Operating System

Batch Processing ব্যাচ প্রোসেসিং

কম্পিউটারকে একই সাথে ইনপুট প্রদান করে ধারাবাহিক ভাবে একের পর আরেকটা কাজ করাকে ব্যাচ প্রোসেসিং বলে।

Batch File ব্যাচ ফাইলঃ কাজগুলোর কমান্ড যে ফাইলে লেখা থাকে তাকে ব্যাচ ফাইল বলে। ব্যাচ প্রোসেসিং এর একটা সুবিধা হলো মানুষের হাত ছাড়া দির্ঘ্য সময় বা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করে যাবে।

কোন একটি সময় কোন প্রোগ্রাম চালু হওয়ার কাজ ব্যাচ ফাইলে লিখে তা সিডিউল করা রাখা যায়। উইনডোজে একে Schedule Task এবং লিনাক্সে Corn Job বলে।

Operating System (OS) অপারেটিং সিস্টেম (ওএস)

অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ করা সহজ করে। অপারেটিং সিস্টেম এ অন্যান্য সকল প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার চলে এবং সেখানে কমান্ড দেওয়ার সহজ ব্যবস্থা থাকে।

Image by natura_photos from Pixabay

ইদানিং কালের অপারেটিং সিস্টেম শুধু মাত্র সিস্টেম লেভেলের কাজই করে না ইউজাবিলিটি নিয়ে অনেক কাজ করে। মানে মানুষ সহজে যাতে ব্যবহার করতে পারে তার জন্য বিভিন্ন ইন্টারফেস সহজ করণ, বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার সাপোর্ট করা, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ রক্ষার কাজও অপারেটিং সিস্টেম করে।

জনপ্রিয় কতগুলো অপারেটিং সিস্টেম

  • ইউনিক্স
  • লিনাক্স
  • উইনডোজ
  • ম্যাক ওস
  • এনড্রয়েড

disk operating system ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম

ডজ (DOS) নামে পরিচিত ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম।  ১৬ বিট আইবিএম কম্পিউটারের জন্য মাইক্রোসফট এই অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৮১ সালে তৈরী করে। খুব ছোট আকারের এই অপারেটিং সিস্টেমে কমান্ড লেখার মাধ্যমে বেসিক কাজগুলো যেমন কোন প্রোগ্রাম খোলা বা বন্ধ করা, ফাইল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি কাজগুলো করতে পারে।

আমরা সাধারণত DOS বলতে MS DOS কেই বুঝি যদিও MS DOS ছাড়াও Apple DOS, DOS 360 ইত্যাদি বেশ কিছু ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম ছিল। মূলতঃ ছোট একটি ফ্লপি বা হার্ডডিস্কের মাধ্যমেই কম্পিউটার বুট করে অপারেটিং সিস্টেমটি দিয়ে কাজ করতে পারার কারনে এটিকে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বলে থাকে।

এটি আরো উল্লেখ্য যে, উইনডোজের আগের ভার্শণগুলো ডজ ভিত্তিক ছিল। তার মানে ব্যাক ইন্ডে ডজ চলতো এবং ডজ উইনডোজকে চালু করতো। পরে অবশ্য সরাসরি গ্রাফিক্যাল মুড চালু হয়।

এখনো উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কমান্ডপ্রোমোট Command Prompt হিসেবে ডজ কমান্ডগুলো উইনডোজে বসে কাজ করে।

Android এনড্রয়েড

এনড্রয়েড গুগল এর অপারেটিং সিস্টেম। এটি লিনাক্স কার্ণেলের উপর তৈরী ওপেনসোর্স অপারেটিং সিস্টেম। এখন মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং নানান ধরনের ডিভাইজ এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছে।

মূলতঃ এন্ডি রুবিন এবং আরো কিছু ইনভেস্টর মিলে ২০০৩ সালে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেন। সেই সময় নকিয়া ও কিছু ব্র্যান্ড সিমবিয়ান ও মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম মোবাইলে ব্যবহার করে। তারা দেখেন সেই সময়ের মোবাইলগুলোর ক্যামেরা অতটা ভাল না যতটা দরকার। ইউজার ইন্টারফেসও তেমন সুন্দর না। তাই মোবাইলের জন্যই এটি ডেভলপ করেন। তারা এন্ড্রয়েড ডেভলপ করতে টাকা পয়সার বেশ সমস্যায় পরেন এবং ইনভেস্টর হিসেবে কয়েকজন পেয়ে যান।

