেখা যায়।

ছবি সূত্র উইকিমেডিয়া

SSD এসএসডি

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (এসএসডি) কি?

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ কে অনেক সময় সলিড স্ট্যাট ডিস্ক বা ইলেক্ট্রিক্যাল ডিস্কও বলা হয়ে থাকে। তবে এটিতে হার্ডড্রাইভের মতো কোন ডিস্ক থাকে না বা কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রও থাকে না। এটিতে অনেক সংখ্যক ইলেক্ট্রিকেল সারকিট (IC) একত্রিতভাবে চীপ আকারে থাকে যাতে তথ্যগুলো সঞ্চয় করা হয়।


হার্ড ড্রাইভ বা ফ্লপি ড্রাইভে মূলতঃ একটি ম্যাগনেটিক ডিস্ক ঘোরে এবং ম্যকানিক্যাল হেড-এর মাধ্যমে ডিস্কে তথ্য সঞ্চয় হয়। আর তাই এসএসডি হার্ডড্রাইভের চেয়ে দ্রুত তথ্য প্রদানে সক্ষম। এসএসডির দামও হার্ডড্রাইভের প্রায় দশগুণ বেশি।

POS Printer পস প্রিন্টার

তাপ সংবেদনশীল কাগজে প্রিন্ট দেওয়ার এক ধরনের প্রিন্টার। এই প্রিন্টারের হিট রোলারে তাপ উৎপাদন হয় এবং কাগজের রোল থেকে কাগজ ঘোরে এবং সংবেদনশীল অংশ কালো হয়ে প্রিন্ট হয়।

পস প্রিন্টার সাধারণত বিভিন্ন দোকান এবং এটিএম বুথে দখা যায়।

Picture: bwindia

IPS Display আইপিএস ডিসপ্লে

LCD ডিসপ্লের একটা বড় সমস্যা ছিল কোনাকুনি দেখলে ভাল দেখায় না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য IPS panel (in-plane switching) টেকনোলজী চলে আসলো। এই প্যানেলে আলো উৎপাদনকারী অনুগুলো ডিসপ্লের একেবারে কাছে থাকে ফলে বাকা হলেও সঠিকভাবে দেখা যায়।

আইপিএস প্যানেল এটু বেশি দামী এবং এখনকার মোবাইলে প্রচুর ব্যবহার হচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ

True Tone Display technology ট্রু টোন ডিসপ্লে

এপল এই টার্মটি ব্যবহার করে তাদের একধরনের ডিসপ্লের ক্ষেত্রে যা চার পাসের পরিবেশ অনুসারে ডিসপ্লে সয়ংক্রিয় পরিবর্তন করে।

সিনেট থেকে ছবি

আমাদের চোখ আসপাসের পরিবেশের সাথে মিলিয়ে যে কোন জিনিসের প্রতিফলিত আলো চোখে পরে। বেশি আলোতে চোখ বন্ধ হয়ে আসে, কম আলোতে চোখ নিজে থেকে এডজাস্ট করে নেয় এবং আরো ভালভাবে দেখার চেষ্টা করে।

দিনের বেলা বেশি আলোতে মনিটর অনেকটা হালকা মনে হয় আবার কম আলোতে মনে হয় বেশি লাইট। এটাকে ফিল্টার করে আলোর পরিবর্তন করে ট্রুটোন। মূলতঃ এমবিয়্যান্ট লাইট সেন্সর (Ambient Light Sensor ) এর মাধ্যমে বাইরের আলোর অবস্থার ভিত্তিতে ফিল্টার করা হয়।

যারা কমার্শিয়াল গ্রাফিকস ডিজাইনের কাজ করে বা ভিডিও নিয়ে কাজ করে, যারা কম্পিউটারের রং এর সাথে বাস্তব কোন ডিজাইন ধরুন জামা কাপড়ের ডিজাইন মিলিয়ে দেখে তাদের জন্য এটি খারাপও হতে পারে-আর এটি বন্ধ করা সম্ভব।

Core কোর

কম্পিউটারের প্রোসেসরের মূল অংশ যা হিসাব নিকাশ করে, ইনস্ট্রাকশন চালু হয় ও তথ্য আদান প্রদান করে । কোন একটা সফটওয়্যারের কাজ কোরে চালু হয়। মূলতঃ কোর শব্দটা প্রসেসরের আলাদা প্রসেসিং ইউনিট বুঝাতে ব্যবহৃত হয় যেখানো কোন একটি প্রোসেসরে একাধিক কোর থাকে।

একাধিক কোর থাকার সুবিধা আলাদা আলাদা প্রসেসিং সহজে করতে পারে অনেক অনেক প্রসেস একই সময় করার জন্য বেশি কোরের প্রসেসর দেখা যায়।

ইদানিং মোবাইল প্রসেসরে ইচ্ছা কৃত বেশি কোরের সিপিইউ ব্যবহার করে যাতে উচ্চ গতির কাজের প্রয়োজনে সব কোর একসাথে কাজ করতে পারে এবং সাধারণ কাজ করার সময় কম গতির কোরগুলো সক্রিয় থাকে।

যে প্রসেসরের চারটি কোর আছে তাকে Dual Core ডুয়াল কোর এবং চারটি কোর থাকলে Quad Core কোয়াড কোর আটটি কোর থাকলে Octa Core অক্টাকোর প্রসেসর বলে।

buffer বাফার

মেমরী এরিয়া যা সাময়িক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় এবং কাজ শেষে মুছে দেওয়া হয় তাকে বাফার বলে। প্রিন্টারে প্রিন্ট কমান্ড দিলে ফাইলটির প্রন্ট করার উপযোগি ফাইল কম্পিউটারে কিছু সময়ের জন্য সংরক্ষিত হয়।

যেহেতু কম্পিউটারের চেয়ে প্রিন্টার কম গতি সম্পন্ন এবং কম মেমরী সম্পন্ন তাই এটি কম্পিউটারে থাকে। একাধিক কমান্ড ধারাবাহিক ভাবে প্রিন্ট হয় এই ধারাবাহিকতাকে Que বলে। প্রিন্ট হওয়ার পর ফাইলটি মুছে যায়।

কোন ফাইল খোললেও বাফারে সংরক্ষিত হয় প্রোগামটি বন্ধ করলে ফাইলটি মুছে যায়।

Bar code বার কোড

লম্বা সরু লাইনের মাধ্যমে নম্বর প্রকাশের একটা পদ্ধতি। লেজার বীমের মাধ্যমে লাইনের প্রস্থ্য অনুসারে মেপে দ্রুত একটি নম্বর সংগ্রহ করা যায়।

সাধারণতঃ সুপার শপ ও স্টোরে হিসাব রাখার জন্য পন্যের গায়ে বার কোড লাগিয়ে দেওয়া হয়। পন্য ক্রেতা কিনতে এলে সহজেই কোডটি স্ক্যান করা হয় এবং পন্যের দাম ও অন্যান্য তথ্য কম্পিউটারে সহজেই চলে আসে কারন আগেই বার কোডের মাধ্যমে তথ্য ঢুকানো থাকে।

Image by PDPhotos from Pixabay

Bar code scanner

বার কোড রীড করার যন্ত্রকে বার কোড স্ক্যানের বলে। বারকোড স্ক্যানার কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইজ।

Bay বে

কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, ডিভিডি রম বা অন্য কিছু রাখার জন্য ক্যাসিং এ যে ভাগ থাকে তাকে বে বা ড্রাইভ বে বলে।

ছবিতে সারভারের হার্ডডিস্ক রাখার বে গুলো দেখা যাচ্ছে।
Image by Bruno Glätsch from Pixabay

সারভারের ক্ষেত্রে ড্রাইভ বে এর সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ।

Photonics ফটোনিকস

এক কথায় আলোর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের টেকনোলজী। তবে বিষয়টা শুধু তরঙ্গের ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। ফটোনিক্সের গবেষনায় ভবিষ্যত কম্পিউটার প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি অবাক করার মতো।

বর্তমানে মেডিকেল যন্ত্র, টেলিকমিউনিকেশনে, মহাকাশ গবেষণায় ফটোনিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

ফটোনিকস নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে, কারন আলোর গতি সবচেয়ে বেশি। আর তাই যদি আলোর মাধ্যমে প্রসেসর বানানো যায় তাহলে সেটি হবে সবচেয়ে বেশি গতির। ইতিমধ্যে আলোর বিভিন্ন ধর্ম কাজে লাগিয়ে লজিক গেটও তৈরী করা হয়ে গেছে। আলোর মাধ্যমে প্রসেস করার কম্পিউটারকে ইতিমধ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটার Quantum Computer নামে ডাকা হয়।

Wake-on-LAN ওয়াক অন ল্যান

ল্যান কার্ড থেকে প্রাপ্তা সিগন্যাল থেকে কম্পিউটার অন করার ব্যবস্থা। কিছু কিছু ল্যান কার্ড (এখন প্রায় সব ল্যান কার্ড) এটা সাপোর্ট করে।

অন্য কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভিন্ন কম্পিউটার চালু করতে হয়।

ADC এডিসি

ADC হলো Analog to Digital converter এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ADC এক ধরনের ইলেক্ট্রিক সার্কিট যা এনালগ সিগন্যাল কে ডিজিটাল সিগন্যালে পরিনত করে।