২০০৫ সালে সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি গুগল ৫০ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেন।  ডেভলপার ও শেয়ারহোল্ডাররাও গুগলে যোগ দেন। পরবর্তিতে বিভিন্ন স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠান এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার ও উন্নত করতে কাজে লেগে যায়। এখন চরম জনপ্রিয়তায় আছে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।

Thumbnail Picture Source

Boot Sector বুট সেক্টর

কম্পিউটার চালু হওয়ার বা বুট হওয়ার জন্য এটি ফ্লপি বা হার্ড ডিস্কের তথ্য খোজে। বুট হওয়ার তথ্যগুলো যে অংশ থাকে তাকে বুট সেক্টর বলে।

আইবিএম কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের বুট সেক্টর থাকতে পারে। তবে, সাধারনতঃ Master Boot Record (MBR)   এ বুট ইনস্ট্রাকশন থাকে। এটি হার্ডডিস্কের প্রথম পার্টিশন। এখানে অন্য পার্টিশনের প্রথম অংশের তথ্যগুলোও (VBR) থাকে।

 

ফাইল সিস্টেম File System

ফাইল কিভাবে মেরীতে সংরক্ষণ করা হবে তার পদ্ধতি। হার্ডডিস্ক বা মেমরীকার্ড বা ডিভিডি ডিস্কে ফাইল সংরক্ষণ করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে যাতে সেটি কম্পিউটার আবার উদ্ধার (Read) করতে  পারে।

বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে ফাইল সিস্টেম নির্ধারণ করা হয়। ফাইল সাইজ বড় হলে এটিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে মেমরীতে সংরক্ষণ করতে হবে। এবং ফাইলগুলোর এড্রেস ধরে কল করতে হবে। তাই বেশি ছোট ভাগে ভাগ করলে আবার বেশি লিংক তৈরী হবে।

উইনডোজের আগের ভার্শনে FAT 32 ফাইল সিস্টেম ব্যবহার করা হতো। এখন বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে NTFS

লিনাক্সে Ext4 ব্যবহার হচ্ছে বেশি।

আবার একই নামের ফাইল যাতে না হয় সেই দিক খেয়াল করতে হয়। এজন্য ডিরেক্টরীর মাধ্যমে ভাগ করার পদ্ধতি আরো সুবিধা দিয়েছে। এই সবই ফাইল সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্ধারিত।

পার্টিশন করার পর আমরা যখন হার্ডডিস্ক ফরমেট করি তখনই মূলতঃ ফাইল সিস্টেম তৈরী হয়।

Daemon ডেমন

ব্যবহারকারীর কমান্ড দেওয়া ছাড়াই যে সব প্রোগ্রাম ভিতরে ভিতরে চলতে থাকে তাকে ডেমন বলে।

ইউনিক্স এর মতো অপারেটিং সিস্টেম যেমন লিনাক্সে এ শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন সার্ভিস কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই চলতে থাকে এবং সার্ভিস দিয়ে যেতে থাকে।

যেমন- কোন একটি ওয়েব সার্ভার সয়ংক্রিয় ভাবে HTTPD সার্ভিস চালু হয় এবং সার্ভিস দিয়ে যায়।

লিনাক্সে তিন ধরনের প্রসেস দেখতে পাই

ইন্টারেকটিভ- ইউজার যে কমান্ড দেয়।

ব্যাচ- নির্দিষ্ট সময় চালু হওয়া কমান্ড।

ডেমন- অপারেটিং সিস্টেম নিজে নিজে যে প্রসেস চালু করে।

Cron Job ক্রন জব

নির্দিষ্ট সময়ে কোন কমান্ড কাজ করার জন্য লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে ক্রনজব ব্যবহার হয়।

crontab কমান্ডের মাধ্যমে ক্রনজব সিডিউল করা হয়।

ক্রনট্যাব ইডিট করার জন্য crontab -e কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