ধরুন মাইক্রোফোনে যে শব্দ প্রবেশ করছে তা এনালগ ডাটা এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে হলে প্রতিটি তরঙ্গের জন্য ডজিটাল ডাটায় পরিনত করে প্রবেশ করাতে হয়। একইভাবে ক্যামেরায় যে পরিমান আলো প্রবেশ করে তার তথ্যকেও একটি নির্দিষ্ট পরিমান আলোর জন্য নির্দিষ্ট র‌্যাঞ্জ ঠিক করে দিয়ে ডাটাটি প্রকাশ করা হয়।

প্রতিটি এনালগ ডাটার বিপরীতে ভোল্টেজ পরিমাপ করা হয় এবং নির্দিষ্ট ভোল্টেজের উপরে গেলে ১ এবং নিচে গেলে ০ হিসেবে মাপা হয়। এবং সহজেই ডিজিটাল ডাটায় পরিনত করে।

নিচের ছবিতে একটি সরল এডিসি দেখানো হলো ছবি উইকিপেডিয়া

Modularity মডুলারিটি

কম্পিউটার কম্পোনেন্টগুলোর বিভিন্ন অংশ খুলে লাগানো বা পরিবর্তন করার ক্ষমতাকে মডুলারিটি বলে। যেমন- ডেস্কটপ কম্পিউটারের মডুলারিটি ল্যাপটপের চেয়ে বেশি।

সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের এক একটা অংশ যা আলাদা করা যায় তাকে Modul বা মডিউল বলে। ইআরপি সফটওয়্যারে ডেভলপাররা এক এক করে ডেভলপ করে এবং এক একটা কমে মডিউল যোগ করে। আগের মডিউল ইতিমধ্যে কাজ করতে থাকে।

8, 16, 32, 64 bit Computer

কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রসেসর রেজিস্টার কতগুলো বিট নিয়ে কাজ করতে পারবে, মেমরী এবং প্রসেসরে কতগুলো বিট একসাথে পাঠালে সুবিধা হয় এবং প্রতিটি তথ্যের আকার বা এড্রেসিং এর সাইজ কতবিট হবে এটার উপর নির্ভর করে কাজ শুরু হয়।

তার মানে

  • Data Bus Width
  • Addressing Width
  • Register Data Width

এই তিনটির উপর নির্ভর করে কতগুলো বিট একসাথে একটি ইনস্ট্রাকশন তৈরী করবে তা তৈরী করা হয়। সহজভাবে যদি বলি কতগুলো অক্ষর মিলে একটা শব্দ হবে এমন। যেহেতু আগের কম্পিউটারের মেমরী ও প্রসেসরের গতি কম ছিল তাই সর্বোচ্চ ৮ বিট এর এক একটা ইনস্ট্রাকশন নিয়ে কাজ করতে পারতো।

এটা মনে রাখতে হবে যে প্রসেসর যদি ৩২ বিটের হয় সেক্ষেত্রে র‌্যামও ৩২বিট করে তথ্য সংরক্ষণ করবে। তাই আমরা এখন অনেক বেশি র‌্যামএর কম্পিউটার দেখে থাকি।

৮ বিটের জায়গায় ৬৪বিট হওয়াতে লাভ কি?

বড় বড় ইনস্ট্রাকশনসেট নিয়ে কাজ করতে পারছি। ইনস্ট্রাকশন হলো কম্পিউটারকে কোন কমান্ড দেওয়া। ৮ বিটের ক্ষেত্রে বড় কোন কাজকে ছোটকাজে ভাগ করে পাঠাতো এবং তা আবার এক করে প্রকাশ করা হতো।

Picture Source

Accessibility একসেসিবিলিটি

কোন একটি ডিভাইজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হয় শারিরিক সমস্যাগ্রস্তরা কিভাবে এটা ব্যবহার করবে। যেমন- কোন একটি গাড়ীর ডিজাইন করলে ভাবতে হবে একটু উচু এবং একটু বেটেদের সুবিধা অসুবিধা। আবার রাস্তার কোন সাইনগুলো যাতে সবাই বুঝতে পারে এমন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ সবই একসেসিবিলিটি।

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে বা স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেও একসেসিবিলিটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

একসেসিবিলিটি হার্ডওয়্যার বলতে বিশেষভাবে তৈরী কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে বুঝায়। কোন কোন কম্পিউটারে বড় লেখা অক্ষর ব্যবহৃত হয়। কিছু কীবোর্ডে f এবং j এ যে উচু ডট দেওয়া সেটা অন্ধ ব্যক্তি যাতে কোন কীতে হাত পড়েছে বুঝতে পারে সে জন্য দেওয়া।
বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস এ একসেসিবিলিটি অপশন রয়েছে।

Rendering রেন্ডারিং

ছবির ক্ষেত্রে

ছবি আঁকা বা থ্রিডি ছবির সফটওয়্যারে ছবির ডাটাগুলো মূলতঃ ইকুয়েশন আকারে থাকে যাতে যে কোন সময় তা পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু ছবিটি যদি আমরা যে কোন কম্পিউটারে বা ওয়েবে ব্যবহার করতে চাই তাহলে বিট আকারে সন্নিবেশ করে একটি ফাইল হিসেবে দেখতে হবে।

বিভিন্ন ছবি ইডিটিং এবং এনম্যাশন সফটওয়্যার বিভিন্নভাবে কাজগুলো করে এবং এক্সপোর্ট করলে সেটি র‌্যান্ডার করে নেয়। আমরা বলি র‌্যান্ডারিং।

ভিডিওর ক্ষেত্রেঃ

থ্রিডি ভিডিও গেমের ক্ষেত্রে বিষয়টা আরেকটু জটিল। আমরা কোন একটি ভিডিও গেমে কাছের ও দূরের ছবিগুলো একরকম দেখি না। ধরুন কোন একটি গাড়ী রেসিং গেমে। দূরের ভবনগুলোর সব পিক্সেল আমাদের দেখার দরকার পরে না। কারন মনিটরে সবগুলো পিক্সেল আসবে না। আবার সামনের দিকের সবগুলো পিক্সেলই সঠিকভাবে দেখানোর প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে গ্রাফিকস কার্ড রিয়েলটাইম রেন্ডার করবে এবং প্রয়োজনীয় পিক্সেলগুলোই শুধু দেখাবে। ধারাবাহিকভাবে গাড়ীটি যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাদপড়া ভবনগুলোও সে মেমরী থেকে বাদ দিতে থাকবে।

অডিওর ক্ষেত্রেঃ

অডিওর ক্ষেত্রেও র‌্যান্ডারিং শব্দটি ব্যবহৃত হয়। অডিওতে বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করে এটি ফাইনাল এক্সপোর্ট করাকে র‌্যান্ডারিং বলে। মূলতঃ অডিও মিক্সার সফটওয়্যারগুলো মূল অডিও ডাটাগুলো নিয়েও যেভাবে কাজ করে এক্সপোর্ট ফাইলে তা থাকে না। শুধু আউটপুটটাই থাকে।

Learned From:

https://techterms.com/definition/rendering

https://en.wikipedia.org/wiki/Rendering_(computer_graphics)


3d Scanning থ্রিডি স্ক্যানিং

কোন বস্তুর তৃমাত্রিক অবয়ব স্ক্যান করাকে থ্রিডি স্ক্যানার বলে। থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে কোন বস্তুর সব দিক থেকে দূরত্বের ডাটা নিয়ে থ্রিডি ছবি তৈরী করে।

থ্রিডি স্ক্যানারের মাধ্যমে  থ্রিডি ইমেজ তৈরী করা যায়। বাজারে বেশ কিছু থ্রিডি স্ক্যানার রয়েছে যা থ্রিডি মডেল তৈরী করতে পারে।

উল্লেখ্য বিভিন্ন থ্রিডি এনিমেশন মুভিতে থ্রিডি স্ক্যানারের বহুল ব্যবহার রয়েছে। এমন কি বিভিন্ন বাস্ত প্রানীর স্ক্যান করে সেটিতে মুভমেন্ট এমনভাবে করা হয় আপনার মনে হবে এটি সত্যিকারের প্রানী নরা চরা করছে। এমন কি মানুষের থ্রিডি স্ক্যান করেও মুভমেন্ট করানো যেতে পারে।

থ্রিডি প্রিন্টার উদ্ভাবনের কারনে খুব সহজেই কোন মডেল স্ক্যান করে তা প্রিন্ট করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ম্যাকানিক্যাল পার্টস নিজেই স্ক্যান ও ডিজাইন করে প্রিন্ট করা যাচ্ছে।

Picture

Boot বুট

কম্পিউটার চালু করা সুইচ চাপ দেওয়ার পর এটি মাদারবোর্ডের বায়োস এর মাধ্যমে সব ডিভাইজগুলোকে চেক করে। প্রতিটি ডিভাইজের তথ্য চেক করার পর অপারেটিং সিস্টেম খুজে সেটি চালিয়ে দেয়। এই প্রক্রিয়াকে বুটিং বলে। আমরা চালু হওয়াকে বুট হয়েছে বলি।

 

Ghost Touch ঘোস্ট টাচ

মোবাইল বা কম্পিউটারের টাচ স্ক্রিণ কখনো বা একা একা টাচ হওয়ার মতো কাজ করতে পারে। একে ঘোস্ট টাচ বলে। বিভিন্ন কারনে এটা হতে পারে। তার আগে একটু টাচ স্ক্রিণ সম্পর্কে জেনে নিলে ভাল হয়।

মানুষের হাতে নির্দিষ্ট পরিমান বিদ্যুৎ রয়েছে। টাচ স্ক্রিন এই বিদ্যুৎ সেনসেটিভ হয়ে থাকে এবং স্ক্রিনের বিদ্যুৎ হওয়ার সংকেত তারের মাধ্যমে মোবাইলে পৌছায়।