সেখানে সময় উল্লেখ করে কমান্ড লিখে দিলে সেই সময় পর পর কমান্ডটি এক্সিকিউট হবে।

অনেক সময় ব্যাচ ফাইল রান করার কমান্ড লিখে দেওয়া হয় ফলে কমান্ড সমস্টি উক্ত সময় পরপর চালু হয়।

Batch File ব্যাচ ফাইল

ব্যাচ ফাইলের মধ্যে একের পর এক কমান্ড দেওয়া থাকে। কম্পিউটার একটির পর আরেকটি কাজ শুরুর নির্দেশনা দেওয়ার জন্য কমান্ডগুলো লিখে দেওয়া হয়।

লিনাক্স সিস্টেমে সাধারনত এরকম ফাইল তৈরী করে .bat হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।

কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট সময় এই কমান্ডগুলো চালনার জন্য ব্যাচ ফাইল চমৎকার সুবিধা দিয়ে থাকে।

ধরুন নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যাকআপ নেওয়া দরকার। বা কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার পর কিছু প্রোগাম চালু করার বা কিছু কমান্ড চালনার জন্য কমান্ডগুলো লিখে চালু করা হয়।

আবার অনেকসময় কোন সফটওয়্যার বা সার্ভিস ইনস্টল করার জন্য অনেকগুলো কমান্ড দরকার হলে একটি বড় ব্যাচ ফাইলে তা লেখা হয় এবং সেটি রান করলেই সার্ভিসগুলো একটিভ হয়ে যায়।

DOS Disk Operating System

DOS (Disk Operating System)

মাইক্রোসফটের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কমান্ডলাইন অপারেটিং সিস্টেম। মূলতঃ একটি ফ্লপি ডস্কে ১.৪৪ মেগাবাইটে একটি অপারেটিং সিস্টাম ধারন করা যেত তার তাই এটিকে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেমে শুধুমাত্র কমান্ডলাইন লিখে কাজ করা যায়। পরবর্তিতে উইনডোজ ৯৫ এবং ৯৮ অপারেটিং সিস্টেম এই DOS এর উপর চলতো। তার মানে প্রথমে DOS চালু হতো।

এর পরের ভার্শনগুলোতে Command Prompt নাম দিয়ে এই অপারেটিং সিস্টেমের অনেক অংশই রয়ে গেছে।

File Descriptor ফাইল ডিসক্রিপ্টর

প্রতিটি ওপেন ফাইলের ইউনিক ঠিকানা যা অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করে দেয়। এই নম্বরের সাথে ফাইলটি কি পরিমান রিসোর্স খরচ করছে তার বর্ণনা যুক্ত থাকে।

যখন কোন প্রোগ্রাম একটি ফাইল ওপেন করে তখন অপারেটিং সিস্টেম তার গ্লোবাল ফাইল টেবিলে একটি এন্ট্রি দেয়। এবং এই লোকেশনটা আবার ঐ প্রোগ্রামকে জানানো হয়।

Control Panel কন্ট্রোল প্যানেল

মাইক্রোসফট উইনডোজ এর একটি টার্ম। মূলতঃ উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বিভিন্ন সেটিংস সমুহ এখানে সন্নিবেশিত রয়েছে।

কীবোর্ড, মাউস, ডিসপ্লে রেজুলেশন, ওয়াল পেপার, নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সেটিংস সমুহ আপনি কন্টোল প্যানেলে গিয়ে ঠিক করে দিতে পারবেন।

উইনডোজ এইট ও টেন এ Windows Settings এর ভিতরে এগুলো আনার চেষ্টা করা হয়েছে। অবশ্য আগের মতো কনট্রোল প্যানেলটিও রয়েছে।

WSL- Windows Subsystem for Linux

ডেভলপারদের জন্য উইনডোজের ভিতর লিনাক্স পরিবেশ প্রদানের উদ্দেশে উইনডোস ১০ এর নতুন ফিচার উইনডোস সাবসিস্টেম ফর লিনাক্স বা ডব্লিউ এস এল।

এটার মাধ্যমে আপনি

উইনডোজ স্টোর থেকে লিনাক্স ডিস্ট্রো ইন্সটল করতে পারবেন।

কিছু পরিচিত কমান্ড ব্যবহার করে ফাইল একসেস করতে পারবেন।

Bash Shell script চালাতে পারবেন।