কোন কারনে যদি এরকম বিদ্যুৎ পায় তাহলে টাচ একা একা কাজ করছে বলে মনে হতে পারে।

  • মোবাইলে চার্জ লাগানো অবস্থায় এরকম হতে পারে।
  • মোবাইলের ভিতরে বা টাচ স্ক্রিণের উপরে বৈদ্যুতিক ফিল্ড বা ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারনেও হতে পারে।
  • টাচ স্ক্রিণ নস্ট হয়ে গেলে।

Accelerometer

উপর-নীচ বা ডান বামে যাওয়ার বেপারটা জানা যায় এসেলেরোমিটার থেকে। এটি মূলতঃ ত্বরণ পরিমাপ করে। আমরা জানি ত্বরণে দিক রয়েছে। অর্থাৎ, এক্স, ওয়াই, জেট তিন অক্ষে কোন দিক হতে কোন দিকে গেল তা জানা যায়।

স্মার্ট ফোনের এসেলেরোমিটার ফোনটির ডান বাম বা উপর নীচ অবস্থানের পরিবর্তন বুঝতে পারে এবং ইলেক্ট্রিক সিগন্যাল দেয় যা অনুসারে ফোনের সফটওয়্যার কাজ করে।

গেম খেলার জন্য বা ফোনের এপসগুলোর হরিজন্টাল বা ভার্টিক্যাল রেসপন্সিভ ব্যবহারের জন্য এসিলেরোমিটার প্রায় সব ফোনেই পাবেন।

এসিলারেশনের মাপ বুঝাতে মিটার পার সেকেন্ড পার সেকেন্ড m/s2 বুঝায়।

তার মানে, এক সেকেন্ড কোন বস্তুর গতি এক মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পেলে তাকে এক একক এসিলারেশন বলা হবে।

Backdoor ব্যাকডোর

প্রগামাররা কোন একট সিস্টমের ভিতরে প্রবেশের জন্য এমন কিছু কোড রেখে দিলো যাতে ভবিষ্যতে সিস্টেমে তারা প্রবেশ করতে পারে।

কোন একজন ওয়েব ডেভলপার বা কোন সফটওয়্যার ডেভলপার এমন কোন কোড দিয়ে রাখতে পারেন যাতে সেই ওয়েবে বা সফটওয়্যারের এডমিন প্যানেলে সে প্রবেশ করতে পারেন।

এটা যে শুধু মাত্র ডেভলপারই করতে পারে তা কিন্তু না। এমন অনেক ওয়েবস্ক্রিপ্ট রয়েছে- আপনি হয়তো তা ফ্রি দেখে সারভারে আপলোড করলেন, কিন্তু সেটার ভিতরে ব্যাকডোর রয়েছে। ডেভলপার আপনার সারভার রিসোর্স ব্যবহার করে হয়তো তার নিজের কোন কাজ করবেন।

Death Pixel ডেথ পিক্সেল Stuck Pixel স্টাক পিক্সেল

কম্পিউটার বা মোবাইল বা অন্য ডিভাইজের এলসিডি ডিসপ্লের কোন একটি পিক্সেল যদি আলোকিত না হয় তবে আমরা তাকে ডেথ পিক্সেল বলি।

সাদা স্ক্রিনে সহজেই ডেথ পিক্সেল বের করা সম্ভব হয়। সাধারনত ডেথ পিক্সেল সমস্যা দেখা দিলে সারানো যায় না। আপনার ডিভাইজে এরকম হলে এবং ওয়ারেন্টি থাকলে ডিভাইজটি বা স্ক্রিনটি ভেন্ডর পাল্টে দিবে।

স্টাক পিক্সেলের ক্ষেত্রে এটি হয়তো কোন নির্দিষ্ট রঙের হয়ে যায়।

AP Isolation এপি আইজোল্যাশন

ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট (AP) নেটওয়ার্কের ওয়্যারলেস হটস্পটের মতো কাজ করে। যার মাধ্যমে আপনি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত হন।

ওয়াইফাই রাউটার বা একসেস পয়েন্টটি কিন্তু একইভাবে আপনার অন্যান্য কম্পিউটারের তারের নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত। এখন আপনার তারের নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের ডিভাইজসমুহ যুক্ত হওয়া কে AP Isolation বলে।

এটি Enabled থাকলে যুক্ত হতে দিবে আর Disabled থাকলে যুক্ত হতে দিবে না।

এখনকার অনেক একসেস পয়েন্টেই ডিফল্ট Disabled থাকে। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক অনেক সময় অনিরাপদ ডিভাইজগুলো কানেক্ট করতে দেওয়া হয়। ধরুন আপনার কোন অতিথি আসলো তাকে ব্যবহার করতে দিলেন। সে কিন্তু অন্য ডিভাইজে ঢুকে পরতে পারে। বা ভাইরস ছড়াতে পারে।

 

Thin Client থিন ক্লাইন্ট

খিন ক্লাইন্ট একটি কম্পইউটারের ডিসপ্লে, কীবোর্ড এবং মাউস ইন্টারফেসসহ একটি ডিভাইজ যা সারভারের একটি ইনস্ট্যান্স ক্লাইন্ট হিসেবে কাজ করে। একধিক থিন ক্লাইন্ট একটি সারভারে বসে কাজ করতে পারে।

কোন একটি অপারেটিং সিস্টেমের ভিন্ন ভিন্ন ইউজার যেমন নিজেদের এবং কমন ফাইল নিয়ে কাজ করতে পারে বেপারটা এমন হয়।

আসলে থিন ক্লাইন্ট কোন একটি কম্পিউটার না। এটি মূলতঃ সারভারের রিসোর্সগুলোতেই কাজ করে। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সারভারে যুক্ত হয় এবং সব তথ্য সারভারেই জমা হয়।

Picture Source

থিন ক্লাইন্ট কেন ব্যবহার করা হয়-

  • যেহেতু একই সারভারে অনেকে কাজ করে তাই কম প্রসেসিং স্পিড পাওয়া যায়। আর তাই যারা সুনির্দিষ্ট অল্প কাজ করে বা কোন নির্দিষ্ট এপ্লিকেশনে কাজ করে তাদের জন্য থিন ক্লাইন্ট।
  • থিন ক্লাইন্টের দাম তুলনামূলক সস্তা।
  • কম বিদ্যুৎ খরচ এবং রিপেয়ারের প্রয়োজন হয়।
  • বেশ নিরাপদ কারন সব তথ্যই সারভারে সংরক্ষিত থাকে। আর ইউজার চাইলেই কোন সফটওয়্যার ইনস্টল বা সিস্টেমের পরিবর্তন করতে পারে না।

 

Blade Server ব্লেড সারভার

র‌্যাক মাউন্ট সারভারকে (Rack Server) অনেকসময় ব্লেড সারভার বলা হয়। সারভার র‌্যাক এর মধ্যে অনেকগুলো সারভার ধাপে ধাপে রাখার ক্ষেত্রে ব্লেড সারভার বেশ সুবিধাজনক।

তাছাড়া ব্লেডের মতো করে কোন একটি সারভার র‌্যাক থেকে বের করে কাজ করা যায় বলে হয়তো এই র‌্যাক মাউন্ট সারভারকে ব্লেড সারভার বলা হয়ে থাকে।

একটি র‌্যাকে অনেকগুলো ব্লেড সারভার রাখা যায়। এক একটি সারভারের মাপ U দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 42U একটি র‌্যাক যা ৭ফুট উচ্চতার হয় তাতে সবোর্চ্চ একুশটি 2U সারভার রাখা যায়।

Refurbish রিফারবিশ

Refurbish (রিফারবিশ) কোন কম্পিউটার বা পন্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যা নতুন নয়।

  • অনেকসময় কোন পন্য বিক্রি না হলে সেটি অনেকদিন প্রতিষ্ঠানে পড়ে থাকলে সেটি আবার টেস্ট করে বিক্রি উপযোগি যাচাই করে রিফারবিশ হিসেবে বিক্রি করা হতে পারে।
  • কোন একটি পন্য বিক্রির পর নষ্ট হলে সেটি ঠিক করে অন্য ক্রেতার কাছে বিক্রি করা পণ্যকে রিফারবিশ বলা হতে পারে।
  • কোন একটি কম্পিউটারের একটি অংশ নষ্ট হলে তার অন্য ভাল অংশও বিক্রি করা হতে পারে। এক্ষেত্রে এই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশকে রিফারবিশ বলা হবে।

ইকমার্স ওয়েবসাইটে প্রতিটি পন্যের ক্ষেত্রে সাধারনতঃ তিন ধরনের ক্যাটাগরি দেখা যায়- New (নতুন), Refurbish (রিফারবিশ), Used (ব্যবহৃত)

 

Whitelist হোয়াইটলিস্ট

বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তির তালিকাকে হোয়াইটলিস্ট বলে। কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও একইরকম অর্থ প্রদান করে। কোন একটি সারভার যারা নির্দিধায় একসেস করতে পারবে তাদের তালিকাকে হোয়াইটলিস্ট বলে। কোন একটি সারভারে হোয়াইটলিস্ট ক্লাইন্টদের আইপি তালিকা থাকে।

 

POE- Power Over Ethernet পিওই- পাওয়ার ওভার ইথারনেট

ইথারনেট ক্যাবলের মাধ্যমে ডাভাইজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ব্যবস্থাকে Power Over Ethernet বলে। সাধারনতঃ ৫ থেকে ২৪ ডিসি ভোল্ট বিদ্যুৎ পিওই ডিভাইজের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

বর্তমানে পিওই অনেক জনপ্রিয় পদ্ধতি। কারন ডিভাইজে আলাদা তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বেশ ব্যয় সাপেক্ষ এবং ঝামেলার। ধরুন আপনার ১০০টি আইপিফোন বা আইপি ক্যামেরা রয়েছে যেগুলো NON POE এগুলোতে আপনাকে আলাদা পাওয়ার এডাপ্টার দিয়ে বিদ্যুৎ দিতে হবে আবার নেটওয়ার্ক ক্যাবল দিয়েও কানেক্ট করতে হবে। এই ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে আপনি যদি POE ENABLED CAMERA কিনেন তাহলে শুধু নেটওয়ার্ক ক্যালের মাধ্যমেই POE SWICTH থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারেন।

POE IN

নেটওয়ার্ক ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ গ্রহণ করার জন্য ডিভাইজে যে পোর্ট থাকে তাকে POE IN বলে। অর্থাৎ কোন ডিভাইজ যেমন সুইচে যদি POE IN পোর্ট থাকে তাহলে এই পোর্ট দিয়ে সুইচে পাওয়ার দেওয়া যাবে।

POE OUT

এই পোর্টের মাধ্যমে অন্য ডিভাইজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। যদি কোন সুইচে POE OUT পোর্ট তাকে সেই পোর্টের সাথে কোন POE সাপোর্টেড ডিভাইজ যেমন আইপি ফোন বা আইপি ক্যামেরা যুক্ত করলে এটি পাওয়ার পাবে।

POE Device

যেসব ডিভাইজ POE এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ দেওয়া যায় সেইসব ডিভাইজ কে POE Device বা POE  Enabled Device বলে।

সাধারনতঃ কম বিদ্যুৎ দিয়ে চলতে পারে এমন ডিভাইজগুলো POE সাপোর্টেড হয়।

 

 

RAM র‌্যাম কি?

Random Access Memory বা Main Memory বা System Memory বা Primary Memory নাম যেখানে দেখবেন বুঝবেন র‌্যাম এর কথা বলা হচ্ছে। র‌্যাম মূলতঃ এ কম্পিউটারের ব্যবহার উপযোগি মেমরী।

 

ম্যাগনেটিক ডিস্ক বা অপটিক্যাল ডিস্কে যে তথ্য থাকে তা নিয়ে কম্পিউটারের প্রসেসর সরাসরি কাজ করতে পারে না। তাই প্রথমে সেকেন্ডারী মেমরী থেকে কম্পিউটারের প্রাইমারী মেমরী তথা র‌্যাম এ তখ্য চলে আসে। এই তথ্যে যে কোন অংশ র‌্যান্ডমলি ব্যবহার করা যায়। আর তাই এটি সেকেন্ডারী মেমরী এর চেয়ে বেশ দ্রুত কাজ করে।

রম, ডিভিডি বা হার্ডডিস্ক এর মতো এটি তথ্য সংরক্ষণ করে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে তথ্য হারিয়ে যায়। তাই তো কম্পিউটার হুট করে বন্ধ হলে আবার নতুন করে সব কিছু খুলতে হয়। এটাকে বলে volatile ভোলাটাইল মেমরী।

Broadcast ব্রডকাস্ট বা ব্রডকাস্টিং কি?

ব্রডকাস্ট বলতে ছড়িয়ে দেওয়া বুঝায়। বিভিন্ন টেকনোলজীতে এই শব্দটি বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

১. টেলিভিশন বা রেডিও সম্প্রচার কেন্দ্রে একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রিসিভার এ্টি রিসিভ করে। এই সম্প্রচারকে ব্রডকাস্ট বলা হয়।

২. আবার যখন আপনি কোন নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আগে নেটওয়ার্ক এডাপ্টার প্যাকেট পাঠিয়ে দেয় অন্য সব হোস্টে। এই প্যাকেট পাঠানোকে ব্রডকাস্ট বলা হয়। প্যাকেট পাঠানোর পর সোর্স এড্রেসটি নেটওয়ার্ক সুইচের কাছে চলে যায়। এবং এটি নেটওয়ার্কের সাথে পরিচয় হয়। নেটওয়ার্ক সুইচ ARP এর মাধ্যমে কম্পিউটারটি অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করে।

৩. ওয়্যারলেস রাউটার বা একসেস পয়েন্ট তার SSID ওয়্যারলেস তরঙ্গের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ওয়্যারলেস ডিভাইস সমুহ তা তা পেয়ে থাকে। এটিও ব্রডকাস্ট।

BranchCache ব্রাঞ্চ ক্যাশ কি

ব্রাঞ্চ ক্যাশ মাইক্রোসফট এর নতুন ধরনের ক্যাশিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে নেওয়ার্কের ডাটাগুলো কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ কম খরচ হয় আর দ্রুত লোডও হয়।

মাইক্রোসফটের নিজস্ব কিছু পদ্ধতিতে ব্রাঞ্চ ক্যাশ ব্যবহার করতে পারবেন। উইনডোজ ৭ থেকে এর ব্যবহার শুরু হয়।

ডিস্ট্রিবিউটেড ক্যাশ মুডে ক্লাইন্ট কম্পি্টারগুলোতেই ক্যাশ ডাটা সংরক্ষিত থাকে। আর হোস্টেড ক্যাশ মুডে লোকাল এড়িয়াতে একটি সারভার থাকে যা ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের ক্যাশ হোস্ট করা হয়।

Base Station বেইজ স্টেশন

১. বেইজ স্টেশন বলতে ওয়্যারলেস রাউটার যেখান থেকে সব ক্লাইন্ট সংযোগ পেয়ে থাকে তা বুঝায়।
২. মোবাইলগুলো টাওয়ার থেকে কানেকশন পেয়ে থাকে। মোবাইল টাওয়ারকেও বেইজ স্টেশন বলা হয়ে থাকে।
৩. অনেক সময় কর্ডলেস ফোন সেটের চার্জিং পয়েন্টকেও বেইজস্টেশন বলে।

Bootloader বুট লোডার

বুটলোডার কে বুটস্ট্র্যাপ লোডার bootstrap loader বা বুট প্রোগামও boot program বলা হয়।

এই প্রোগ্রাম কম্পিউটারের EEPROM এ অবস্থিত। কম্পিউটার চালু হলে প্রসেসর প্রথমেই এই প্রোগাম চালু করে। বুটস্ট্র্যাপ লোডার হার্ডডিস্কের বুটসেক্টর খোজে এবং সেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম চালু করে দেয়।

তার আগে অবশ্য কম্পিউটার এই প্রোগ্রামের মাধ্যমেই Power On Self Test করে থাকে। সংক্ষেপে POST বলে।

সম্পুর্ণ প্রক্রিয়ারটিকে বুটিং booting বলে।

Adapter এডাপ্টার

১. এডাপ্টার Adapter মূলতঃ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যার মাধ্যমে বাড়তি কাজ করা যায়।
যেমন-
USB to PS2 তে কনভার্ট করার যে ছোট ডিভাইজ পাওয়া যায় তা এডাপ্টার।
HDMI to VGA কনভার্ট করা যায় তাকে ও এডাপ্টার বলা যায়।
২. AC to DC ভোল্টেজ রেগুলেটরকেও এডাপ্টার বলা হয় থাকে।

Accessory একসেসরি

কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে বাড়তি কাজ করে এমন ডিভাইজকে Accessory (একসেসরি) বলে।

ডেমন-

  • প্রিন্টার
  • স্ক্যানার
  • মাউক্রোফোন

ইত্যাদি

4k Television ফোর কে টেলিভিশন

যে টেলিভিশনের রেজুলেশন লম্বালম্বি ভাবে ৪০০০ পিক্সেল সেই টেলিভিশনকে 4k টেলিভিশন বলে।

3840 × 2160 বা 4096 × 2160 পিক্সেল হয়ে থাকে।

যে ক্যামেরা 4k রেজুলুশনের ভিডিও করতে পারে তাকে 4k Camera বলে থাকে।

Access Time একসেস টাইম

কম্পিউটারের তথ্য স্টোরেজ (যেমন- হার্ড ড্রাইভ, এসএসডি, ডিভিডি রম, মেমরী কার্ড ) থেকে লোড হতে যে সময় লাগে তাকে একসেস টাইম বলে।

সাধারনতঃ ন্যানো সেকেন্ড বা মিলি সেকেন্ডে মাপা হয়।

Access Point একসেস পয়েন্ট

একসেস পয়েন্ট বা ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইজকে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করে।

আইপি রাউট করার অপশন চালু থাকলে এটিকে ওয়্যারলেস রাউটারও বলে।

16 Bit ষোল বিট

বাইনারী ১৬ টি অক্ষর পর পর সাজালে যে সংখ্যা গুলো হয় তা নিয়ে কাজ করতে পারে যে কম্পিউটার তাদের 16 bit Computer বলা হয়। এর চেয়ে বড় কোন সংখ্যা নিয়ে কাজ করতে পারে না। এর চেয়ে বড় সংখ্যা হলে এটি ভেঙে ১৬ বিটে পরিনত করে কাজ করতে হয়।

আগের দিনের কম্পিউটারগুলো ১৬ বিট সংখ্যা নিয়ে কাজ করতো। এখন ৩২ বিট এবং ৬৪ বিটে রুপান্তরিত হয়েছে।

১৬ বিটের সবোর্চ সংখ্যা ১১১১১১১১১১১১১১১১ যা ডেসিমেলে ৬৫,৫৩৫